নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ‘বানানা ম্যাংগো’। আকারে লম্বাটে। দেখতে অনেকটা কলার মত। তাই এর নাম বানানা। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার ‘আর টু ই টু’ নামে একটি আম আছে। হলদে ও কমলা রঙের হয়। এছাড়াও আছে ‘কেনসিংটন প্রাইড’। যা দেখতে অনেকটা বাংলার হিমসাগরের মতোই। এগুলি নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ। অনেকে কেনার আগে একটু চেখে নিচ্ছেন। তারপর কিনে হাতে নিয়ে ফিরছেন বাড়ি।
পশ্চিমবঙ্গ আম উৎসব চলছে। সেখানে পাওয়া যাচ্ছে এরকম হরেক কিসিমের আম। হিমসাগর কিংবা ল্যাংড়ার নাম বঙ্গের সব মানুষই জানে। এবার জানছেন এই সব বিদেশি আমের নামও। এগুলির মধ্যে সবথেকে নজর কাড়ছে তাইল্যান্ড সহ বেশ কিছু দেশের বিভিন্ন প্রজাতির আম। তার মধ্যে অন্যতম, তাইল্যান্ডের বানানা। নাম দেখে লোকে ভাবছেন, এটি একটি কলার প্রজাতি। কিন্তু আসলে তা নয়। এটি একরকমের আম যা এশিয়ার ওই দেশে পাওয়া যায়। অনেকে বিদেশি আমের বিষয়ে খোঁজখবর করেছেন। যাঁদের বাগান করার শখ তাঁরা জানতে চাইছেন কীভাবে এই আমের চারা পাওয়া যাবে। ২৭ জুন থেকে নিউটাউনে শুরু হয়েছে এই উৎসব। চলবে ৫ জুলাই পর্যন্ত। উৎসবের উদ্যোক্তা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন এবং কৃষি বিপণন দপ্তর। আম উৎসবে অংশ নিয়েছে মালদা, মুর্শিদাবাদ,উত্তর ২৪ পরগনা বাঁকুড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও নদীয়া। হিমসাগর, ল্যাংড়ার পাশাপাশি আমরাপলি, মল্লিকা, লক্ষণভোগ প্রভৃতি আম পাওয়া যাচ্ছে স্টলগুলিতে। বিদেশি আমের মধ্যে রয়েছে জাপানের বিখ্যাত মিয়াজাকি। তাছাড়া কাটিমন, ডকমাই প্রভৃতিও রয়েছে। শুরুর তিনদিনে সবমিলিয়ে প্রায় ৫০০ কেজির বেশি আম বিক্রি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।