নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এক মাসের মধ্যে ফুলবাড়ি এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় মোট চারটি মন্দিরের চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কোথাও বিগ্রহ থেকে স্বর্ণালঙ্কার চুরি। কোথাও দানবাক্সের রাখা টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের দাবি, প্রতিটি ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে আশ্চর্যের একটি চুরির ঘটনারও কিনারা হয়নি। কোনও ক্ষেত্রেই চোর ধরা পড়েনি।
Advertisement
গত মঙ্গলবার ফুলবাড়ির চুনাভাটির সাকম্বরী চণ্ডী মায়ের মন্দিরে চুরি হয়। প্রতিমার কপালে থাকা সোনার টিপ, টিকলি সহ দানবাক্সে থাকা কয়েক হাজার টাকা, মন্দির সংস্কারের জন্য শ্রমিকদের মজুরির ১৬ হাজার টাকা এবং মন্দিরের ভিতরে থাকা বেশকিছু সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। ফুলবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের চুনাভাটি মোড় সংলগ্ন এশিয়ান হাইওয়ের পাশে মন্দিরটি। সেই মন্দিরেই রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। পুরোহিত সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন মন্দিরের গ্রিলের একটি অংশ ভাঙা। তিনিই নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিসকে খবর দেন। পুলিস এসে তদন্তে নামে।
ওই রাতেই ফুলবাড়ির গঠমাবাড়ির রাধা-গোবিন্দ মন্দিরে চুরি হয়। বিগ্রহের হাত থেকে বালা, সোনার টিপ নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি ফুলবাড়িরই মাইকেল মধুসূদন কলোনির একটি রাধা-গোবিন্দ মন্দিরে চুরি হয়। প্রায় ১৫ হাজার টাকা সহ বিগ্রহের গায়ে থাকা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালায় চোর। তারআগে জানুয়ারি মাসে ফুলবাড়ির ভালোবাসা মোড়ের কাছে একটি শিব মন্দিরে চুরি হয়।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, আমরা প্রতিটি চুরির ঘটনারই তদন্ত করছি। আশা করছি, দুষ্কৃতীরা ধরা পড়বে।
এক মাসের মধ্যে পরপর একের পর এক মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটায় চিন্তিত স্থানীয়রা। দ্রুত চুরির ঘটনাগুলির নিষ্পত্তি করে দুষ্কৃতীদের সাজা দেওয়ার দাবি তুলেছেন তাঁরা। পুলিসের একটি অংশ মনে করছে, এই ঘটনাগুলি ঘটানোর পিছনে মাদকাসক্তদের হাত থাকতে পারে।
ওই রাতেই ফুলবাড়ির গঠমাবাড়ির রাধা-গোবিন্দ মন্দিরে চুরি হয়। বিগ্রহের হাত থেকে বালা, সোনার টিপ নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি ফুলবাড়িরই মাইকেল মধুসূদন কলোনির একটি রাধা-গোবিন্দ মন্দিরে চুরি হয়। প্রায় ১৫ হাজার টাকা সহ বিগ্রহের গায়ে থাকা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালায় চোর। তারআগে জানুয়ারি মাসে ফুলবাড়ির ভালোবাসা মোড়ের কাছে একটি শিব মন্দিরে চুরি হয়।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, আমরা প্রতিটি চুরির ঘটনারই তদন্ত করছি। আশা করছি, দুষ্কৃতীরা ধরা পড়বে।
এক মাসের মধ্যে পরপর একের পর এক মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটায় চিন্তিত স্থানীয়রা। দ্রুত চুরির ঘটনাগুলির নিষ্পত্তি করে দুষ্কৃতীদের সাজা দেওয়ার দাবি তুলেছেন তাঁরা। পুলিসের একটি অংশ মনে করছে, এই ঘটনাগুলি ঘটানোর পিছনে মাদকাসক্তদের হাত থাকতে পারে।



