সংবাদদাতা, দার্জিলিং: ‘হামরো পার্টি’ অতীত। রবিবার দার্জিলিংয়ের জিমখানা ক্লাবে আত্মপ্রকাশ করল অজয় এডওয়ার্ডের নতুন দল ‘ইন্ডিয়ান গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্ট’। এই নতুন দলের পতাকাও প্রকাশ করা হয়। সবুজ ও নীল রঙের পতাকায় একটি খুকরি ও তারা রয়েছে। নতুন এই দলে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা, জিএনএলএফ, ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা, তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতা-নেত্রীই যোগ দিয়েছেন। পাহাড়ের পরিচিত রাজনৈতিক মুখ প্রদীপ প্রধান, এনবি খাওয়াস, প্রকাশ গুরুং, মহেন্দ্র ছেত্রী, সারদা রাইসুব্বা সহ একাধিক নেতা পাশে দাঁড়িয়েছেন অজয়ের। পাহাড়কে নিয়ে পৃথক রাজ্যের দাবিকে সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দল কাজ করবে বলে জানিয়েছেন অজয়। পাহাড়বাসীর আর্থসামাজিক উন্নয়নের দাবি নিয়েও জিটিএ সহ জেলা প্রশাসনের ওপরে চাপ সৃষ্টির কাজ করবে নতুন এই নতুন দল। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, আগামীতে পাহাড়ের কার্শিয়ং, কালিম্পং এবং মিরিক পুরসভার নির্বাচনের প্রাক্কালে এই দলের আত্মপ্রকাশ পাহাড়ের শাসকদলের ওপর চাপ বাড়াবে।
Advertisement
২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর হামরো পার্টি নাম দিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করেছিলেন অজয় এডওয়ার্ড। এমনকি দার্জিলিং পুরসভা ভোটে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বোর্ড দখল করেছিল দলটি। কিন্তু খুব বেশিদিন দার্জিলিং পুরসভার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি হামরো পার্টি। অনীত থাপার নেতৃত্বে বিজিপিএম গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ক্ষমতা দখলের পরেই দার্জিলিং পুরসভায় হামরো পার্টির কাউন্সিলারদের ভাঙিয়ে বোর্ড দখল করে। অজয়রা জিটিএ ভোটে বেশ কয়েকটি আসনে জয়ী হলেও বেশিরভাগটাই অনীতদের পক্ষে চলে যান। সেই সময় থেকেই হামরো পার্টির পতন শুরু হয়। অন্যদিকে একাধিক কারণে নির্বাচন কমিশনও হামরো পার্টিকে রেজিস্ট্রেশন দিতে অস্বীকার করে। সেই থেকেই প্রায় এক বছর ধরে অজয় নতুন দল তৈরির প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত এদিন নতুন দল আত্মপ্রকাশ করল।
অজয় বলেন, পাহাড়বাসীর উন্নয়ন একমাত্র লক্ষ্য করে নতুন এই দলের পথচলা শুরু হল। সাধারণ মানুষের উন্নতি প্রধান উদ্দেশ্য।
অজয় বলেন, পাহাড়বাসীর উন্নয়ন একমাত্র লক্ষ্য করে নতুন এই দলের পথচলা শুরু হল। সাধারণ মানুষের উন্নতি প্রধান উদ্দেশ্য।



