নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ঘোষণা তো হল। কিন্তু ইপিএফের বিমা পরিষেবায় নয়া সুবিধা দিতে বছরে অন্তত দেড় হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে শ্রমমন্ত্রকের। মন্ত্রকের আওতাধীন কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠনের (ইপিএফও) অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে এমন পরিসংখ্যানই উঠে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, সেক্ষেত্রে এই ঘোষণার বাস্তবায়নে কি আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে? অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খতিয়ে না দেখেই কেন এই সংক্রান্ত ঘোষণা করে দেওয়া হল, উঠছে সেই প্রশ্নও। যদিও শ্রমমন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রে জানানো হয়েছে যে, গ্রাহকদের আশঙ্কার কোনও কারণ নেই। ইপিএফের বিমা পরিষেবা নিয়ে যেসব ঘোষণা করা হয়েছে, তার রূপায়ণে কোনও সমস্যা নেই।
Advertisement
প্রসঙ্গত, শুক্রবার ইপিএফও অছি পরিষদের ২৩৭তম বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ইডিএলআই স্কিম বা বিমা নিয়েও একগুচ্ছ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, বিমা সংক্রান্ত এইসব ঘোষণা বাস্তবায়িত করতেই বছরে অন্তত ১ হাজার ৩০০ কোটি থেকে দেড় হাজার কোটি টাকা বাড়তি খরচ হবে। একটানা এক বছরের কর্মজীবন শেষ হওয়ার আগেই ইপিএফ গ্রাহকের মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে ইতিমধ্যেই ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা বিমা প্রদানের ঘোষণা শুক্রবারই করেছে মন্ত্রক। জানা যাচ্ছে, এক্ষেত্রে বছরে পাঁচ হাজারেরও বেশি ‘কেস’এ আর্থিক সুরাহা মিলবে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলির। নন-কন্ট্রিবিউটরি পিরিয়ডে গ্রাহকের মৃত্যু হলেও বিমা প্রদানের ঘোষণা করেছে ইপিএফও। মন্ত্রক জানিয়েছে, এক্ষেত্রে বছরে ১৪ হাজারের বেশি ‘কেস’এ সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলির সুরাহা হবে। পাশাপাশি দু’টি চাকরি প্রাপ্তির ব্যবধান বৃদ্ধি করেও বিমা পরিষেবা প্রাপ্তির নিয়ম শিথিল করা হয়েছে শুক্রবারই। এদিন শ্রমমন্ত্রক জানিয়েছে, এক্ষেত্রে বছরে এক হাজারেরও বেশি ‘কেস’এ সমাধান হবে।
টিইউসিসির সাধারণ সম্পাদক তথা ইপিএফও অছি পরিষদের সদস্য শিবপ্রসাদ তিওয়ারির দাবি, এটি মোদি সরকারের একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এর ফলে বিমা পরিষেবার আওতার বাইরে চলে যাওয়া বহু গ্রাহক এবং তাঁদের পরিবার উপকৃত হবেন।
টিইউসিসির সাধারণ সম্পাদক তথা ইপিএফও অছি পরিষদের সদস্য শিবপ্রসাদ তিওয়ারির দাবি, এটি মোদি সরকারের একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এর ফলে বিমা পরিষেবার আওতার বাইরে চলে যাওয়া বহু গ্রাহক এবং তাঁদের পরিবার উপকৃত হবেন।



