ফল বা ফলের খোসা দিয়ে রূপচর্চার চল বহুদিনের। কিছুদিন আগে কমলালেবুর খোসার গুণাগুণ নিয়ে এই বিভাগে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এবার এমন একটি ফলের খোসার উপযোগিতা নিয়ে কথা হবে, যেটি সারা বছরই পাওয়া যায়— বানানা পিল অর্থাৎ কলার খোসা। এই ফলের খোসা দিয়ে ত্বক এবং চুল দুইয়েরই যত্ন করা সম্ভব। কলার খোসা দিয়ে রূপচর্চার চল প্রাচীনকালেও ছিল। সেই গুণ এখনও কাজে লাগাতে পারেন আপনি। কলার খোসায় রয়েছে ভিটামিন এ, বি এবং সি। কীভাবে ত্বকের শ্রীবৃদ্ধিতে কাজে লাগাবেন এই ফলের খোসা?
Advertisement
এতে থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ভাঁজ বা রিঙ্কল দূর করে। ত্বক তরতাজা ও উজ্জ্বল রাখে। পাশাপাশি মুখের ত্বক থেকে র্যাশ ও দাগছোপ দূর করতেও সাহায্য করে। পাকা কলার খোসা থেকে তৈরি ফেস মাস্কও তৈরি করতে পারেন।
একটা ফর্ক বা কাঁটা চামচ ব্যবহার করে কলার খোসার ভেতরে লেগে থাকা অংশ কুরিয়ে বের করে নিন। তারপর এর সঙ্গে মেশান ডিমের সাদা অংশ। এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে পাঁচ মিনিট রেখে দিন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার এটা লাগাতে পারেন।
চোখের চারপাশে ফোলা ভাব এবং কালো ভাব বা ডার্ক সার্কল কমাতেও কাজে দেয় কলার খোসা। এক্ষেত্রে কলার খোসা খুব পাতলা করে কেটে নিয়ে চোখের তলার দিকে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এখন শুধু ক্লান্তি বা মানসিক চাপে নয়, রাত জেগে স্ক্রিন টাইম বেড়ে যাওয়ার কারণেও চোখের আশপাশের ত্বকে প্রভাব পড়ছে। কলার খোসা ব্যবহার করে চোখের যত্ন নিলে চোখের চারপাশ ঠান্ডা থাকে, একটা সতেজ ভাবও থাকে। অ্যালোভেরা জেল-এর সঙ্গে কলার খোসার অংশ মিশিয়েও চোখের নীচে দিতে পারেন। এক ঘণ্টা রেখে দিন। চাইলে সারা রাতও রেখে দিতে পারেন।
কলার খোসার মধ্যে রয়েছে তেল নিয়ন্ত্রণ করার গুণ। তাই ত্বকের অতিরিক্ত সেবাম দূর করতে সাহায্য করে এই খোসা। এছাড়া ত্বকে যদি জ্বালাভাব বা অ্যাকনে থাকে, তার জন্য বানিয়ে নিতে পারেন একটি প্যাক। পাকা কলার খোসা চটকে নিন। এর মধ্যে যোগ করুন একটু মধু আর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস। যেখানে অ্যাকনের প্রকোপ, সেখানে লাগিয়ে রেখে দিন মিনিট পনেরো। তারপর ধুয়ে ফেলুন।
আগেই বলা হয়েছে ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্নেও খুব কাজে দেয় পাকা কলার খোসা। চুলের লেন্থ বাড়ানো, ভল্যুম বাড়ানো এবং চুলের পুষ্টি জোগাতে কাজে দেয় এই খোসা। এতে থাকা বিভিন্ন খনিজ পদার্থ চুল ময়েশ্চারাইজ করে, মসৃণ ও উজ্জ্বল করে। এই খোসার ভিতরে যে ফাইবার থাকে সেটি খুশকি দূর করতেও কার্যকর। স্ক্যাল্প বা মাথার তালুতে কলার খোসা দিয়ে তৈরি হেয়ার মাস্ক লাগালে খুশকি হওয়া আটকায়। এই মাস্ক বানাতেও দু’-তিনটে পাকা কলার খোসার ভিতরের অংশ কুরিয়ে নিন। তার সঙ্গে মেশান দু’চামচ নারকেলের দুধ। এটা একটা মিশ্রণের মতো হয়ে গেলে তাতে যোগ করুন সামান্য নারকেল তেল এবং গোলাপ জল। এরপর তাতে এক চামচ দই মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এটাই স্ক্যাল্পে দিন। মিনিট কুড়ি রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন।
একটা ফর্ক বা কাঁটা চামচ ব্যবহার করে কলার খোসার ভেতরে লেগে থাকা অংশ কুরিয়ে বের করে নিন। তারপর এর সঙ্গে মেশান ডিমের সাদা অংশ। এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে পাঁচ মিনিট রেখে দিন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার এটা লাগাতে পারেন।
চোখের চারপাশে ফোলা ভাব এবং কালো ভাব বা ডার্ক সার্কল কমাতেও কাজে দেয় কলার খোসা। এক্ষেত্রে কলার খোসা খুব পাতলা করে কেটে নিয়ে চোখের তলার দিকে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এখন শুধু ক্লান্তি বা মানসিক চাপে নয়, রাত জেগে স্ক্রিন টাইম বেড়ে যাওয়ার কারণেও চোখের আশপাশের ত্বকে প্রভাব পড়ছে। কলার খোসা ব্যবহার করে চোখের যত্ন নিলে চোখের চারপাশ ঠান্ডা থাকে, একটা সতেজ ভাবও থাকে। অ্যালোভেরা জেল-এর সঙ্গে কলার খোসার অংশ মিশিয়েও চোখের নীচে দিতে পারেন। এক ঘণ্টা রেখে দিন। চাইলে সারা রাতও রেখে দিতে পারেন।
কলার খোসার মধ্যে রয়েছে তেল নিয়ন্ত্রণ করার গুণ। তাই ত্বকের অতিরিক্ত সেবাম দূর করতে সাহায্য করে এই খোসা। এছাড়া ত্বকে যদি জ্বালাভাব বা অ্যাকনে থাকে, তার জন্য বানিয়ে নিতে পারেন একটি প্যাক। পাকা কলার খোসা চটকে নিন। এর মধ্যে যোগ করুন একটু মধু আর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস। যেখানে অ্যাকনের প্রকোপ, সেখানে লাগিয়ে রেখে দিন মিনিট পনেরো। তারপর ধুয়ে ফেলুন।
আগেই বলা হয়েছে ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্নেও খুব কাজে দেয় পাকা কলার খোসা। চুলের লেন্থ বাড়ানো, ভল্যুম বাড়ানো এবং চুলের পুষ্টি জোগাতে কাজে দেয় এই খোসা। এতে থাকা বিভিন্ন খনিজ পদার্থ চুল ময়েশ্চারাইজ করে, মসৃণ ও উজ্জ্বল করে। এই খোসার ভিতরে যে ফাইবার থাকে সেটি খুশকি দূর করতেও কার্যকর। স্ক্যাল্প বা মাথার তালুতে কলার খোসা দিয়ে তৈরি হেয়ার মাস্ক লাগালে খুশকি হওয়া আটকায়। এই মাস্ক বানাতেও দু’-তিনটে পাকা কলার খোসার ভিতরের অংশ কুরিয়ে নিন। তার সঙ্গে মেশান দু’চামচ নারকেলের দুধ। এটা একটা মিশ্রণের মতো হয়ে গেলে তাতে যোগ করুন সামান্য নারকেল তেল এবং গোলাপ জল। এরপর তাতে এক চামচ দই মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এটাই স্ক্যাল্পে দিন। মিনিট কুড়ি রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন।



