সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: সলসলাবাড়ি থেকে ফালাকাটা ৪১ কিমি ৩১ডি জাতীয় সড়কে ফের ফোর লেনের কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সড়কের কাজ ফের শুরু হতেই উত্তেজনা বাড়ছে রাস্তার দু’ধারের দোকানদারদের মধ্যে। ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ ও দোকান পুনঃস্থাপনের দাবি নিয়ে কোথাও কোথাও ঝামেলা হচ্ছে। আজ, বুধবার সোনাপুর হাটে ব্যবসায়ীরা এই দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছেন।
Advertisement
একই দাবিতে মঙ্গলবার শিলবাড়ি হাটের ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। আগের এজেন্সি মাঝপথে কাজ ছেড়ে চলে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ফোর লেনের কাজ থমকে ছিল। ফলে খানাখন্দ ভরা ও ধুলোর ঝড়ে জেলার লাইফ লাইন ওই জাতীয় সড়ক বর্তমানে বিভীষিকা হয়ে উঠেছে। নতুন এজেন্সি আসার পর ফের কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শুরু হতেই ব্যবসায়ীরা ফের তাঁদের ওই দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।
ফোর লেনের জন্য সোনাপুর হাটের শতাধিক দোকানদার উচ্ছেদের আশঙ্কায় ভুগছেন। অন্যদিকে, শিলতোর্সা সেতুর ঘাটপাড়, শালকুমার মোড়, পলাশবাড়ি, নিউ পলাশবাড়ি ও মেজবিল হাটের ১২৯ জন ব্যবসায়ীও উচ্ছেদের আশঙ্কায় দিন গুনছেন। সোনাপুর স্থায়ী ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি শম্ভু রায় বলেন, দোকান ভাঙা পড়লে পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ না মিললে এখন আমরা কীভাবে সংসার চালাব। আমাদের দাবি, তারজন্যই উপযুক্ত পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ ও দোকান পুনঃস্থাপনের অর্থ দিতে হবে প্রশাসনকে। এই দাবিতে বুধবার সোনাপুরে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, একই দাবিতে মঙ্গলবার শিলবাড়ি হাটের ব্যবসায়ীরা জেলাশাসকের দ্বারস্থা হন। কিন্তু এদিন জেলাশাসকের সঙ্গে ব্যবসায়ীরা দেখা করতে পারেননি। তবে অন্য একদিন জেলাশাসকের অফিস থেকে ব্যবসায়ীদের ডাকা হতে পারে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
শিলবাড়ি হাট ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক নিখিল পোদ্দার বলেন, মঙ্গলবার জেলার প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্সকন্যায় ডিএমের সঙ্গে দেখা করতে যাই। কিন্তু তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি। তবে তাঁর দপ্তর থেকে পরে আমাদের ডাকা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
যদিও এ বিষয়ে জানতে ফোর লেন বা জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের কোনও কর্তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। আলিপুরদুয়ার-১ এর বিডিও জয়ন্ত রায় অবশ্য বলেন, ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের বিষয়টি জেলায় জানানো হয়েছে।
ফোর লেনের জন্য সোনাপুর হাটের শতাধিক দোকানদার উচ্ছেদের আশঙ্কায় ভুগছেন। অন্যদিকে, শিলতোর্সা সেতুর ঘাটপাড়, শালকুমার মোড়, পলাশবাড়ি, নিউ পলাশবাড়ি ও মেজবিল হাটের ১২৯ জন ব্যবসায়ীও উচ্ছেদের আশঙ্কায় দিন গুনছেন। সোনাপুর স্থায়ী ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি শম্ভু রায় বলেন, দোকান ভাঙা পড়লে পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ না মিললে এখন আমরা কীভাবে সংসার চালাব। আমাদের দাবি, তারজন্যই উপযুক্ত পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ ও দোকান পুনঃস্থাপনের অর্থ দিতে হবে প্রশাসনকে। এই দাবিতে বুধবার সোনাপুরে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, একই দাবিতে মঙ্গলবার শিলবাড়ি হাটের ব্যবসায়ীরা জেলাশাসকের দ্বারস্থা হন। কিন্তু এদিন জেলাশাসকের সঙ্গে ব্যবসায়ীরা দেখা করতে পারেননি। তবে অন্য একদিন জেলাশাসকের অফিস থেকে ব্যবসায়ীদের ডাকা হতে পারে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
শিলবাড়ি হাট ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক নিখিল পোদ্দার বলেন, মঙ্গলবার জেলার প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্সকন্যায় ডিএমের সঙ্গে দেখা করতে যাই। কিন্তু তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি। তবে তাঁর দপ্তর থেকে পরে আমাদের ডাকা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
যদিও এ বিষয়ে জানতে ফোর লেন বা জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের কোনও কর্তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। আলিপুরদুয়ার-১ এর বিডিও জয়ন্ত রায় অবশ্য বলেন, ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের বিষয়টি জেলায় জানানো হয়েছে।



