নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ফোন হাতিয়ে ব্যবসায়ীর জোড়া অ্যাকাউন্ট থেকে ২লক্ষ ৫৫হাজার টাকা তুলে নিল দুষ্কৃতীরা। তমলুক থানার নিমতৌড়ির বাসিন্দা সুভাষচন্দ্র ঘোষ পেশায় ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। অদ্ভুতরকম প্রতারণার শিকার হয়ে তিনি তমলুক থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। গত ৬জানুয়ারি তমলুক থানার গৌরাঙ্গপুর বাজারে সুভাষচন্দ্রবাবুর পকেট থেকে তাঁর স্মার্ট ফোন খোয়া যায়। ওইদিন থানায় জেনারেল ডায়েরিও করেন। পাশাপাশি ফোন নম্বর ব্লক করে দেন। যদিও ফোন চুরি যাওয়ার দিনেই তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে দেড় লক্ষ টাকা খোয়া যায়। নম্বর ব্লক করে দেওয়ার পর ৭তারিখ আরও ১লক্ষ ৫৫হাজার টাকা খোয়া গিয়েছে। গোটা ঘটনায় হতবাক হয়ে তিনি ৮জানুয়ারি তমলুক থানায় এফআইআর করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।জানা গিয়েছে, তমলুক শহরে এসবিআই স্টেশন বাজার শাখায় সুভাষচন্দ্রবাবুর একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এছাড়াও শহরে ইউকো ব্যাঙ্কে তাঁর ডেকোরেটর সংস্থার নামে আরেকটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। খোয়া যাওয়া ফোন ব্যবহার করে ওই দু’টি অ্যাকাউন্ট থেকে ২লক্ষ ৫৫হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়। ওই ব্যবসায়ী ফোন পে ব্যবহার করতেন। ফোনে ব্যাঙ্কিং অ্যাপ ইনস্টল করা ছিল। সম্ভবত ওই অ্যাপ ব্যবহার করে আড়াই লক্ষ টাকা হাপিস করে দেওয়া হয়েছে। ফোন নম্বর ব্লক করার পরও কীভাবে টাকা তোলা হল, তা নিয়ে ধন্দে পড়েছেন নিমতৌড়ির ওই ডেকোরেটর ব্যবসায়ী।ফোন চুরি করে অ্যাকাউন্ট সাফ করার ঘটনা ইদানীং বাড়ছে। তমলুক থানা এলাকাতেই পর পর এধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। এর আগে রাধামণি বাজারের আলমারি ব্যবসায়ী চন্দনকুমার দে-র মোবাইল চুরি হয়। ডুপ্লিকেট সিমকার্ড ভরামাত্র ৯৯হাজার ৯০০টাকা তুলে নেওয়ার পরপর মেসেজ আসে। তমলুক থানার তেঘরি গ্রামের বাসিন্দা চন্দনবাবু শেষমেশ থানার দ্বারস্থ হন। একইভাবে তমলুক শহরে মেছোবাজারে ভিড়ের মধ্যে সুবীর
Advertisement
চৌধুরীর প্যান্টের পকেট থেকে ফোন খোয়া গিয়েছিল। সেই ফোন ব্যবহার করে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৩হাজার ৯০০টাকা তুলে নেওয়া হয়। তমলুক শহরের পদুমবসানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী সুবীরবাবুও থানায় এনিয়ে এফআইআর করেন। তদন্তকারী পুলিস অফিসাররা বলছেন, মোবাইলে ব্যাঙ্কিং অ্যাপ ইনস্টল করা থাকলে সেই অ্যাপ ব্যবহার করে টাকা তুলে নেওয়া হচ্ছে।
নিমতৌড়ির ডেকোরেটর ব্যবসায়ী সুভাষবাবু বলেন, আমার মোবাইলে ব্যাঙ্কিং অ্যাপ ছিল। সম্ভবত ওই অ্যাপ ব্যবহার করে টাকা তোলা হয়েছে। আমি ডুপ্লিকেট সিম ঢোকানোর পরই ছ’দফায় এসএমএস পাই। মোট ২লক্ষ ৫৫হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আমি বড় সমস্যায় পড়েছি।
নিমতৌড়ির ডেকোরেটর ব্যবসায়ী সুভাষবাবু বলেন, আমার মোবাইলে ব্যাঙ্কিং অ্যাপ ছিল। সম্ভবত ওই অ্যাপ ব্যবহার করে টাকা তোলা হয়েছে। আমি ডুপ্লিকেট সিম ঢোকানোর পরই ছ’দফায় এসএমএস পাই। মোট ২লক্ষ ৫৫হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আমি বড় সমস্যায় পড়েছি।



