Bartaman Logo
৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চাকরি ও সিন্ডিকেটবাজি নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ জানাল জনতা, নয়া কর্মসূচির সূচনা করলেন শুভেন্দু

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণের আট দিনের মাথায় ‘জনতার দরবার’এ হাজির শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমজনতার অভাব-অভিযোগ সরাসরি জানতে বিশেষ এই কর্মসূচির ঘোষণা করেছিলেন ভবানীপুরের বিজেপি বিধায়ক।

চাকরি ও সিন্ডিকেটবাজি নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ জানাল জনতা, নয়া কর্মসূচির সূচনা করলেন শুভেন্দু
  • ১৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণের আট দিনের মাথায় ‘জনতার দরবার’এ হাজির শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমজনতার অভাব-অভিযোগ সরাসরি জানতে বিশেষ এই কর্মসূচির ঘোষণা করেছিলেন ভবানীপুরের বিজেপি বিধায়ক। সোমবার নবান্নে দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের ঠিক আগে আচমকাই পার্টির সল্টলেক অফিসে জনতার মাঝে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ শুভেন্দুবাবু পার্টি অফিসের দোতলায় বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। অনেক চাকরি প্রার্থী, নার্সের পরীক্ষায় উর্ত্তীণ এবং তৃণমূল নেতাদের তোলাবাজির শিকার মানুষের  বহু অভিযোগ আসে। নির্বাচনি ইস্তাহারে বিজেপি ঘোষণা করেছিল, সরকারি চাকরির বয়সসীমা ৫ বছর বৃদ্ধি করা হবে। সেই মতো নবান্ন ইতিমধ্যেই এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তৃণমূল জমানায় মামলার জটে বহু চাকরি প্রার্থীর বয়স অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। প্রথম বিজেপি সরকারের এই সিদ্ধান্তে আগামীদিনে তাঁরা পরীক্ষায় বসতে পারবেন। চাকরি প্রার্থীদের এই বিষয়টি এদিন তুলে ধরা হয়। অন্যদিকে, বিধাননগরের এক তৃণমূল নেতার সিন্ডিকেট ও তোলাবাজি নিয়ে অভিযোগ জানান এক ব্যক্তি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

এভাবে নিজেদের দাবি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পেশ করার সুযোগ পেয়ে আপ্লুত অভিযোগকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, এতদিন থানায় গেলে কনস্টেবলের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি মিলত না। আজ যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী এত কাজের মধ্যেই আমাদের কথা ধৈর্য ধরে শুনলেন, তাতেই খুশি আমরা। এদিন প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘জনতার দরবার’। বিজেপি সূত্রের খবর, এখন থেকে প্রতি সোমবার রাজ্য পার্টি অফিসে মুখ্যমন্ত্রী সকালে মানুষের অভিযোগ শুনবেন। আগামীতে জেলায় জেলায় এই কর্মসূচি হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে, সারাদিনে একাধিক প্রশাসনিক কর্মসূচি সেরে সন্ধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে অভিনন্দন সভায় অংশ নেন এলাকার বিধায়ক। দলীয় বিধায়কদের তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, এলাকায় অভিনন্দন সভা-মিছিল করুন। সেই মতো নিজের কেন্দ্রের অধীনে কলকাতা পুরসভার ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত সভায় ভবানীপুরবাসীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের জন্য একটি ডেডিকেটেড ফোন নম্বরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। সেই নম্বরের ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন স্থানীয়রা।   

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ