নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: কম সময়ে প্রচুর রোজগার। সেই ঝোঁকেই চোপড়ার বিভিন্ন এলাকায় যুবকরা জড়িয়ে পড়ছে সাইবার প্রতারণায়। শিক্ষকতা থেকে কম্পিউটার সেন্টার চালানোর মতো পেশার আড়ালে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় জাল ছড়িয়েছেন সাইবার জালিয়াতি চক্রের সদস্যরা।
Advertisement
ট্যাব কাণ্ড নিয়ে গত কয়েকদিন তদন্তের পর পুলিসের কাছে এমনই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থেকে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া ধৃতের সংখ্যা ৬ জন। এরমধ্যে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার হওয়া সাদ্দিক হোসেন, মোবারক হোসেন, ও আশিরুল হকরা বিভিন্ন পেশার আড়ালে থেকে অপারেশন চালিয়ে গিয়েছেন। এঁরা সমাজে ভালো ইমেজ বা প্রতিচ্ছবি তৈরি করে সীমান্তবর্তী গ্রামে ঘুরে ঘুরে সহজ সরল মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন। তারপর দুঃস্থ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ভাড়া করে এই প্রতারণার জাল বিস্তার করা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ।
তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন এই চক্রের পিছনে আরও কেউ আছে কিনা। ধৃতরা এই কাজের প্রশিক্ষণ কোথা থেকে পেয়েছেন সেসবও নজরে রয়েছে।
ইসলামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল বলেছেন, ধৃতরা ট্যাবের টাকা প্রতারণার অনেক কিছুই জানেন। তাই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিস দু’দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁদের নিয়ে গিয়েছে।
ধৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মণ্ডলবস্তির বাসিন্দা সাদ্দিক হোসেনকেই মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখছে পুলিস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাদ্দিক উচ্চমাধ্যমিক পাশ। একসময় সাইবার ক্যাফের ব্যবসা চালাতেন। কলা বিভাগের পড়ুয়া হলেও কম্পিউটার সম্পর্কে ভালো জ্ঞান ছিল তাঁর। তাই ফর্ম ফিলাপ করা সহ অনলাইনে বিভিন্ন কাজ করে দিতেন।
একাংশ বাসিন্দা বলছেন, সম্প্রতি ফুলেফেঁপে উঠেছে সাদ্দিকের সম্পত্তি। কয়েকমাস আগে তিনি একটি চা বাগান কিনেছেন। পাশাপাশি অন্যান্য অনেক সম্পত্তিও করেছেন। ট্যাব অনিয়মে নাম জড়ানোর পর থেকে এলাকার মানুষ এখন মনে করছেন, অবৈধ উপায় ছাড়া এত দ্রুত বিপুল সম্পত্তি করা সম্ভব নয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সাদ্দিকের মতো এই অনিয়মে জড়িত ছিলেন মোবারক হোসেনও। তিনি মুর্শিদাবাদ থেকে ডিএলড কোর্স করে বেসরকারি ইংরেজিমাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। পাশাপাশি কম্পিউটার সেন্টারও ছিল তাঁর। এলাকায় ঘুরে ঘুরে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর সংগ্রহ করাও তাঁর অন্যতম কাজ ছিল। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ভাড়ায় নিতেন মোবারক। পাশাপাশি একইভাবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর জোগাড়ের কাজ করতেন ধৃত আশিরুল হকও। মুলত আর্থিকভাবে দুঃস্থদের চিহ্নিত করে তাঁদের ভুল বুঝিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিতেন তিনি।
এই তথ্য কার্যত সত্যি প্রমাণিত হয়েছে মঙ্গলবার ঘিরনিগাঁও থেকে কৃষ্ণপদ বর্মণ ও শরিফুল ইসলাম গ্রেপ্তার হওয়ার পর। কারণ এই দু’জন আর্থিকভাবে যথেষ্ট দুঃস্থ। ছিটেবেড়ার ঘেরা দেওয়া টিনের চালের বাড়ি। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর মতো অবস্থা। এঁদের থেকেও কোনও এক প্রতারক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিয়েছিলেন। এই দু’জনের অ্যাকাউন্টে কলকাতার সরশুনা বালিকা বিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রীর ট্যাবের টাকা ঢুকেছে। তমলুক থানার হাতে ট্যাব অনিয়মে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার হওয়া লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঠগাঁও গ্রামের বাসিন্দা এক যুবকও যুক্ত রয়েছেন বলে সন্দেহ পুলিসের। তিনি গ্রামে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট চালাতেন। মানুষের টাকাপয়সা ব্যাঙ্কে জমা করা ও তোলার কাজে সাহায্য করার মাঝেই এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে যান বলে সন্দেহ।
তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন এই চক্রের পিছনে আরও কেউ আছে কিনা। ধৃতরা এই কাজের প্রশিক্ষণ কোথা থেকে পেয়েছেন সেসবও নজরে রয়েছে।
ইসলামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল বলেছেন, ধৃতরা ট্যাবের টাকা প্রতারণার অনেক কিছুই জানেন। তাই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিস দু’দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁদের নিয়ে গিয়েছে।
ধৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মণ্ডলবস্তির বাসিন্দা সাদ্দিক হোসেনকেই মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখছে পুলিস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাদ্দিক উচ্চমাধ্যমিক পাশ। একসময় সাইবার ক্যাফের ব্যবসা চালাতেন। কলা বিভাগের পড়ুয়া হলেও কম্পিউটার সম্পর্কে ভালো জ্ঞান ছিল তাঁর। তাই ফর্ম ফিলাপ করা সহ অনলাইনে বিভিন্ন কাজ করে দিতেন।
একাংশ বাসিন্দা বলছেন, সম্প্রতি ফুলেফেঁপে উঠেছে সাদ্দিকের সম্পত্তি। কয়েকমাস আগে তিনি একটি চা বাগান কিনেছেন। পাশাপাশি অন্যান্য অনেক সম্পত্তিও করেছেন। ট্যাব অনিয়মে নাম জড়ানোর পর থেকে এলাকার মানুষ এখন মনে করছেন, অবৈধ উপায় ছাড়া এত দ্রুত বিপুল সম্পত্তি করা সম্ভব নয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সাদ্দিকের মতো এই অনিয়মে জড়িত ছিলেন মোবারক হোসেনও। তিনি মুর্শিদাবাদ থেকে ডিএলড কোর্স করে বেসরকারি ইংরেজিমাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। পাশাপাশি কম্পিউটার সেন্টারও ছিল তাঁর। এলাকায় ঘুরে ঘুরে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর সংগ্রহ করাও তাঁর অন্যতম কাজ ছিল। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ভাড়ায় নিতেন মোবারক। পাশাপাশি একইভাবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর জোগাড়ের কাজ করতেন ধৃত আশিরুল হকও। মুলত আর্থিকভাবে দুঃস্থদের চিহ্নিত করে তাঁদের ভুল বুঝিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিতেন তিনি।
এই তথ্য কার্যত সত্যি প্রমাণিত হয়েছে মঙ্গলবার ঘিরনিগাঁও থেকে কৃষ্ণপদ বর্মণ ও শরিফুল ইসলাম গ্রেপ্তার হওয়ার পর। কারণ এই দু’জন আর্থিকভাবে যথেষ্ট দুঃস্থ। ছিটেবেড়ার ঘেরা দেওয়া টিনের চালের বাড়ি। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর মতো অবস্থা। এঁদের থেকেও কোনও এক প্রতারক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিয়েছিলেন। এই দু’জনের অ্যাকাউন্টে কলকাতার সরশুনা বালিকা বিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রীর ট্যাবের টাকা ঢুকেছে। তমলুক থানার হাতে ট্যাব অনিয়মে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার হওয়া লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঠগাঁও গ্রামের বাসিন্দা এক যুবকও যুক্ত রয়েছেন বলে সন্দেহ পুলিসের। তিনি গ্রামে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট চালাতেন। মানুষের টাকাপয়সা ব্যাঙ্কে জমা করা ও তোলার কাজে সাহায্য করার মাঝেই এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে যান বলে সন্দেহ।



