Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফেরি সার্ভিসের ভাড়া বাড়িয়ে দিল ডায়মন্ডহারবার পুরসভা, ক্ষোভে ফুঁসছেন হলদিয়া, সুতাহাটার বাসিন্দারা

ফেরি সার্ভিসের ভাড়া বাড়িয়ে দিল ডায়মন্ডহারবার পুরসভা, ক্ষোভে ফুঁসছেন হলদিয়া, সুতাহাটার বাসিন্দারা
  • ২৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, হলদিয়া: কুঁকড়াহাটি-ডায়মন্ডহারবার রুটে লঞ্চ ও ভেসেলের ভাড়াবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ডেপুটেশন দিল পূর্ব মেদিনীপুর পরিবহণ যাত্রী কমিটি। ওই ভাড়া প্রত্যাহারের দাবিতে বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক এবং  হলদিয়া ও ডায়মন্ড হারবারের মহকুমা শাসককে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। আজ, বৃহস্পতিবার থেকে  মহকুমা ফেরিযাত্রী কমিটির পক্ষ থেকে কুঁকড়াহাটি ফেরিঘাটে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান করা হবে। নিত্যযাত্রীদের স্বাক্ষর সংগ্রহের পর পরিবহণমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। 
Advertisement
প্রসঙ্গত, হুগলি নদীতে ওই রুটের মাধ্যমে কম সময়ে কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা যাতায়াত করতে পারেন পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দারা। গত ১০নভেম্বর দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার পুরসভার চেয়ারম্যান এক বিজ্ঞপ্তি›র মাধ্যমে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ফেরি সার্ভিসের ভাড়াবৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন। ডায়মন্ড হারবার পুরসভার তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ যাত্রীদের ভাড়া বর্তমানে রয়েছে ২০ টাকা। ওই ভাড়া এক ধাক্কায় বেড়ে হচ্ছে ২৭ টাকা। বিনা টিকিটের যাত্রী ফাইন সহ ভাড়া ছিল ৫০ টাকা, তা বেড়ে হচ্ছে ৩০০ টাকা। বড় মালের জন্য ৩০ টাকার টিকিট মূল্য বেড়ে হচ্ছে ৪০ টাকা। মাঝারি মালের টিকিট মূল্য ২৫ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ৩০ টাকা। ছোট মালের টিকিট ১০ টাকা থেকে বেড়ে ১৫ টাকা হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের মান্থলি টিকিটের দাম ৭০ থেকে বেড়ে ১২০ টাকা হচ্ছে। 
যাত্রী পরিবহণ কমিটির পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মুখপাত্র নারায়ণচন্দ্র নায়ক অভিযোগ করেন, ভাড়াবৃদ্ধির তালিকা যাত্রীস্বার্থ বিরোধী। শুধু তাই নয়, সাধারণ নিত্যযাত্রীরাও সমস্যায় পড়বেন। তিনি বলেন, পরিবহণ যাত্রী কমিটির পক্ষ থেকে অবিলম্বে বর্ধিত ভাড়ার তালিকা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি, ফেরিঘাটে যাত্রী নিরাপত্তা সুনিশ্চিত সহ লঞ্চ নয়, ভেসেল চালুর দাবি জানাচ্ছি। ডায়মন্ড হারবার ও হলদিয়ার মহকুমা শাসককে এসইউসির পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে। 
হলদিয়ার মহকুমা শাসক সুপ্রভাত চট্টোপাধ্যায় বলেন, স্মারকলিপি পেয়েছি। বিষয়টি ডায়মন্ডহারবারের এক্তিয়ারভুক্ত। তাই বিষয়টি ডায়মন্ডহারবারের মহকুমা শাসককে পাঠিয়ে দিয়েছি।
সম্পর্কিত সংবাদ