সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারে ফাইলেরিয়ার প্রতিষেধক খাওয়ার কর্মসূচি পিছিয়ে গিয়েছে। চলতি মাসের ১০ তারিখ থেকে জেলাজুড়ে বাড়ি বাড়ি এই কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো স্বাস্থ্যদপ্তরও যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে রেখেছিল। কিন্তু মাধ্যমিক পরীক্ষার কারণে জেলায় ফাইলেরিয়ার কর্মসূচি পিছিয়ে যায়। এবার জেলায় ফাইলেরিয়ার সেই কর্মসূচি শুরু হচ্ছে আগামী ২৪ তারিখ থেকে। চলবে ২ মার্চ পর্যন্ত।
Advertisement
জেলার উপ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুপ্রিয় চৌধুরী বলেন, মাধ্যমিক পরীক্ষার কারণে জেলায় ফাইলেরিয়ার প্রতিষেধক খাওয়ানোর কর্মসূচি পিছিয়ে গিয়েছে। তবে পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে জেলায় এই কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
স্বাস্থ্যদপ্তর জানিয়েছে, জেলার ছ’টি ব্লকের মধ্যে আলিপুরদুয়ার-২ বাদ দিয়ে বাকি পাঁচটি ব্লকে এই কর্মসূচি হবে। মাদারিহাট, ফালাকাটা, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার-১ ও কুমারগ্রাম পাঁচটি ব্লকে প্রায় সাড়ে ১২ লক্ষ মানুষকে ফাইলেরিয়ার প্রতিষেধক ওষুধ খাওয়ানো হবে। জেলা শহরের মিউনিসিপ্যাল হলে এই কর্মসূচির উদ্বোধন হবে। সেখানে জেলাশাসক আর বিমলা সহ স্বাস্থ্য আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। একইসঙ্গে ব্লকগুলিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন হবে।
জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর জানিয়েছে, দু’বছরের নীচে থাকা বয়সিদের ও গর্ভবতী মহিলাদের ফাইলেরিয়ার প্রতিষেধক খাওয়ানো হবে না। এছাড়া দু’বছর থেকে প্রত্যেক মানুষকে এই প্রতিষেধক খাওয়ানো হবে। প্রতিটি সরকারি অফিস, হাসপাতাল ও স্কুল-কলেজে এই কর্মসূচি চলবে। পাশাপাশি পাঁচটি ব্লকের প্রতিটি বাড়িতে গিয়েও ফাইলেরিয়ার প্রতিষেধক খাওয়ানো হবে। প্রত্যেককে দু’টি করে ট্যাবলেট দেওয়া হবে।
ফাইলেরিয়া চিহ্নিতকরণের জন্য গত বছর রাতের দিকে জেলার প্রতিটি ব্লকে গিয়ে ৬০০ জন করে লোকের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কারণ ফাইলেরিয়ার বাহক মশা রাতেই সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে। স্বাস্থ্যদপ্তর জানায়, ছ’টি ব্লক থেকে সংগৃহীত রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায় আলিপুরদুয়ার-২ ব্লকে ফাইলেরিয়ার আধিক্য নেই বললেই চলে। বাকি পাঁচটি ব্লকেই ফাইলেরিয়া সক্রিয়। তারজন্যই আলিপুরদুয়ার-২ ব্লককে ফাইলেরিয়ার ওষুধ খাওয়ানোর কর্মসূচির তালিকা থেকে বাদ রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যদপ্তর জানিয়েছে, জেলার ছ’টি ব্লকের মধ্যে আলিপুরদুয়ার-২ বাদ দিয়ে বাকি পাঁচটি ব্লকে এই কর্মসূচি হবে। মাদারিহাট, ফালাকাটা, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার-১ ও কুমারগ্রাম পাঁচটি ব্লকে প্রায় সাড়ে ১২ লক্ষ মানুষকে ফাইলেরিয়ার প্রতিষেধক ওষুধ খাওয়ানো হবে। জেলা শহরের মিউনিসিপ্যাল হলে এই কর্মসূচির উদ্বোধন হবে। সেখানে জেলাশাসক আর বিমলা সহ স্বাস্থ্য আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। একইসঙ্গে ব্লকগুলিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন হবে।
জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর জানিয়েছে, দু’বছরের নীচে থাকা বয়সিদের ও গর্ভবতী মহিলাদের ফাইলেরিয়ার প্রতিষেধক খাওয়ানো হবে না। এছাড়া দু’বছর থেকে প্রত্যেক মানুষকে এই প্রতিষেধক খাওয়ানো হবে। প্রতিটি সরকারি অফিস, হাসপাতাল ও স্কুল-কলেজে এই কর্মসূচি চলবে। পাশাপাশি পাঁচটি ব্লকের প্রতিটি বাড়িতে গিয়েও ফাইলেরিয়ার প্রতিষেধক খাওয়ানো হবে। প্রত্যেককে দু’টি করে ট্যাবলেট দেওয়া হবে।
ফাইলেরিয়া চিহ্নিতকরণের জন্য গত বছর রাতের দিকে জেলার প্রতিটি ব্লকে গিয়ে ৬০০ জন করে লোকের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কারণ ফাইলেরিয়ার বাহক মশা রাতেই সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে। স্বাস্থ্যদপ্তর জানায়, ছ’টি ব্লক থেকে সংগৃহীত রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায় আলিপুরদুয়ার-২ ব্লকে ফাইলেরিয়ার আধিক্য নেই বললেই চলে। বাকি পাঁচটি ব্লকেই ফাইলেরিয়া সক্রিয়। তারজন্যই আলিপুরদুয়ার-২ ব্লককে ফাইলেরিয়ার ওষুধ খাওয়ানোর কর্মসূচির তালিকা থেকে বাদ রাখা হয়েছে।



