ওয়াশিংটন: প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম দফায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেষ বিদেশ সফর ছিল ভারত। আর দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসে ফিরে প্রথম যে তিন দেশনেতার সঙ্গে ট্রাম্প কথা বলেছেন, তার মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এবারও যে ভারতকে তিনি বিদেশনীতিতে অগ্রাধিকার দিতে চান, তা বুঝিয়ে দিলেন ট্রাম্প। জানালেন, ফেব্রুয়ারিতেই মার্কিন সফরে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সোমবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে চেপে ফ্লোরিডা থেকে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুসে আসেন ট্রাম্প। বিমানে বসেই মোদির মার্কিন সফরের কথা জানান তিনি। সোমবারই প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে ফোনে মতামত বিনিময় করেন ট্রাম্প। সে প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘সকালে তাঁর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হল। আগামী মাসে তিনি হোয়াইট হাউসে আসছেন। ভারতের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে।’ মোদির সঙ্গে সব ব্যাপারেই আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
Advertisement
এদিকে, মার্কিন মুলুকে বেআইনি বসবাসকারীদের ফেরত পাঠানো হবে বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তবে ভারতীয়দের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি মোদির উপরই ছেড়ে দিতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সোমবার ট্রাম্প বলেন, ‘কীভাবে ওই ব্যক্তিদের ভারতে ফেরত পাঠানো হবে, তা প্রধানমন্ত্রী মোদিই ঠিক করবেন।’ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মতো ক্ষমতায় ফিরেই বেআইনি বসবাসকারীদের স্বদেশে ফেরানোর কাজ শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই নিয়ে বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে আমেরিকার মন কষাকষি শুরু হয়েছে। ব্রাজিল অভিযোগ করেছে, হাত-পা বেঁধে গাদাগাদি করে বিমানে তাঁদের দেশের নাগরিকদের পাঠিয়ে দিয়েছে আমেরিকা। আর কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো সাফ জানিয়েছিলেন, মার্কিন বিমান তাঁদের দেশে নামতে দেওয়া হবে না। পরে অবশ্য সুর নরম করেন পেত্রো। এই অবস্থায় ভারতীয়দের নিয়ে কিছুটা ভিন্ন অবস্থানকে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে সাউথ ব্লক।
ব্লুমবার্গ নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন মুলুকে প্রায় ১৮ হাজার বেআইনি ভারতীয় বসবাসকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের ভারতে ফেরত পাঠানো নিয়েও সহমত হয়েছে দুই দেশ। সূত্রের খবর, গত সপ্তাহে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। জয়শঙ্করও জানিয়েছিলেন, আমেরিকায় বেআইনিভাবে থাকা ভারতীয়দের যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে ঠিক কতজন রয়েছেন, এখনই বলা সম্ভব নয়। জয়শঙ্কর বলেন, ‘অনুপ্রবেশকে আমরা কোনওভাবেই সমর্থন করি না। যথাযথ পদ্ধতিতে এঁদের দেশে ফেরানোর বিষয়টিকে আমরা সমর্থন করি।’ মার্কিন মুলুকে ভিসা পাওয়ার জন্য গড়পরতা ৪০০ দিন অপেক্ষা করতে হয়। সেই বিষয়টি রুবিওকে জানিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন রুবিও।
ব্লুমবার্গ নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন মুলুকে প্রায় ১৮ হাজার বেআইনি ভারতীয় বসবাসকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের ভারতে ফেরত পাঠানো নিয়েও সহমত হয়েছে দুই দেশ। সূত্রের খবর, গত সপ্তাহে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। জয়শঙ্করও জানিয়েছিলেন, আমেরিকায় বেআইনিভাবে থাকা ভারতীয়দের যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে ঠিক কতজন রয়েছেন, এখনই বলা সম্ভব নয়। জয়শঙ্কর বলেন, ‘অনুপ্রবেশকে আমরা কোনওভাবেই সমর্থন করি না। যথাযথ পদ্ধতিতে এঁদের দেশে ফেরানোর বিষয়টিকে আমরা সমর্থন করি।’ মার্কিন মুলুকে ভিসা পাওয়ার জন্য গড়পরতা ৪০০ দিন অপেক্ষা করতে হয়। সেই বিষয়টি রুবিওকে জানিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন রুবিও।



