নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: রেশন ব্যবস্থা নিয়ে অনিয়মের হদিশ! ছ’মাসে দার্জিলিং জেলার পাহাড় ও সমতলে শোকজ দুই ডজন রেশন ডিলার। খাদ্য সামগ্রী বিলি নিয়ে ওজনে কারচুপি, সময়ে দোকান না খোলা, দুয়ারে রেশন কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার অভিযোগে এমন পদক্ষেপ নিয়েছে খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর। ইতিমধ্যে তারা শিলিগুড়িতে রেশন ডিলারদের কাছ থেকে জরিমানা বাবদ আদায় করেছে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। শুধু তাই নয়, তারা একজন ডিলারের লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত এবং দু’জনকে সাসপেন্ড করেছে। জেলায় এনিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।
Advertisement
জেলার খাদ্য নিয়ামক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশে রেশন ব্যবস্থা নিয়ে অনিয়ম রুখতে মাঝেমধ্যেই ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটারের দোকান, গোডাউনে সারপ্রাইজ ভিজিট করা হচ্ছে। তাতে অনিয়ম ধরা পড়লেই অভিযুক্তদের শোকজ, সাসপেন্ড করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জেলায় ২৮ জন ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দার্জিলিং জেলার দু’টি অংশ। পাহাড়ের অংশে দার্জিলিং, কার্শিয়াং ও মিরিক মহকুমা এবং সমতলে শিলিগুড়ি মহকুমা। মাঝেমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মহকুমাগুলিতে রেশন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ, গ্রাহকদের নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী না দিয়ে তা খোলা বাজারে পাচার করছে ডিলারদের একাংশ। এরজেরে কিছু কিছু ডিলারের সঙ্গে গ্রাহকদের ঝামেলাও হচ্ছে বলে খবর। এ ধরনের ঘটনা রুখতে বিশেষ সারপ্রাইজ টিম গঠন করেছে খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর। ইতিমধ্যে তারা অনিয়মের অভিযোগে একগুচ্ছ রেশন দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।
খাদ্যদপ্তর সূত্রের খবর, জেলার চারটি মহকুমায় চারটি সারপ্রাইজ টিম রয়েছে। সেগুলির নেতৃত্বে মহকুমা খাদ্য নিয়ামকরা আছেন। প্রতিটি টিমকে অভিযানের পরামর্শ ও লজেস্টিক সাপর্ট দিচ্ছেন জেলা খাদ্য নিয়ামক। গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে এখনও পর্যন্ত চারটি টিম অভিযান চালিয়েছে ১০টি। টিমগুলির সুপারিশে ২৮ জন ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যারমধ্যে ওজনে কারচুপি ও সময়ে দোকান না খোলার অভিযোগে শোকজ করা হয়েছে ২৫ জনকে। এরমধ্যে শিলিগুড়িরই ১৭ জন। অভিযুক্তদের কাছ থেকে জরিমানা আদায়ের পরিমাণ আড়াই লক্ষ টাকা। বাকি আটজন ডিলার পাহাড়ের।
এরবাইরে কার্শিয়াং ও মিরিকে একজন করে মোট দু’জন ডিলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিযুক্তরা নিয়মিত দুয়ারে রেশন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছিল না। এমনকী, গ্রাহকদেরকে খাদ্য সরবরাহ বিলির রসিদও দিচ্ছিল না বলে অভিযোগ। এছাড়া, খড়িবাড়িতে একজন ডিলারকে টার্মিনেট করা হয়েছে। যার লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। খাদ্য সামগ্রীর পরিবর্তে গ্রাহকদেরকে জোর করে টাকা ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওই ডিলারের বিরুদ্ধে। খাদ্যদপ্তরের এক আধিকারিক জানান, সংশ্লিষ্ট দোকানগুলি আপাতত বন্ধ রয়েছে। সেখানকার গ্রাহকদেরকে ট্যাগ করা হয়েছে পাশের রেশন দোকানের সঙ্গে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
জেলায় রেশন দোকানের সংখ্যা ৬২৭। দোকানগুলি থেকে চাল, চিনি ও আটা প্রভৃতি দেওয়া হয়। নিয়ম অনুসারে সোমবার রেশন দোকানের সাপ্তাহিক ছুটি। শনি ও রবিবার দু’বেলা দোকান থেকে রেশন বিলির কথা। মঙ্গল থেকে শুক্রবার দুয়ারে রেশন কর্মসূচি পালন করার নিয়ম। জেলার খাদ্য নিয়ামক বলেন, রেশন ব্যবস্থা নিয়ে অনিয়ম কোনওভাবে বরদাস্ত করা হবে না। অভিযান অব্যাহত থাকবে। পশ্চিমবঙ্গ এমআর ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের শিলিগুড়ি শাখার সাধারণ সম্পাদক ধীনের সিনহা বলেন, প্রশাসনের ওই অভিযান নিয়ে আপত্তি নেই। রেশন ব্যবস্থা নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় থাকুক, সেটা আমরা চাই। তাই সংগঠনের তরফে ডিলারদেরকে সরকারের গাইড লাইন মেনে ব্যবসা করার পরামর্শ দিচ্ছি।
দার্জিলিং জেলার দু’টি অংশ। পাহাড়ের অংশে দার্জিলিং, কার্শিয়াং ও মিরিক মহকুমা এবং সমতলে শিলিগুড়ি মহকুমা। মাঝেমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মহকুমাগুলিতে রেশন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ, গ্রাহকদের নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী না দিয়ে তা খোলা বাজারে পাচার করছে ডিলারদের একাংশ। এরজেরে কিছু কিছু ডিলারের সঙ্গে গ্রাহকদের ঝামেলাও হচ্ছে বলে খবর। এ ধরনের ঘটনা রুখতে বিশেষ সারপ্রাইজ টিম গঠন করেছে খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর। ইতিমধ্যে তারা অনিয়মের অভিযোগে একগুচ্ছ রেশন দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।
খাদ্যদপ্তর সূত্রের খবর, জেলার চারটি মহকুমায় চারটি সারপ্রাইজ টিম রয়েছে। সেগুলির নেতৃত্বে মহকুমা খাদ্য নিয়ামকরা আছেন। প্রতিটি টিমকে অভিযানের পরামর্শ ও লজেস্টিক সাপর্ট দিচ্ছেন জেলা খাদ্য নিয়ামক। গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে এখনও পর্যন্ত চারটি টিম অভিযান চালিয়েছে ১০টি। টিমগুলির সুপারিশে ২৮ জন ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যারমধ্যে ওজনে কারচুপি ও সময়ে দোকান না খোলার অভিযোগে শোকজ করা হয়েছে ২৫ জনকে। এরমধ্যে শিলিগুড়িরই ১৭ জন। অভিযুক্তদের কাছ থেকে জরিমানা আদায়ের পরিমাণ আড়াই লক্ষ টাকা। বাকি আটজন ডিলার পাহাড়ের।
এরবাইরে কার্শিয়াং ও মিরিকে একজন করে মোট দু’জন ডিলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিযুক্তরা নিয়মিত দুয়ারে রেশন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছিল না। এমনকী, গ্রাহকদেরকে খাদ্য সরবরাহ বিলির রসিদও দিচ্ছিল না বলে অভিযোগ। এছাড়া, খড়িবাড়িতে একজন ডিলারকে টার্মিনেট করা হয়েছে। যার লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। খাদ্য সামগ্রীর পরিবর্তে গ্রাহকদেরকে জোর করে টাকা ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওই ডিলারের বিরুদ্ধে। খাদ্যদপ্তরের এক আধিকারিক জানান, সংশ্লিষ্ট দোকানগুলি আপাতত বন্ধ রয়েছে। সেখানকার গ্রাহকদেরকে ট্যাগ করা হয়েছে পাশের রেশন দোকানের সঙ্গে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
জেলায় রেশন দোকানের সংখ্যা ৬২৭। দোকানগুলি থেকে চাল, চিনি ও আটা প্রভৃতি দেওয়া হয়। নিয়ম অনুসারে সোমবার রেশন দোকানের সাপ্তাহিক ছুটি। শনি ও রবিবার দু’বেলা দোকান থেকে রেশন বিলির কথা। মঙ্গল থেকে শুক্রবার দুয়ারে রেশন কর্মসূচি পালন করার নিয়ম। জেলার খাদ্য নিয়ামক বলেন, রেশন ব্যবস্থা নিয়ে অনিয়ম কোনওভাবে বরদাস্ত করা হবে না। অভিযান অব্যাহত থাকবে। পশ্চিমবঙ্গ এমআর ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের শিলিগুড়ি শাখার সাধারণ সম্পাদক ধীনের সিনহা বলেন, প্রশাসনের ওই অভিযান নিয়ে আপত্তি নেই। রেশন ব্যবস্থা নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় থাকুক, সেটা আমরা চাই। তাই সংগঠনের তরফে ডিলারদেরকে সরকারের গাইড লাইন মেনে ব্যবসা করার পরামর্শ দিচ্ছি।



