সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে নতুন ১১টি পিলখানা তৈরির জন্য রাজ্যে প্রস্তাব পাঠাল বনদপ্তর। দপ্তর জানিয়েছে, অর্থ বরাদ্দ হলেই পিলখানাগুলির কাজ শুরু হয়ে যাবে। অন্যদিকে, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই জলদাপাড়ায় ছোটবড় মিলিয়ে নির্মীয়মাণ সাতটি পিলখানার নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যাবে। ওই মাসেই পিলখানাগুলি চালু হয়ে যাবে।
Advertisement
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের সহকারী বন্যপ্রাণী সংরক্ষক নভজিৎ দে বলেন, বর্তমানে এখানে সাতটি পিলখানার নির্মাণ কাজ চলছে। ফেব্রুয়ারি মাসেই এই সাতটি পিলখানার কাজ শেষ হয়ে যাবে। নতুন করে আরও ১১টি পিলখানা তৈরির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে রাজ্যে।
দেশে বনদপ্তরের পিলখানাগুলির মধ্যে জলদাপাড়ার হলং পিলখানা বিখ্যাত। হলং পিলখানায় বর্তমানে ৭২টি কুনকি হাতি আছে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের কোনও জঙ্গলে আর এত কুনকি হাতি নেই। জলদাপাড়ায় নতুন করে বনদপ্তর কেন এত পিলখানা তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে? বনদপ্তর জানিয়েছে, কুনকি হাতিরাও সরকারি কর্মীর মতো। কুনকি হাতিদেরও সরকারি কর্মীদের মতো এক রেঞ্জ থেকে অন্য রেঞ্জে বদলি করা হয়। সরকারি কর্মচারীদের মতো নির্দিষ্ট বয়সে কুনকিদেরও অবসর হয়। অবসরের পরও সরকারি কর্মীদের মতো কুনকিদের নানা সুযোগ সুবিধা মেলে। প্রতিটি কুনকি হাতির নাম দেওয়া হয়।
জঙ্গল সুরক্ষায় কুনকি হাতিদেরও বিরাট ভূমিকা আছে। বর্তমানে জলদাপাড়ার কুনকিদের চাপ বাড়ছে। সেই জন্য কুনকিদের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টির উপর জোর দিয়েছে বনদপ্তর। তাই কুনকিদের জন্য পুরনো ধাঁচের কাঠ ও টিনের ছাউনির বদলে কংক্রিটের পিলখানা তৈরির উপর এবার জোর দেওয়া হয়েছে। জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে চালু হওয়ার অপেক্ষায় সাতটি পিলখানার মধ্যে চারটি ছোট ও তিনটি বড়। প্রতিটি পিলখানার উচ্চতা ৩০ ফুটের মতো। ছোট পিলখানায় একসঙ্গে দু’টি এবং বড় পিলখানায় চারটি কুনকি অনায়াসে থাকতে পারবে।
দেশে বনদপ্তরের পিলখানাগুলির মধ্যে জলদাপাড়ার হলং পিলখানা বিখ্যাত। হলং পিলখানায় বর্তমানে ৭২টি কুনকি হাতি আছে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের কোনও জঙ্গলে আর এত কুনকি হাতি নেই। জলদাপাড়ায় নতুন করে বনদপ্তর কেন এত পিলখানা তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে? বনদপ্তর জানিয়েছে, কুনকি হাতিরাও সরকারি কর্মীর মতো। কুনকি হাতিদেরও সরকারি কর্মীদের মতো এক রেঞ্জ থেকে অন্য রেঞ্জে বদলি করা হয়। সরকারি কর্মচারীদের মতো নির্দিষ্ট বয়সে কুনকিদেরও অবসর হয়। অবসরের পরও সরকারি কর্মীদের মতো কুনকিদের নানা সুযোগ সুবিধা মেলে। প্রতিটি কুনকি হাতির নাম দেওয়া হয়।
জঙ্গল সুরক্ষায় কুনকি হাতিদেরও বিরাট ভূমিকা আছে। বর্তমানে জলদাপাড়ার কুনকিদের চাপ বাড়ছে। সেই জন্য কুনকিদের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টির উপর জোর দিয়েছে বনদপ্তর। তাই কুনকিদের জন্য পুরনো ধাঁচের কাঠ ও টিনের ছাউনির বদলে কংক্রিটের পিলখানা তৈরির উপর এবার জোর দেওয়া হয়েছে। জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে চালু হওয়ার অপেক্ষায় সাতটি পিলখানার মধ্যে চারটি ছোট ও তিনটি বড়। প্রতিটি পিলখানার উচ্চতা ৩০ ফুটের মতো। ছোট পিলখানায় একসঙ্গে দু’টি এবং বড় পিলখানায় চারটি কুনকি অনায়াসে থাকতে পারবে।



