Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুলিসের মাইকিংই সার, বারাসতে টোটোর উৎপাতে নাজেহাল মানুষ

পুলিসের মাইকিংই সার, বারাসতে টোটোর উৎপাতে নাজেহাল মানুষ
  • ১০ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: কয়েকদিন আগে বারাসতে জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এনিয়ে মাইকিংও করে ট্রাফিক পুলিস। তখন টোটো চালকদের সতর্ক করেছিল ট্রাফিক পুলিস, ‘আগামী কাল থেকে রাস্তায় উঠলে কপালে দুঃখ আছে!’ কিন্তু এত কথার কিছুই বারাসত শহরে কার্যকর হল না। আগের মতো এখনও একইভাবে জাতীয় ও রাজ্য সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে টোটো। তবে, বেশিরভাগের নেই কোনও উপযুক্ত কাগজপত্র। ফলে, টোটো ধরলে তা বাজেয়াপ্ত নিশ্চিত। কিন্তু, পুলিসের সেই তৎপরতা অধরাই। তাই, ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ থেকে গাড়ির চালক পর্যন্ত প্রায় সবাই। 

Advertisement

জেলা সদর শহর বারাসতের অলিগলিতে টোটোর দাপাদাপি ক্রমশ বাড়ছে। শহরে প্রায় ১০ হাজারের মতো টোটো রয়েছে বলেই সূত্রের খবর। কিন্তু সরকারিভাবে নির্দিষ্ট রুট করে দেওয়া হয়েছে টোটোর। কিন্তু তা পাত্তা দেয় না কেউই। তাছাড়া শহরের যত্রতত্র পার্কিংয়ের কারণে যানজটের মাত্রাটা ক্রমশ বাড়ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। শহরের উপর দিয়ে চলে গিয়েছে জাতীয় সড়ক ১২, যশোর রোড ও টাকি রোড। জাতীয় সড়ক ও যশোর রোডে রয়েছে দুটি রেলগেট। ট্রেন যাতায়াতের সময় মানুষের অবস্থা একেবারে বেহাল হয়। রাস্তা পেরতে লেগে যায় দীর্ঘ সময়। প্রতিদিনই হাজার হাজার গাড়ি যাতায়াত করে এই সড়কগুলি দিয়ে। তার উপর বড় বড় ডাম্পার যাতায়াতের ফলেও সমস্যা বাড়ছে। মূল সড়কের পাশাপাশি বারাসত শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ছোট রাস্তার অবস্থা একই। সন্ধ্যার পর থেকে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে যানজটও বলে অভিযোগ। তবে, সেক্ষেত্রে উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবের কারণেই এই সমস্যা বাড়ছে বলেও মনে করছেন ওয়াকিবহলমহল। তাই, শহরের যানজট কমাতে ট্রাফিক পুলিসের পক্ষ থেকে সপ্তাহখানেক আগে টানা দুই-তিনদিন মাইকিং করে বলা হয় মূল সড়কে টোটো চলাচল করলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু সেই ঘোষণায় সার, হয়নি বাস্তবায়ন। 
স্থানীয় বাসিন্দা বিদিশা চট্টোপাধ্যায় বলেন, পুলিসের মাইকিংয়ে কিছুটা হলেও যন্ত্রণা থেকে মুক্তির আলো দেখেছিলাম। কিন্তু তা আর হল কোথায়! সমস্যা বাড়ছে, কমার লক্ষণ নেই। সন্ধ্যার পর বাইকে বাড়ির বাইরে বেরনো দায়। এই বিষয়ে বারাসত পুলিস জেলার ডিএসপি ট্রাফিক নীহাররঞ্জন রায় বলেন, পুরোপুরি না-হলেও এই সমস্যা অনেকটাই মেটানো গিয়েছে। বাকিটা ধীরে ধীরে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ