সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: চুরি করতে এসে আপেল সাবাড় করে গেল দুষ্কৃতীরা। ফ্রিজ থেকে নিয়ে গেল বেদানা। শনিবার রাতে নাগরাকাটার ছাড়তন্ডু এলাকার বাড়ি থেকে চুরি গিয়েছে চার লক্ষ টাকার সামগ্রী। যার মধ্যে নগদ সাড়ে তিন লক্ষ টাকা, চেন এবং মোবাইল ফোন রয়েছে। নাগরাকাটা থানার পুলিস রবিবার সকালে এসে চুরির তদন্ত শুরু করে।
Advertisement
সুপারি ব্যবসায়ী ও সব্জির কারবারি জবেদুল হক জানান, শনিবার রাত দশটায় পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়লেও তিনি সন্ধ্যা ৭টায় ঘুমিয়ে পড়েন। রবিবার সকাল ৭টায় ঘুম ভাঙলেও তন্দ্রাচ্ছন্নভাব কাটেনি। গোটা পরিবার গভীর ঘুমে ছিল। এই অবস্থায় চুরি করে পালায় দুষ্কৃতীরা। জবেদুলের ভাগ্নে মুন্না হক জানান, চোরেরা ফ্রিজ খুলে আপেল খেয়েছে। কিছু বেদানা নিয়ে গিয়েছে। বাড়ির বারান্দায় কিছু নথি ও খুচরো পয়সা ফেলে পালিয়েছে।
জবেদুল বলেন, মেয়ের ভাঙা পায়ের চিকিৎসা ও বিয়ের জন্য ধাপে ধাপে সুপারি বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা জমাচ্ছিলাম। পুরোটাই চুরি হয়ে গিয়েছে। পুলিস প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে, চোরেদের একটি গ্যাং এভাবেই চুরি করছে। এদের মধ্যে কোনও এক সদস্য আগের দিন এসে ওই বাড়িতে ঢুকে টার্গেট করে রান্নাঘরকে। রান্নাঘরে ঢুকেই তারা নুন এবং হলুদের মধ্যে নেশার ওষুধ মিশিয়ে দেয়। পরেরদিন সেই নুন হলুদের রান্না করা খাবার খায় পরিবারের সদস্যরা। তারপর থেকেই পরিবারের সকলের ঘুম ঘুম পেতে শুরু। রাতে একইভাবে খাবার খাওয়া হয়। এতে ডোজ দ্বিগুণ হয়ে গেলে সকলেই ঘুমিয়ে পড়ে। এই সুযোগে দুষ্কৃতীরা বাড়ির মধ্যে ঢুকে লুটপাট চালিয়ে পালিয়ে যায়। এখানেও একই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন নাগরাকাটা থানার আইসি কৌশিক কর্মকার। বাড়ির হলুদ ও নুনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এটা পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।
জবেদুল বলেন, মেয়ের ভাঙা পায়ের চিকিৎসা ও বিয়ের জন্য ধাপে ধাপে সুপারি বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা জমাচ্ছিলাম। পুরোটাই চুরি হয়ে গিয়েছে। পুলিস প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে, চোরেদের একটি গ্যাং এভাবেই চুরি করছে। এদের মধ্যে কোনও এক সদস্য আগের দিন এসে ওই বাড়িতে ঢুকে টার্গেট করে রান্নাঘরকে। রান্নাঘরে ঢুকেই তারা নুন এবং হলুদের মধ্যে নেশার ওষুধ মিশিয়ে দেয়। পরেরদিন সেই নুন হলুদের রান্না করা খাবার খায় পরিবারের সদস্যরা। তারপর থেকেই পরিবারের সকলের ঘুম ঘুম পেতে শুরু। রাতে একইভাবে খাবার খাওয়া হয়। এতে ডোজ দ্বিগুণ হয়ে গেলে সকলেই ঘুমিয়ে পড়ে। এই সুযোগে দুষ্কৃতীরা বাড়ির মধ্যে ঢুকে লুটপাট চালিয়ে পালিয়ে যায়। এখানেও একই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন নাগরাকাটা থানার আইসি কৌশিক কর্মকার। বাড়ির হলুদ ও নুনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এটা পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।



