সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: বাংলাদেশ সীমান্তের ফুলবাড়ি সহ এনজেপি থানা এলাকায় নজরদারি বাড়িয়ে দিল পুলিস। বাংলাদেশের অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে ফুলবাড়িতে। এই সীমান্ত পথে দু’দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহণ বন্ধ অনেকদিন ধরে। এতে ফুলবাড়িতে সীমান্ত পথের উপর নির্ভরশীল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ রুজিতে জোর ধাক্কা লেগেছে।
Advertisement
পুলিসের আশঙ্কা, দীর্ঘদিন ধরে উপার্জনের পথ বন্ধ। উপার্জনের জন্য ফুলবাড়ি সহ এনজেপি থানা এলাকায় চুরি ছিনতাই বেড়ে যেতে পারে। রুজি রোজগারের জন্য সীমান্ত পথের কাছে থাকা ছোট হোটেল, নানা খাবারের দোকান ও গ্যারেজ কর্মীদের রুজি-রোজগার বন্ধ। ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার জন্য এই কর্মীরা বিপথে পরিচালিত হতে পারেন ধরে নিয়ে এনজেপি থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিস নজরদারি বাড়িয়েছে।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, ফুলবাড়িতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের উপর নির্ভর করে এলাকার বহু মানুষের রুজি রোজগার চলে। কিন্তু বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির জন্য এই পথ দিয়ে আমদানি-রপ্তানি অনেকদিন ধরে বন্ধ।
ট্রাকের ব্যবসার পাশাপাশি ছোট হোটেল, খাবারের দোকান সহ অন্য ব্যবসাও মার খেয়েছে। আর এই কাজের উপর নির্ভর করে অনেকের সংসার চলত। মাসের পর মাস বসে থাকায় অনেকে এখন বিকল্প উপার্জনের পথে চলে গিয়েছেন। কেউ কেউ হয়তো কাজ না পেয়ে বিপথে পরিচালিত হতে পারেন। তাতে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ার সম্ভাবনা অস্বীকার করা যাচ্ছে না। এ কারণেই ফুলবাড়ি সীমান্ত পথ থেকে শুরু করে গোটা এনজেপি থানা এলাকায় পুলিসের বাড়তি নজরদারি শুরু হয়েছে। রাতের টহল বেড়েছে।
সম্প্রতি এনজেপি থানা এলাকার একটি মন্দিরের চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে বিহার গ্যাংয়ের যোগ পেয়েছে পুলিস। মন্দিরে চুরির অভিযোগে বিহারের এক বাসিন্দাকে গ্রেপ্তারের পর তাকে জেরা করে পুলিস জানতে পেরেছে, এখানকার নেশাগ্রস্ত যুবকদের নেশার প্রলোভন দিয়ে চুরি করানো হচ্ছে। সীমান্ত বাণিজ্য পথ বন্ধ হয়ে থাকায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানে ধাক্কা লেগেছে। তাতে যারা বেকার হয়ে পড়েছেন, তাদেরকে প্রলোভন দিয়ে বিহার গ্যাং বা বাইরের দুষ্কৃতী চক্র এখানে অপরাধমূলক কাজ সংগঠিত করতে পারে। এই আশঙ্কাকে অমূলক মনে করছেন না পুলিস।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (ইস্ট) রাকেশ সিং বলেন, এনজেপি থানা এলাকায় আমাদের রাতের টহল বেড়েছে। বাংলাদেশের উদ্ভূত পরিস্থিতি কথা মাথায় রেখে ফুলবাড়ি সহ গোটা এনজেপি থানা এলাকায় আমাদের বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, ফুলবাড়িতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের উপর নির্ভর করে এলাকার বহু মানুষের রুজি রোজগার চলে। কিন্তু বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির জন্য এই পথ দিয়ে আমদানি-রপ্তানি অনেকদিন ধরে বন্ধ।
ট্রাকের ব্যবসার পাশাপাশি ছোট হোটেল, খাবারের দোকান সহ অন্য ব্যবসাও মার খেয়েছে। আর এই কাজের উপর নির্ভর করে অনেকের সংসার চলত। মাসের পর মাস বসে থাকায় অনেকে এখন বিকল্প উপার্জনের পথে চলে গিয়েছেন। কেউ কেউ হয়তো কাজ না পেয়ে বিপথে পরিচালিত হতে পারেন। তাতে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ার সম্ভাবনা অস্বীকার করা যাচ্ছে না। এ কারণেই ফুলবাড়ি সীমান্ত পথ থেকে শুরু করে গোটা এনজেপি থানা এলাকায় পুলিসের বাড়তি নজরদারি শুরু হয়েছে। রাতের টহল বেড়েছে।
সম্প্রতি এনজেপি থানা এলাকার একটি মন্দিরের চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে বিহার গ্যাংয়ের যোগ পেয়েছে পুলিস। মন্দিরে চুরির অভিযোগে বিহারের এক বাসিন্দাকে গ্রেপ্তারের পর তাকে জেরা করে পুলিস জানতে পেরেছে, এখানকার নেশাগ্রস্ত যুবকদের নেশার প্রলোভন দিয়ে চুরি করানো হচ্ছে। সীমান্ত বাণিজ্য পথ বন্ধ হয়ে থাকায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানে ধাক্কা লেগেছে। তাতে যারা বেকার হয়ে পড়েছেন, তাদেরকে প্রলোভন দিয়ে বিহার গ্যাং বা বাইরের দুষ্কৃতী চক্র এখানে অপরাধমূলক কাজ সংগঠিত করতে পারে। এই আশঙ্কাকে অমূলক মনে করছেন না পুলিস।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (ইস্ট) রাকেশ সিং বলেন, এনজেপি থানা এলাকায় আমাদের রাতের টহল বেড়েছে। বাংলাদেশের উদ্ভূত পরিস্থিতি কথা মাথায় রেখে ফুলবাড়ি সহ গোটা এনজেপি থানা এলাকায় আমাদের বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে।



