সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: এবার আত্মীয়ের মৃত্যু সংবাদ দিয়ে অনলাইনে টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠল প্রতারকের বিরুদ্ধে। ভুল বুঝতে পেরে বুধবার দুপুরে জঙ্গিপুর সাইবার থানায় প্রতারকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিতরা। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হলেও প্রতারকরা নিত্যনতুন কৌশলে কাজ হাসিল করছে। এই কায়দায় সাগরদিঘির একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে কয়েক হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতারিতদের দাবি। প্রতারকদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
Advertisement
জঙ্গিপুর সাইবার থানায় এক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, ইতিপূর্বে একাধিক প্রতারককে গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে প্রতারকের নাগাল পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিস।
জানা গিয়েছে, দিন দশেক আগে সাগরদিঘির কাবিলপুরের মনিরুল ইসলামের কাছে অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনের অন্য প্রান্ত থেকে এক আত্মীয়ের নাম করে মৃত্যুর খবর জানানো হয়। তারপর রীতিমতো কান্নাকাটি জুড়ে দেয়। মৃত্যুর খবরে সকলে বাকরুদ্ধ হয়ে যান। প্রতারক জানায়, সম্পূর্ণ বিল শোধ করতে না পারায় দেহ ছাড়ছে না নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। কিছু টাকা না পাঠালে দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে পারছে না। আত্মীয়ের আচমকা মৃত্যু সংবাদ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ফোন পে-তে হাজার পাঁচেক টাকা পাঠিয়ে দেন। পরে ‘মৃত আত্মীয়ে’র বাড়িতে যান তাঁরা। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, বয়সজনিত কারণে বাড়িতেই ওই আত্মীয়ের মৃত্যু হয়েছে। নার্সিংহোমে ভর্তির প্রয়োজনই পড়েনি। তখনই টাকা পাঠানোর বিষয়টিও ওঠে। মৃতের পরিবারের লোকজন জানিয়ে দেন, তাঁরা কারও কাছে টাকা চাননি। তা জানার পর সেই অচেনা নম্বরে আর যোগাযোগ করতে পারেননি। মোবাইলের সুইচ বন্ধ ছিল। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
মনিরুল বলেন, আত্মীয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। কোনও কিছু না ভেবে বিপদের সময় অনলাইনে টাকাটা পাঠিয়ে দিই। পরে ভুল বুঝতে পারি। যে নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল তা পুলিসকে দেওয়া হয়েছে।
দিনকয়েক আগে একই কায়দায় বাবার মৃত্যু সংবাদের নাম করে হলদিগ্রামের কেতাবুল শেখের কাছ থেকে চার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা। কেতাবুল সাহেবের ভাই ইনজামামউল হক বলেন, মৃত্যুর সংবাদ পেলে কে আর টাকা না দিয়ে পারে? তাই আমরাও টাকা দিয়ে দিই। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, ওই আত্মীয় মারা গেলেও ওরা কারও কাছে টাকা চায়নি।
জানা গিয়েছে, দিন দশেক আগে সাগরদিঘির কাবিলপুরের মনিরুল ইসলামের কাছে অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনের অন্য প্রান্ত থেকে এক আত্মীয়ের নাম করে মৃত্যুর খবর জানানো হয়। তারপর রীতিমতো কান্নাকাটি জুড়ে দেয়। মৃত্যুর খবরে সকলে বাকরুদ্ধ হয়ে যান। প্রতারক জানায়, সম্পূর্ণ বিল শোধ করতে না পারায় দেহ ছাড়ছে না নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। কিছু টাকা না পাঠালে দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে পারছে না। আত্মীয়ের আচমকা মৃত্যু সংবাদ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ফোন পে-তে হাজার পাঁচেক টাকা পাঠিয়ে দেন। পরে ‘মৃত আত্মীয়ে’র বাড়িতে যান তাঁরা। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, বয়সজনিত কারণে বাড়িতেই ওই আত্মীয়ের মৃত্যু হয়েছে। নার্সিংহোমে ভর্তির প্রয়োজনই পড়েনি। তখনই টাকা পাঠানোর বিষয়টিও ওঠে। মৃতের পরিবারের লোকজন জানিয়ে দেন, তাঁরা কারও কাছে টাকা চাননি। তা জানার পর সেই অচেনা নম্বরে আর যোগাযোগ করতে পারেননি। মোবাইলের সুইচ বন্ধ ছিল। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
মনিরুল বলেন, আত্মীয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। কোনও কিছু না ভেবে বিপদের সময় অনলাইনে টাকাটা পাঠিয়ে দিই। পরে ভুল বুঝতে পারি। যে নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল তা পুলিসকে দেওয়া হয়েছে।
দিনকয়েক আগে একই কায়দায় বাবার মৃত্যু সংবাদের নাম করে হলদিগ্রামের কেতাবুল শেখের কাছ থেকে চার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা। কেতাবুল সাহেবের ভাই ইনজামামউল হক বলেন, মৃত্যুর সংবাদ পেলে কে আর টাকা না দিয়ে পারে? তাই আমরাও টাকা দিয়ে দিই। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, ওই আত্মীয় মারা গেলেও ওরা কারও কাছে টাকা চায়নি।



