সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: মঙ্গলবার ফরিদপুর থানার ইসিএলের ঝাঁঝরা এমআইসি কোলিয়ারির খনিগর্ভে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম কানাইলাল ঘোষ(৪৮)। তাঁর বাড়ি অণ্ডাল থানা এলাকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে খনি চত্বরে আতঙ্ক ছড়ায়। ঘটনার প্রতিবাদে ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মৃতের পরিবারের লোকজন ও সহকর্মীরা কোলিয়ারিতে বিক্ষোভ দেখান। মৃতদেহ রেখে চলতে থাকে বিক্ষোভ। ঘটনাস্থলে ইসিএল কর্তৃপক্ষ ও সিআইএসএফ জওয়ান সহ শ্রমিক সংগঠনের নেতারা আসেন। প্রায় তিন ঘণ্টার পরে ইসিএল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে বিক্ষোভ উঠে যায়।
Advertisement
শ্রমিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, কানাইলালবাবু অন্যান্য দিনের মতো এদিনও খনিগর্ভে কাজে নিযুক্ত হয়েছিলেন। বেলা দেড়টা নাগাদ কর্মরত অবস্থায় মেশিনের কনভেয়ার বেল্টে জড়িয়ে যান তিনি। বাঁ হাতটি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রক্তাক্ত হয়ে পড়েন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তড়িঘড়ি সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে পরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপরেই সহকর্মীরা ও মৃতের পরিবারের লোকজন শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ইসিএলের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। কোলিয়ারিতে মৃতদেহ রেখে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ চলতে থাকে।
ঝাঁঝরা ইউনিটের সিএমএসআই কর্পোরেট ওয়েলফেয়ার কমিটির সদস্য রঞ্জিত মুখোপাধ্যায় বলেন, ইসিএল কর্তৃপক্ষ শ্রমিক সুরক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দেয় না। যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। এই ঝাঁঝরাতে ৩০ বছরে ২৫ জন শ্রমিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে। আর প্রায় দেড় বছরে তিনজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার জন্য যে দায়ী অর্থাৎ দোষীকে চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি করছি। পাশাপাশি মৃত শ্রমিকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।
কোলিয়ারির তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতা বিন্দু দেব বলেন, এই দুই মাসে কয়লা উৎপাদনে ইসিএল কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের উপর বিশাল চাপ সৃষ্টি করে। সেই কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না দেখতে হবে। আমাদের দাবি, এই মর্মান্তিক ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে। মৃত শ্রমিকের পরিবারের লোকজনকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও চাকরি দিতে হবে। কোলিয়ারির পার্সোনাল ম্যানেজার পায়েলা মাধুরী বলেন, ঘটনার তদন্ত করা হবে।
ঝাঁঝরা ইউনিটের সিএমএসআই কর্পোরেট ওয়েলফেয়ার কমিটির সদস্য রঞ্জিত মুখোপাধ্যায় বলেন, ইসিএল কর্তৃপক্ষ শ্রমিক সুরক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দেয় না। যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। এই ঝাঁঝরাতে ৩০ বছরে ২৫ জন শ্রমিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে। আর প্রায় দেড় বছরে তিনজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার জন্য যে দায়ী অর্থাৎ দোষীকে চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি করছি। পাশাপাশি মৃত শ্রমিকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।
কোলিয়ারির তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতা বিন্দু দেব বলেন, এই দুই মাসে কয়লা উৎপাদনে ইসিএল কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের উপর বিশাল চাপ সৃষ্টি করে। সেই কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না দেখতে হবে। আমাদের দাবি, এই মর্মান্তিক ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে। মৃত শ্রমিকের পরিবারের লোকজনকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও চাকরি দিতে হবে। কোলিয়ারির পার্সোনাল ম্যানেজার পায়েলা মাধুরী বলেন, ঘটনার তদন্ত করা হবে।



