সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: সাগরদিঘির মনিগ্রাম পঞ্চায়েতের মহিলা প্রধানকে মেরে নাক ফাটিয়ে দেওয়া অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসেরই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, মঙ্গলবার দুপুরে বিডিও অফিসে পঞ্চায়েতের বাজেট পাশের পর এই ঘটনা ঘটে। পঞ্চায়েত প্রধান আলিয়ারা বিবিকে সাগরদিঘি সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রধানের ছেলে জানান, তিনি সভাপতির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস বলেন, বাজেট বিল পাশের পর এরকম হয়েছে বলে শুনেছি। নিজেরা এরকম করলে বিরোধীরা সুযোগ পাবে। বিষয়টি আমি দলের জেলা নেতৃত্বকে জানিয়েছি।
Advertisement
যদিও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মসিউর রহমান বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। নিজের দুর্নীতি ঢাকতেই প্রধান এরকম ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন। সাগরদিঘির বিডিও সঞ্জয় শিকদার বলেন, সকলের উপস্থিতিতে এদিন বাজেট পাশ হয়েছে। পরে কী হয়েছে, সেটা আমার জানা নেই।এর আগে তিন দফায় বাজেট পাশ করতে পারেনি মনিগ্রাম পঞ্চায়েত। কখন পঞ্চায়েত সদস্যদের অনুপস্থিতি, আবার কখনও সদস্যরা প্রধানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোয় তা পাশ করানো যায়নি। মঙ্গলবার সাগরদিঘি বিডিও অফিসে মনিগ্রাম পঞ্চায়েতের বাজেট পেশ করা হয়। সেখানে প্রধান আলিয়ারা বিবি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মসিউর রহমান, বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস, সাংসদ খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ২৯জন পঞ্চায়েত সদস্য হাজির ছিলেন। অভিযোগ, বাজেট চলাকালীন সবার উপস্থিতিতেই মসিউর রহমান প্রধানকে ধমক দেন। প্রধানও গলার স্বর চড়িয়ে কথা বলেন। উপস্থিত সবাই তাঁদের শান্ত করেন। পরে নিয়মমাফিক বাজেট পেশ হয়। এরপর একে একে সবাই বিডিও অফিস থেকে বেরিয়ে যান। প্রধান আলিয়ারা বিবি নিজের অফিসে গিয়ে বসেন। অভিযোগ, তখনই মসিউর রহমান প্রধানের ঘরে ঢুকে ঘুসি মেরে তাঁর নাক ফাটিয়ে দেন। আলিয়ারা বিবি কোনওরকমে অফিস থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে তাঁকে সাগরদিঘি সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রধানের ছেলে আতাহার আলি বলেন, মিটিংয়ে সবার উপস্থিতিতেই আমার মাকে অপমানজনক কথা বলা হয়। মিটিং শেষে মাকে মারধর করা হয়েছে। আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পঞ্চায়েতের সদস্য মিনারুল শেখ বলেন, আমরা সবাই উপস্থিত ছিলাম। কোনও গণ্ডগোল হয়নি। প্রধানের নাকে কীভাবে লেগেছে, সেটা উনিই বলতে পারবেন। মসিউর রহমান বলেন, উনি কাজ না করেই সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা বিল তুলেছেন। সেই দুর্নীতি ঢাকতেই এসব নাটক করছেন। সবাই উপস্থিত ছিলেন। এমনকী, জেলা সভাপতিও ছিলেন। আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন।
প্রধানের ছেলে আতাহার আলি বলেন, মিটিংয়ে সবার উপস্থিতিতেই আমার মাকে অপমানজনক কথা বলা হয়। মিটিং শেষে মাকে মারধর করা হয়েছে। আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পঞ্চায়েতের সদস্য মিনারুল শেখ বলেন, আমরা সবাই উপস্থিত ছিলাম। কোনও গণ্ডগোল হয়নি। প্রধানের নাকে কীভাবে লেগেছে, সেটা উনিই বলতে পারবেন। মসিউর রহমান বলেন, উনি কাজ না করেই সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা বিল তুলেছেন। সেই দুর্নীতি ঢাকতেই এসব নাটক করছেন। সবাই উপস্থিত ছিলেন। এমনকী, জেলা সভাপতিও ছিলেন। আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন।



