Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পাহাড়ে বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়

পাহাড়ে বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়
  • ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: মেঘমুক্ত আকাশ। মনোরম আবহাওয়া। দিনে এমন আবহাওয়া থাকলেও সন্ধ্যা নামতেই ঠান্ডায় কাঁপছে উত্তরবঙ্গ। যারমধ্যে কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে শীতের কামড় বেশি। পৌষ মাস শুরুর মুখে রবিবার সংশ্লিষ্ট দুই জেলা ঠান্ডায় টেক্কা দিয়েছে শিলিগুড়িকে। এদিকে, ফের সক্রিয় হচ্ছে পশ্চিমীঝঞ্ঝা। যারজেরে সপ্তাহের শেষে বড়দিনের মুখে পাহাড়ের উঁচু উপত্যকায় বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা প্রবল। আবহাওয়ার গতিবিধি নিয়ে এমন পূর্বভাস দিয়েছে সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর। তবে ঠান্ডা উপভোগ করতে পাহাড়ে ভিড় করছেন পর্যটকরা। এদিন কালিম্পংয়ের কমলা উৎসবে উপচে পড়ে পর্যটকদের ভিড়। 
Advertisement
এদিন সকাল থেকে তোর্সা বেষ্টিত কোচবিহার জেলার আকাশ ছিল মেঘমুক্ত। সূর্যের আলোয় ঝলমলিয়ে ওঠে গোটা জেলা। সকালে-বিকেলে বাড়ির ছাদে ও মাঠে মিঠে রোদে বসে গা গরম করতে দেখা যায় জেলাবাসীকে। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতেই জেলার পারদ নামতে শুরু করে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় জাঁকিয়ে পড়ে শীত। অনেকে খড়, গাছের পাতা, জ্বালানি কাঠ জ্বালিয়ে গা, হাত-পা সেঁকে নেন। তিস্তা পাড়ের জলপাইগুড়ি জেলার অবস্থাও ছিল একই। এখানেও সন্ধ্যার পর ঠান্ডার দাপট চরমে। দুই জেলার বাসিন্দাদের একাংশ বলেন, দিনের আবহাওয়া মনোরম। সন্ধ্যার পর কনকনে ঠান্ডা হাওয়া বইতে থাকে। এরজেরে গোটা এলাকার অবস্থা জবুথবু। যারফলে শিশু ও বয়স্করা চরম বেকায়দায় পড়ে। এজন্য রুম হিটার চালিয়ে কিংবা কড়াইতে কাঠ জ্বালিয়ে ঘর গরম করতে হচ্ছে। 
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর, এদিন কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১০.৬ এবং ১১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ, শিলিগুড়ির থেকে সংশ্লিষ্ট দুই জেলার তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমছিল। স্বভাবতই ঠান্ডায় শিলিগুড়িকে টেক্কা দিয়েছে ওই দুই জেলা। এদিন সকাল থেকেই শিলিগুড়ির আবহাওয়া ছিল রোদ ঝলমলে। সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা বলেন, আরও চারদিন এমন আবহাওয়া থাকবে। এদিকে, বড়দিনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পাহাড় ও সমতলে। ইতিমধ্যে পাহাড়ের বিভিন্ন দোকান ক্রিসমাস ট্রি, স্টার, আলোর মালায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। সমতল শিলিগুড়ি শহরের বাজার, শপিংমলগুলিও ধীরে ধীরে সেজে উঠছে। এই অবস্থায় পাহাড়ে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা জানান, ফের একটি পশ্চিমীঝঞ্ঝা সক্রিয় হচ্ছে।
সম্পর্কিত সংবাদ