নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বিস্ফোরণ কাণ্ড কিছুটা স্তিমিত হতেই ফের শালতোড়ায় পাথর খাদান চালু করার অনুমতি দিতে শুরু করল সরকার। রাজ্যের খনিজ উন্নয়ন ও ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় দেখভালের দায়িত্বে থাকা সংস্থা শালতোড়ার ধতলা মৌজায় একটি খাদান থেকে পাথর উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা ভূমিদপ্তরের আধিকারিকরাও একপ্রস্থ আলোচনা সেরেছেন। দ্রুত ওই খাদান থেকে পাথর খনন শুরু করা হবে বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন।
Advertisement
জেলা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, সরকারি নিয়ম মেনে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকেও পাথর উত্তোলন করা যায়। বছর দুয়েক আগে চালু হওয়া ‘রায়তি পলিসি’ অনুযায়ী তা করা যায়। তারজন্য জমির মালিককে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল মিনারেল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ট্রেডিং কর্পোরেশন লিমিটেডের’ (ডব্লুবিএমডিটিসিএল) কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। পাশাপাশি পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্রও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নিতে হয়। তারপর পাঁচ বছরের জন্য পাথর খননের অনুমতি পাওয়া যায়। ধতলা মৌজায় সবকিছু ঠিক থাকায় ‘ডব্লুবিএমডিটিসিএল’ কর্তৃপক্ষ একটি জমি থেকে পাথর খননের অনুমতি দিয়েছে। বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর আমরা বিশেষ নজরদারি শুরু করেছি। পাথরের চাঁই ভাঙার জন্য খাদানে বিস্ফোরণ ঘটাতে গেলে আগাম অনুমতি মালিকদের নিতে হবে। বর্তমানে শালতোড়া ব্লকে কোনও খাদান নেই। ছাতনা ও মেজিয়ায় মাত্র একটি করে পাথর খাদান চালু রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৩০ আগস্ট রাতে শালতোড়ায় বাইকে ডিটোনেটর জাতীয় বিস্ফোরক বহনের সময় তা ফেটে গিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ঝনকা গ্রামের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি বেআইনি পাথর খাদানে ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক সামগ্রী সরবরাহ করছিল বলে অভিযোগ। এব্যাপারে পুলিস স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্তে নামে। বিস্ফোরক পাচারে যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিস দু’জনকে গ্রেপ্তারও করে। শালতোড়া থানার বাসিন্দা ধৃতরা ঘটনার দিন মৃত ব্যক্তিকে বিস্ফোরক সামগ্রী সরবরাহ করেছিল বলে পুলিসের দাবি। ওই ঘটনায় বড়সড় চক্র জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহ করে এনআইএ তদন্ত শুরু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শালতোড়ায় বেআইনি পাথর খাদান দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। খাদান মাফিয়ারা পুরো চক্র নিয়ন্ত্রণ করে। বড় বড় পাথরের চাঁই ভাঙার জন্য মাফিয়া মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা ডিটোনেটর, ডিনামাইট জাতীয় বিস্ফোরক পদার্থ খাদানে জড়ো করে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিস্ফোরণ ঘটানোর ফলে এলাকার রাস্তাঘাট ও বাড়িঘরে ক্ষতি হয়। ভূমিদপ্তর সেভাবে নজর দেয় না বলে বাসিন্দাদের দাবি। যদিও দপ্তরের কর্তারা তা মানতে চাননি।
উল্লেখ্য, বাঁকুড়ার পশ্চিমাঞ্চলের ব্লকগুলিতে পাথর পাওয়া যায়। পাঁচামীর মতো গুণমান না হলেও বাঁকুড়ার পাথরের ভালো চাহিদা রয়েছে। কম খরচে বাড়ি তৈরির জন্য অনেকেই ওই পাথর কিনে থাকেন। তবে রাস্তা নির্মাণের জন্য বাঁকুড়ার বেশিরভাগ পাথর ও স্টোন চিপস্ সরবরাহ করা হয়। বাঁকুড়া ও আশাপাশের জেলাগুলিতে সড়ক তৈরির ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের পছন্দের তালিকায় সবার উপরে থাকে শালতোড়ার পাথর। ফলে ওই ব্লক এলাকায় সবচেয়ে বেশি পাথর খাদান রয়েছে। একসময় ওইসব খাদান থেকে সরকার রাজস্ব আদায় করত। তবে বৈধ খাদানের পাশাপাশি শুরু থেকেই বেআইনি পাথর উত্তোলনও চলে আসছে।
প্রসঙ্গত, ৩০ আগস্ট রাতে শালতোড়ায় বাইকে ডিটোনেটর জাতীয় বিস্ফোরক বহনের সময় তা ফেটে গিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ঝনকা গ্রামের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি বেআইনি পাথর খাদানে ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক সামগ্রী সরবরাহ করছিল বলে অভিযোগ। এব্যাপারে পুলিস স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্তে নামে। বিস্ফোরক পাচারে যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিস দু’জনকে গ্রেপ্তারও করে। শালতোড়া থানার বাসিন্দা ধৃতরা ঘটনার দিন মৃত ব্যক্তিকে বিস্ফোরক সামগ্রী সরবরাহ করেছিল বলে পুলিসের দাবি। ওই ঘটনায় বড়সড় চক্র জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহ করে এনআইএ তদন্ত শুরু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শালতোড়ায় বেআইনি পাথর খাদান দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। খাদান মাফিয়ারা পুরো চক্র নিয়ন্ত্রণ করে। বড় বড় পাথরের চাঁই ভাঙার জন্য মাফিয়া মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা ডিটোনেটর, ডিনামাইট জাতীয় বিস্ফোরক পদার্থ খাদানে জড়ো করে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিস্ফোরণ ঘটানোর ফলে এলাকার রাস্তাঘাট ও বাড়িঘরে ক্ষতি হয়। ভূমিদপ্তর সেভাবে নজর দেয় না বলে বাসিন্দাদের দাবি। যদিও দপ্তরের কর্তারা তা মানতে চাননি।
উল্লেখ্য, বাঁকুড়ার পশ্চিমাঞ্চলের ব্লকগুলিতে পাথর পাওয়া যায়। পাঁচামীর মতো গুণমান না হলেও বাঁকুড়ার পাথরের ভালো চাহিদা রয়েছে। কম খরচে বাড়ি তৈরির জন্য অনেকেই ওই পাথর কিনে থাকেন। তবে রাস্তা নির্মাণের জন্য বাঁকুড়ার বেশিরভাগ পাথর ও স্টোন চিপস্ সরবরাহ করা হয়। বাঁকুড়া ও আশাপাশের জেলাগুলিতে সড়ক তৈরির ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের পছন্দের তালিকায় সবার উপরে থাকে শালতোড়ার পাথর। ফলে ওই ব্লক এলাকায় সবচেয়ে বেশি পাথর খাদান রয়েছে। একসময় ওইসব খাদান থেকে সরকার রাজস্ব আদায় করত। তবে বৈধ খাদানের পাশাপাশি শুরু থেকেই বেআইনি পাথর উত্তোলনও চলে আসছে।



