সংবাদদাতা, পতিরাম: কয়েকদিন ধরে বাড়ি ফাঁকা। আর সুযোগ বুঝে সেই বাড়িতে ঢুকে পড়ল দুই চোর। সঙ্গে ছিল ধারালো অস্ত্র এবং মদের বোতল। দোতলার সিঁড়ির দরজা ভেঙে মদ্যপান ও চুরির উদ্দেশ্য নিয়ে ঘরে ঢুকেছিল চোরেরা। কিন্তু উদ্দেশ্য সফল হয়নি। ওই সময় বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলার সুরজিৎ সাহা। আলমারি ভাঙার শব্দ পেয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন তিনি। চুরির বিষয়টি বুঝতে পেরেই স্থানীয়দের জড়ো করেন কাউন্সিলার। স্থানীয়রা ঘিরে ফেলতেই ঘরের ভিতরে আটকে পড়ে দুই চোর।
Advertisement
ঘণ্টাখানেক ধরে পালানোর নানা ফন্দি এঁটেও ব্যর্থ হয় চোরেরা। পালানোর জন্য ছাদ থেকে লাফ মারে। কিন্তু ধরা পড়ে যায়। দুই চোরকে আটক করে পুলিসের হাতে তুলে দেয় বাসিন্দারা। শনিবার রাতে বালুরঘাট শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের যোগমায়া পাড়ার ঘটনা।
ধৃত কমলেশ রায় ও আদিত্যনাথ বিশ্বাসের বাড়ি মালদহের নালাগোলায়। বাড়ির মালকিন সোমা সাহা কয়েকদিন আগে সপরিবার গ্রামের বাড়ি বেড়াতে যান। এরই মধ্যে বাড়ি ফাঁকা থাকায় চুরির ফন্দি আঁটে চোরের দল। এত দূর থেকে বালুরঘাট শহরে তারা কেন চুরি করতে এল? ফাঁকা বাড়ির খোঁজই বা পেল কী করে? তা নিয়ে ধন্দে স্থানীয়রা। বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, দুই চোরকে গ্ৰেপ্তার করে বালুরঘাট জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ধৃত কমলেশ রায় ও আদিত্যনাথ বিশ্বাসের বাড়ি মালদহের নালাগোলায়। বাড়ির মালকিন সোমা সাহা কয়েকদিন আগে সপরিবার গ্রামের বাড়ি বেড়াতে যান। এরই মধ্যে বাড়ি ফাঁকা থাকায় চুরির ফন্দি আঁটে চোরের দল। এত দূর থেকে বালুরঘাট শহরে তারা কেন চুরি করতে এল? ফাঁকা বাড়ির খোঁজই বা পেল কী করে? তা নিয়ে ধন্দে স্থানীয়রা। বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, দুই চোরকে গ্ৰেপ্তার করে বালুরঘাট জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



