সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: আমবাড়ি পুলিস ফাঁড়ি ভোরের আলো থানা হওয়ার পর উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়িকে থানা করার দাবি জোরালো হয়েছে। আর জি কর কাণ্ডের জেরে নিরাপত্তা বাড়াতে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চত্বর সিসি ক্যামেরায় মুড়ে দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যাও বেড়েছে। তারপরেও চুরির ঘটনা ঘটছে। তাই এবার ফাঁড়ির পরিকাঠামো বৃদ্ধি করে থানার দাবি উঠছে। উল্লেখ্য, মেডিক্যাল ফাঁড়িটি মাটিগাড়া থানার অধীনে রয়েছে।
Advertisement
সোমবার সকালে নজরে আসে এইচআইভি পজিটিভদের চিকিৎসার এআরটি সেন্টারে দরজা ভেঙে চুরি ঘটনা। এর আগে বিভিন্ন বিভাগের এসি মেশিনের পাইপ, ক্যাম্পাস থেকে বাইক, স্কুটার চুরির ঘটনা বহুবার হয়েছে। এবার দরজা ভেঙে ওয়ার্ডে ঢুকে জলের কল চুরির ঘটনায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তথা পুলিসের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে।
মেডিক্যালের সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক হাসপাতাল চত্বরে পুলিসের টহল বাড়ানোর দাবিতে ফের একবার সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, হাসপাতালের মধ্যে পুলিস ফাঁড়ি থাকার পরও এ ধরনের চুরির ঘটনা বিস্ময়কর। এখানকার নিরাপত্তার দায়িত্ব পুরিসের। রাতে পুলিসের টহল বাড়াতে হবে। অতীতে একাধিকবার উচ্চপদস্থ পুলিস আধিকারিকদের ফাঁড়িকে শক্তিশালী করে পুলিসি টহল বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছি। প্রতিশ্রুতি পেলেও সেই মতো কাজ হয়নি। তবে সম্প্রতি শুনেছি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়িকে থানা করার চিন্তাভাবনা পুলিস মহলে শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিসের তরফে প্রাথমিকভাবে এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে বলে জেনেছি। থানা করার জন্য ভবনের বা জায়গার প্রয়োজন হলে হাসপাতালের তরফে তা দেওয়া হবে।
সম্প্রতি আমবাড়ি ফাঁড়িকে ভোরের আলো থানা করা হয়েছে। তারপর থেকেই মেডিক্যাল ফাঁড়িকে থানা করার জোরালো সম্ভাবনা দেখছে ওয়াকিবহাল মহলও। মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়িকে মেডিক্যাল কলেজের বাইরেও অনেকটা এলাকার আইনশৃঙ্খলার দিকটি দেখতে হয়। তাতে যে সংখ্যায় পুলিস কর্মী ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থাকা দরকার তা ফাঁড়িতে নেই। পুলিস সূত্রেই জানা গিয়েছে, আর জি কর কাণ্ডকে সামনে রেখে সবকিছু বিবেচনা করে এই ফাঁড়িকে থানা করার চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে।
এমনিতেই মাটিগাড়া থানার এলাকাটি বিশাল। চাপ অনেক। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মর্গেরও চাপ রয়েছে। সেক্ষেত্রে মেডিক্যাল ফাঁড়িকে থানা করা হলে মাটিগাড়া থানার উপর থেকে চাপ অনেকটাই কমে যাবে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, আর জি করের ঘটনায় মেডিক্যাল ফাঁড়িকে শক্তিশালী তথা থানা করার প্রয়োজনীয়তা জরুরি হয়ে পড়ে। সবকিছু বিবেচনা করে মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়িকে থানা করার চিন্তাভাবনা প্রশাসনিক মহলে চলছে। যদিও শিলিগুড়ির পুলিস কমিশনার সি সুধাকর মেডিক্যাল ফাঁড়িকে থানা করার কথা স্বীকার করেননি।
মেডিক্যালের সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক হাসপাতাল চত্বরে পুলিসের টহল বাড়ানোর দাবিতে ফের একবার সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, হাসপাতালের মধ্যে পুলিস ফাঁড়ি থাকার পরও এ ধরনের চুরির ঘটনা বিস্ময়কর। এখানকার নিরাপত্তার দায়িত্ব পুরিসের। রাতে পুলিসের টহল বাড়াতে হবে। অতীতে একাধিকবার উচ্চপদস্থ পুলিস আধিকারিকদের ফাঁড়িকে শক্তিশালী করে পুলিসি টহল বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছি। প্রতিশ্রুতি পেলেও সেই মতো কাজ হয়নি। তবে সম্প্রতি শুনেছি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়িকে থানা করার চিন্তাভাবনা পুলিস মহলে শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিসের তরফে প্রাথমিকভাবে এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে বলে জেনেছি। থানা করার জন্য ভবনের বা জায়গার প্রয়োজন হলে হাসপাতালের তরফে তা দেওয়া হবে।
সম্প্রতি আমবাড়ি ফাঁড়িকে ভোরের আলো থানা করা হয়েছে। তারপর থেকেই মেডিক্যাল ফাঁড়িকে থানা করার জোরালো সম্ভাবনা দেখছে ওয়াকিবহাল মহলও। মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়িকে মেডিক্যাল কলেজের বাইরেও অনেকটা এলাকার আইনশৃঙ্খলার দিকটি দেখতে হয়। তাতে যে সংখ্যায় পুলিস কর্মী ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থাকা দরকার তা ফাঁড়িতে নেই। পুলিস সূত্রেই জানা গিয়েছে, আর জি কর কাণ্ডকে সামনে রেখে সবকিছু বিবেচনা করে এই ফাঁড়িকে থানা করার চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে।
এমনিতেই মাটিগাড়া থানার এলাকাটি বিশাল। চাপ অনেক। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মর্গেরও চাপ রয়েছে। সেক্ষেত্রে মেডিক্যাল ফাঁড়িকে থানা করা হলে মাটিগাড়া থানার উপর থেকে চাপ অনেকটাই কমে যাবে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, আর জি করের ঘটনায় মেডিক্যাল ফাঁড়িকে শক্তিশালী তথা থানা করার প্রয়োজনীয়তা জরুরি হয়ে পড়ে। সবকিছু বিবেচনা করে মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়িকে থানা করার চিন্তাভাবনা প্রশাসনিক মহলে চলছে। যদিও শিলিগুড়ির পুলিস কমিশনার সি সুধাকর মেডিক্যাল ফাঁড়িকে থানা করার কথা স্বীকার করেননি।



