সংবাদদাতা, তেহট্ট: বহুদিন ধরে কৃষ্ণনগর–পাটিকাবাড়ি ঘাট ভায়া রানিনগর রুটে নিয়মিত বাস চলত। তখন বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের তেহট্ট, কৃষ্ণনগর বা অন্য এলাকায় যেতে সুবিধা হতো। কিন্তু এখন সেই রুটে টোটো ও অটোর সংখ্যা প্রচুর বেড়ে যাওয়ায় কোনও বাস চলছে না। স্থানীয়রা বন্ধ বাস পরিষেবা ফের চালুর দাবি জানিয়েছেন। এআরটিও অভিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, আমরা এবিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।
Advertisement
কৃষ্ণনগর-পাটিকাবাড়ি ভায়া রানিনগর রুটে আগে বেশ কয়েকটি বাস চলাচল করত। এর ফলে গোপীনাথপুর পঞ্চায়েতের চিলাখালি, রাধানগর, গোপীনাথপুর, রানিনগর, ধাওয়াপাড়া সহ বিভিন্ন গ্রামের কয়েকহাজার মানুষ সহজেই নানা জায়গায় যাতায়াত করতে পারতেন। এই এলাকার মানুষকে নিত্য প্রয়োজনে তেহট্ট বা পলাশীপাড়ায় যেতে হয়।
তেহট্টে আদালত, মহকুমা শাসকের অফিস, পরিবহণ দপ্তর, কলেজ রয়েছে। পলাশীপাড়ায় ব্যাঙ্ক, বিডিও অফিস, ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তর, বাজার প্রভৃতি রয়েছে। কিন্তু বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব গ্রামের মানুষকে তেহট্ট বা পলাশীপাড়ায় যেতে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। টোটো-অটোতে যাতায়াতে সময় বেশি লাগার পাশাপাশি টাকাও বেশি খরচ হয়। সেজন্য ফের ওই রুটে বাস চালুর দাবি উঠেছে।
কৃষ্ণনগর বা কলকাতায় যাওয়া মানুষ সন্ধ্যার পরে বা রাতের দিকে বাড়ি ফিরলে পলাশীপাড়া বা রাধানগর বাসস্ট্যান্ডে তাঁদের বাস থেকে নামতে হয়। তারপর হেঁটে বাড়ি ফিরতে হয়। ওই সময়ে রিকশ বা টোটো পাওয়া যায় না। জেলা শহর বা কলকাতা থেকে রাত ৮টার পর বাড়ি ফেরা খুবই মুশকিল।
পরিবহণ দপ্তরের অনুমতি নিয়ে রানিনগর ঘাট হয়ে কৃষ্ণনগর-পাটিকাবাড়ি ঘাট রুটে ১০টি বাস নিয়মিত চলত। কিন্তু এখন রানিনগর ঘাট বাসস্ট্যান্ডে কোনও বাসের চাকা গড়ানোর আওয়াজ শোনা যায় না। স্থানীয়রা রাতে বাড়ি ফিরলে রাধানগর বাসস্ট্যান্ড থেকে হেঁটে আসেন।
ভাগ্যক্রমে কোনও গাড়ি পাওয়া গেলে চালকরা নিজেদের মর্জিমাফিক ভাড়া হাঁকে। যা দেওয়া গ্রামের দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের সাধ্যের বাইরে। সেজন্য গ্রামবাসীরা আবার ওই বাস পরিষেবা চালু করার দাবি তুলেছেন। বাস মালিক সমিতির সভাপতি সাধন বিশ্বাস বলেন, ওই রুটে প্রচুর টোটো ও অটো অবৈধভাবে চলাচল করে। সেগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে আমরা আবার ওই রুটে বাস চালাব।
তেহট্টে আদালত, মহকুমা শাসকের অফিস, পরিবহণ দপ্তর, কলেজ রয়েছে। পলাশীপাড়ায় ব্যাঙ্ক, বিডিও অফিস, ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তর, বাজার প্রভৃতি রয়েছে। কিন্তু বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব গ্রামের মানুষকে তেহট্ট বা পলাশীপাড়ায় যেতে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। টোটো-অটোতে যাতায়াতে সময় বেশি লাগার পাশাপাশি টাকাও বেশি খরচ হয়। সেজন্য ফের ওই রুটে বাস চালুর দাবি উঠেছে।
কৃষ্ণনগর বা কলকাতায় যাওয়া মানুষ সন্ধ্যার পরে বা রাতের দিকে বাড়ি ফিরলে পলাশীপাড়া বা রাধানগর বাসস্ট্যান্ডে তাঁদের বাস থেকে নামতে হয়। তারপর হেঁটে বাড়ি ফিরতে হয়। ওই সময়ে রিকশ বা টোটো পাওয়া যায় না। জেলা শহর বা কলকাতা থেকে রাত ৮টার পর বাড়ি ফেরা খুবই মুশকিল।
পরিবহণ দপ্তরের অনুমতি নিয়ে রানিনগর ঘাট হয়ে কৃষ্ণনগর-পাটিকাবাড়ি ঘাট রুটে ১০টি বাস নিয়মিত চলত। কিন্তু এখন রানিনগর ঘাট বাসস্ট্যান্ডে কোনও বাসের চাকা গড়ানোর আওয়াজ শোনা যায় না। স্থানীয়রা রাতে বাড়ি ফিরলে রাধানগর বাসস্ট্যান্ড থেকে হেঁটে আসেন।
ভাগ্যক্রমে কোনও গাড়ি পাওয়া গেলে চালকরা নিজেদের মর্জিমাফিক ভাড়া হাঁকে। যা দেওয়া গ্রামের দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের সাধ্যের বাইরে। সেজন্য গ্রামবাসীরা আবার ওই বাস পরিষেবা চালু করার দাবি তুলেছেন। বাস মালিক সমিতির সভাপতি সাধন বিশ্বাস বলেন, ওই রুটে প্রচুর টোটো ও অটো অবৈধভাবে চলাচল করে। সেগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে আমরা আবার ওই রুটে বাস চালাব।



