Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফেব্রুয়ারিতেও মুর্শিদাবাদে পর্যটকদের ভিড়, খুশি ব্যবসায়ী থেকে টাঙ্গা চালক

ফেব্রুয়ারিতেও মুর্শিদাবাদে পর্যটকদের ভিড়, খুশি ব্যবসায়ী থেকে টাঙ্গা চালক
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, লালবাগ: শীতের লম্বা ইনিংসে  ফাল্গুনেও ঠান্ডার আমেজ । আর তাতেই পৌষমাস সাবেক নবাব মুলুকের পর্যটনে। পর্যটনের অফ মরসুমেও পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন হাজারদুয়ারি প্যালেস মিউজিয়াম, কাটরা মসজিদ, কাঠগোলাপ বাগান সহ ভাগীরথীর দুই পাড়ের দর্শনীয় স্থানগুলিতে। ফলে ভালো লক্ষ্মীলাভ হওয়ায় পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পেশার মানুষের মুখে চওড়া হাসি। মার্চ মাস পর্যন্ত দর্শনীয় স্থানগুলিতে পর্যটকদের ভিড় থাকবে এমনটাই আশা করছেন পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহল। মোতিঝিলের কর্মী সিরাজুল শেখ বলেন, ফেব্রুয়ারি থেকে পর্যটকের সংখ্যা কমতে থাকে। তা সত্ত্বেও প্রতিদিন ৪-৫ হাজার টিকিট বিক্রি হচ্ছে। রাজ্যের অন্যতম পর্যটন শহর মুর্শিদাবাদ। সাবেক নবাব তালুক মুর্শিদাবাদের পরতে পরতে রয়েছে নবাব, রাজা ও জমিদারদের ইতিহাস। নবাব ও জমিদারদের স্থাপত্য নিদর্শন হাজারদুয়ারি প্যালেস মিউজিয়াম, কাটরা মসজিদ, ইমামবারা, কাঠগোলাপ বাগান, জগৎ  শেঠের বাড়ি প্রভৃতি চাক্ষুষ করতে দেশ বিদেশের পর্যটকরা মুর্শিদাবাদ ঘুরতে আসেন। তবে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন থেকে ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস নবাবের জেলার পর্যটনে ভরা মরসুম। এই একমাস দর্শনীয় স্থানগুলিতে পর্যটকের ভিড় উপচে পড়ে। বড়দিন, ইংরেজি বছরের প্রথম দিন এবং ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনে পর্যটকদের ভিড়ে নবাবের শহরে পা রাখা দায় হয়ে ওঠে। ফেব্রুয়ারি মাস পড়তেই পর্যটক সংখ্যা একেবারেই কমে যায়। কিন্তু এবছর ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে শীতের বেশ আমেজ থাকার কারণে হাজারদুয়ারি সহ দর্শনীয় স্থানগুলিতে পর্যটকের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মুর্শিদাবাদ স্টেশন সংলগ্ন একটি হোটেলের ম্যানেজার বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ঘর বুকিং হয়। কিন্তু এবছর ২৫ তারিখ পর্যন্ত অধিকাংশ ঘর বুকড রয়েছে। গত এক দশকে ধারাবাহিকভাবে এত ভালো ব্যবসা হয়নি। গাইড পোকরাজ শেখ বলেন, জানুয়ারি মাস শেষ হতেই পর্যটকদের সংখ্যা হাতে গোনা হয়ে যায়। ফলে ফেব্রুয়ারি শুরু থেকে হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হয় বললেই চলে। কিন্তু এবছর ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই টানা দর্শনার্থীদের ভিড় রয়েছে। টাঙ্গাচালক বাবর শেখ বলেন, গত দশ বছরে এত ভালো রোজগার হয়নি। মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ অ্যান্ড কালচারাল ডেভলপমেন্ট সোসাইটির সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, এই সময়ে গরমের আমেজ পড়ে যায়। ফলে পর্যটক সংখ্যা এক থেকে দেড় হাজারে নেমে আসে। শীতের আমেজ থাকায় ভিড় হচ্ছে। শুধু দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয়, এবছর রেকর্ড সংখ্যক বিদেশি পর্যটক এসেছেন। 
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ