Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাইক নিয়ে লঞ্চে নদী পারাপারে এক পিঠে ভাড়া ১১২ টাকা! সমস্যায় মানুষ

লঞ্চে বাইক নিয়ে নদী পারাপার করতে হলে একপিঠে ভাড়া গুনতে হচ্ছে ১১২ টাকা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। শ্যামপুরের গাদিয়াড়া থেকে নদী পেরিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের গেঁওখালি বা দক্ষিণ ২৪ পরগনার নুরপুরে বাইক নিয়ে যেতে হলে জনপ্রতি এই টাকাই দিতে হচ্ছে।

বাইক নিয়ে লঞ্চে নদী পারাপারে এক পিঠে ভাড়া ১১২ টাকা! সমস্যায় মানুষ
  • ১৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: লঞ্চে বাইক নিয়ে নদী পারাপার করতে হলে একপিঠে ভাড়া গুনতে হচ্ছে ১১২ টাকা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। শ্যামপুরের গাদিয়াড়া থেকে নদী পেরিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের গেঁওখালি বা দক্ষিণ ২৪ পরগনার নুরপুরে বাইক নিয়ে যেতে হলে জনপ্রতি এই টাকাই দিতে হচ্ছে। আর নদী পারাপারে করতে গিয়ে এই বিপুল টাকা দিতে সমস্যয় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাঁরা বলছেন, রোজ এত টাকা খরচ করে নদী পারাপার করতে পকেট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। তবে হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতি লিমিটেড জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে।

Advertisement

হাওড়া জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে গাদিয়াড়া। এর পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে রূপনারায়ণ নদী। নদীর একদিকে পূর্ব মেদিনীপুরের গেঁওখালি এবং অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নুরপুর। রোজ এই নদী পথে লঞ্চ করে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে। অনেকেই বাইক নিয়েও নদী পারাপার করেন। আর এই বাইক নিয়ে নদী পারাপারে ভাড়া নিয়েই সমস্যায় মানুষ। অভিযোগ, একটি বাইক নিয়ে একজন ব্যক্তিকে লঞ্চে নদী পারাপার করতে একপিঠে ১১২ টাকা ভাড়া দিতে হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে ব্যক্তির জন্য ৮ টাকা, বাইকের জন্য ৬৪ টাকা। শুধু তাই নয়, এরপর জেটি থেকে লঞ্চে বাইক তুলতে ও নামাতে আরও ৪০ টাকা দিতে হচ্ছে। আর এতেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুকে।
শ্যামপুরের বাসিন্দা আতিয়ার রহমান জানান, একটি বাইকের জন্য ৬৪ টাকা ভাড়া, তারপর সেটি লঞ্চে তুলতে আরও ৪০ টাকা। দু’টিই অনেক বেশি। সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিষয়টি প্রশাসনের দেখা উচিত। আর গাদিয়াড়া ঘাটের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক অশোক পাল জানান, লঞ্চে বাইক নিয়ে নদী পারাপারের জন্য বাইক পিছু ৬৪ টাকা দিতে হয়, তার জন্য টিকিটও দেওয়া হয়। তবে লঞ্চে বাইক তোলার জন্য ৪০ টাকা দেওয়াটা যাত্রীর ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। যাত্রী নিজে বাইক তুললে এই টাকা দিতে হবে না। তবে যেহেতু লঞ্চের দোতলায় বাইক তুলতে হয় এবং নামাতে হয়, সেই কারণে কর্মীরা ৪০ টাকা করে নিয়ে থাকেন।
এই ব্যাপারে হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের অধিকর্তা অজয় দাস জানান, লঞ্চে বাইক পারাপারের জন্য ৮টি ৮ টাকার টিকিট যাত্রী পিছু নেওয়া হবে, এটা আমাদের সিদ্ধান্ত। তবে লঞ্চে বাইক ওঠানো-নামানোর জন্য ৪০ টাকার নেওয়ার বিষয়টি আমাদের জানা নেই। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ