নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বহরমপুর থেকে বেলডাঙা ও রেজিনগর হয়ে বারাসত যাওয়ার ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ডবল লেনের কাজ ফের শুরু হয়েছে। জমিজটে কিছু অংশের কাজ আটকে গেলেও, ধীরে ধীরে জট কাটছে বলেই জানা গিয়েছে।
Advertisement
বহরমপুর সদরের মহকুমা শাসক শুভঙ্কর রায় বলেন, অধিকাংশ জায়গায় জমিজট ধীরে ধীরে কাটছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রশাসনের সমস্ত আধিকারিকরা একসঙ্গে গত সপ্তাহেই ইনস্পেকশনে গিয়েছিলাম। যারা জমি দিয়েছে, এমন বহু মানুষ টাকা পেয়েছে। বেশ কিছু জমিদাতা খুব শীঘ্রই টাকা পাবে। আশা করছি জাতীয় সড়কের কাজ এবার সুষ্ঠুভাবে দ্রুত এগিয়ে যাবে।
বেলডাঙা-১ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা রেজিনগররের বিধায়ক প্রতিনিধি জামিল চৌধুরী বলেন, জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজে কোথাও বাধা দেওয়া যাবে না। স্বেচ্ছায় মানুষকে জমি দিতে হবে। জমির ন্যায্যমূল্য সরকার মিটিয়ে দেবে। কিছু কিছু জায়গায় জমিজটের জন্য জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ আটকে গিয়েছে। আগে একটি এজেন্সি কাজ করছিল, তারা চলে গিয়েছে। যার ফলে কাজ ব্যাহত হয়। আবার নতুন করে কাজ শুরু হয়েছে। ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিস থেকে আনসার মোড় পর্যন্ত একটা সিঙ্গল লেন রয়েছে। এটা অবিলম্বে ডবল লেন করা উচিত। সাধারণ মানুষকে বলব, শেষমেশ কিন্তু সকলকেই জায়গা দিতে হবে। অনেক বাসিন্দাই জমির ন্যায্যমূল্যের জন্য আদালতে মামলা করেছে। কোথাও জমির শরিকি সমস্যা রয়েছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সেগুলি দেখছে। এই রাস্তা সম্প্রসারিত হলে মুর্শিদাবাদের যে কোনও জায়গা থেকে কলকাতা যেতে আরও কম সময় লাগবে। তাই সাধারণ মানুষের একটু সহযোগিতা দরকার।
কৃষ্ণনগর থেকে বহরমপুরের বলরামপুর পর্যন্ত জাতীয় সড়কের অংশটি কৃষ্ণনগর ডিভিশনে পড়ে। মুর্শিবাদাদের অংশে রেজিনগরের ছেতিয়ানি, বেলডাঙার ভাবতা ও সাধুখালি এলাকায় প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তার ডবল লেনের কাজ আটকে রয়েছে। ভাবতা ও সাধুখালি অংশে জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন ছিল। ফলে ওইসব এলাকায় একটিমাত্র লেন রয়েছে। রাতের অন্ধকারে ওই সরু লেন দিয়ে বেশ বিপজ্জনক ভাবে উভয়দিকে গাড়ি চলাচল করে। এছাড়া কিছু কিছু জায়গায় মাটি থেকে প্রায় এক ফুট উচুতে পিচ রাস্তা রয়েছে। ফলে পিচ রাস্তা থেকে বাইক বা গাড়ি নামতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে। রেজিনগরে যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে সেখানেও মাটি থেকে প্রায় এক ফুট উঁচুতে পিচ রাস্তা রয়েছে। যার ফলে দুর্ঘটনা বাড়ছে। জমিজটের সব থেকে বড় সমস্যা রয়েছে সাধুখালি মৌজায়। জাতীয় সড়কের এই অংশে সবথেকে বেশি দুর্ঘটনা হচ্ছে বলেই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। বেশ কিছু জায়গায় রাস্তার পাশে মাটি সমান করার কাজ চলছে। কিছু কিছু জায়গায় জমি ফাঁকা করে দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। সকলেই চাইছে দ্রুত কাজ শেষ হোক। সামগ্রিক ভাবে কবে জাতীয় সড়কের ডবল লেনের কাজ শেষ হয় তার অপেক্ষায় আছে বেলডাঙা ও রেজিনগরের বাসিন্দারা।
বেলডাঙা-১ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা রেজিনগররের বিধায়ক প্রতিনিধি জামিল চৌধুরী বলেন, জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজে কোথাও বাধা দেওয়া যাবে না। স্বেচ্ছায় মানুষকে জমি দিতে হবে। জমির ন্যায্যমূল্য সরকার মিটিয়ে দেবে। কিছু কিছু জায়গায় জমিজটের জন্য জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ আটকে গিয়েছে। আগে একটি এজেন্সি কাজ করছিল, তারা চলে গিয়েছে। যার ফলে কাজ ব্যাহত হয়। আবার নতুন করে কাজ শুরু হয়েছে। ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিস থেকে আনসার মোড় পর্যন্ত একটা সিঙ্গল লেন রয়েছে। এটা অবিলম্বে ডবল লেন করা উচিত। সাধারণ মানুষকে বলব, শেষমেশ কিন্তু সকলকেই জায়গা দিতে হবে। অনেক বাসিন্দাই জমির ন্যায্যমূল্যের জন্য আদালতে মামলা করেছে। কোথাও জমির শরিকি সমস্যা রয়েছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সেগুলি দেখছে। এই রাস্তা সম্প্রসারিত হলে মুর্শিদাবাদের যে কোনও জায়গা থেকে কলকাতা যেতে আরও কম সময় লাগবে। তাই সাধারণ মানুষের একটু সহযোগিতা দরকার।
কৃষ্ণনগর থেকে বহরমপুরের বলরামপুর পর্যন্ত জাতীয় সড়কের অংশটি কৃষ্ণনগর ডিভিশনে পড়ে। মুর্শিবাদাদের অংশে রেজিনগরের ছেতিয়ানি, বেলডাঙার ভাবতা ও সাধুখালি এলাকায় প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তার ডবল লেনের কাজ আটকে রয়েছে। ভাবতা ও সাধুখালি অংশে জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন ছিল। ফলে ওইসব এলাকায় একটিমাত্র লেন রয়েছে। রাতের অন্ধকারে ওই সরু লেন দিয়ে বেশ বিপজ্জনক ভাবে উভয়দিকে গাড়ি চলাচল করে। এছাড়া কিছু কিছু জায়গায় মাটি থেকে প্রায় এক ফুট উচুতে পিচ রাস্তা রয়েছে। ফলে পিচ রাস্তা থেকে বাইক বা গাড়ি নামতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে। রেজিনগরে যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে সেখানেও মাটি থেকে প্রায় এক ফুট উঁচুতে পিচ রাস্তা রয়েছে। যার ফলে দুর্ঘটনা বাড়ছে। জমিজটের সব থেকে বড় সমস্যা রয়েছে সাধুখালি মৌজায়। জাতীয় সড়কের এই অংশে সবথেকে বেশি দুর্ঘটনা হচ্ছে বলেই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। বেশ কিছু জায়গায় রাস্তার পাশে মাটি সমান করার কাজ চলছে। কিছু কিছু জায়গায় জমি ফাঁকা করে দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। সকলেই চাইছে দ্রুত কাজ শেষ হোক। সামগ্রিক ভাবে কবে জাতীয় সড়কের ডবল লেনের কাজ শেষ হয় তার অপেক্ষায় আছে বেলডাঙা ও রেজিনগরের বাসিন্দারা।



