সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের ইচ্ছাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের স্বামী বিবেকানন্দ ক্রীড়াঙ্গনের শিশুউদ্যান এখন সমাজবিরোধীদের মদ-গাঁজার ঠেকে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই ওই উদ্যান ঝোপঝাড়ে ভরে গিয়েছে। ফলে সাপখোপের আতঙ্ক রয়েছে। ভেঙে গিয়ে বেহাল অবস্থায় রয়েছে শিশুদের খেলার সরঞ্জাম। এলাকাবাসীর দাবি, উদ্যানটি পরিষ্কার করার পাশাপাশি সংস্কারেরও প্রয়োজন রয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে এলাকার যুবকদের খোলাধূলার জন্য ভীমেশ্বর এলাকায় বিশাল একটি ময়দান পাঁচিল দিয়ে ঘিরে স্বামী বিবেকান্দ ক্রীড়াঙ্গন গড়ে তোলা হয়। সেখানে খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুম, মঞ্চ, দ্বিতল ভিআইপি গ্যালারি নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে প্রায় সারাবছর ফুটবল টুর্নামেন্টও হয়। ওই ক্রীড়াঙ্গন চত্বরেই শিশুদের মনোরঞ্জনের কথা ভেবে একটি শিশুউদ্যানও গড়ে তোলা হয়।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ক্রীড়াঙ্গনটি পাঁচিল দিয়ে ঘেরা থাকায় স্থানীয় বেশকিছু সমাজবিরোধী নিজেদের মদ-গাঁজার ঠেক বানিয়ে ফেলেছে। সন্ধ্যা থেকেই বসে যায় তাদের আসর। ক্রীড়াঙ্গন চত্বরের একাংশে কেবলই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে মদের বোতল, গ্লাস, খাবারের প্যাকেট ও নানান আবর্জনা। শিশু উদ্যানটিও তাদের দখলে চলে গিয়েছে। শিশুদের খেলার সরঞ্জামগুলি ভেঙেচুরে দিয়েছে। এমনকী সুসজ্জিত টাইলস বসানো কংক্রিটের বসার জায়গাগুলি থেকে বড় বড় মার্বেল তুলে নিয়ে চলে গিয়েছে। গ্রামের সৌন্দর্যায়নে উন্নয়নমূলক কাজ হলেও সমাজবিরোধীদের বাড়বাড়ন্তে সর্বস্ব শেষ হয়ে যাচ্ছে। শিশুদের ওই উদ্যানে নিয়ে গেলে তারা কি শিক্ষা পাবে। প্রশাসনকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। পথিক দাস নামে আর এক বাসিন্দা বলেন, উদ্যানটির ঝোপঝাড় পরিষ্কার করলে খুব ভালো হয়। শিশুরা খেলাধুলা করতে পারবে।
ইচ্ছাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শিপ্রা মজুমদার বলেন, আমরা ওই শিশু উদ্যানটি পুজোর আগেই পরিষ্কার করেছিলাম। আবারও আগাছা গজিয়ে গিয়েছে। অসামাজিক কার্যকলাপ রুখতে অবশ্যই নজরদারি চালানো হবে। এছাড়াও খেলার সরঞ্জামগুলি সারানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ক্রীড়াঙ্গনটি পাঁচিল দিয়ে ঘেরা থাকায় স্থানীয় বেশকিছু সমাজবিরোধী নিজেদের মদ-গাঁজার ঠেক বানিয়ে ফেলেছে। সন্ধ্যা থেকেই বসে যায় তাদের আসর। ক্রীড়াঙ্গন চত্বরের একাংশে কেবলই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে মদের বোতল, গ্লাস, খাবারের প্যাকেট ও নানান আবর্জনা। শিশু উদ্যানটিও তাদের দখলে চলে গিয়েছে। শিশুদের খেলার সরঞ্জামগুলি ভেঙেচুরে দিয়েছে। এমনকী সুসজ্জিত টাইলস বসানো কংক্রিটের বসার জায়গাগুলি থেকে বড় বড় মার্বেল তুলে নিয়ে চলে গিয়েছে। গ্রামের সৌন্দর্যায়নে উন্নয়নমূলক কাজ হলেও সমাজবিরোধীদের বাড়বাড়ন্তে সর্বস্ব শেষ হয়ে যাচ্ছে। শিশুদের ওই উদ্যানে নিয়ে গেলে তারা কি শিক্ষা পাবে। প্রশাসনকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। পথিক দাস নামে আর এক বাসিন্দা বলেন, উদ্যানটির ঝোপঝাড় পরিষ্কার করলে খুব ভালো হয়। শিশুরা খেলাধুলা করতে পারবে।
ইচ্ছাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শিপ্রা মজুমদার বলেন, আমরা ওই শিশু উদ্যানটি পুজোর আগেই পরিষ্কার করেছিলাম। আবারও আগাছা গজিয়ে গিয়েছে। অসামাজিক কার্যকলাপ রুখতে অবশ্যই নজরদারি চালানো হবে। এছাড়াও খেলার সরঞ্জামগুলি সারানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।



