নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় বক্স কালভার্ট নির্মাণের কাজ শুরুর পর যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করায় প্রবল ভোগান্তিতে পড়থে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অফিস টাইমে ভিড়ের চাপ বেড়ে কার্যত অবরুদ্ধ সোদপুর রোড। যানজটের কারণে চূড়ান্ত নাকাল হচ্ছে মানুষ। যদিও পুরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ বলেছেন, ‘মানুষের তেমন একটা সমস্যা হচ্ছে না। কারণ পুলিশ আগেভাগেই সমস্ত গাড়ি ঘুরিয়ে দিচ্ছে। কাজও হচ্ছে দ্রুত।’
পুলিশ ভোগান্তি সামাল দিতে পুরভবনের আগেই যানবাহন ঘুরিয়ে দিচ্ছে। তাতেই বেড়েছে বিপত্তি। উল্টোদিক থেকে আসা গাড়ির চাপে সোদপুর রোডে টানা যানজট। এর উপর ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তি মাত্রাছাড়া। মানুষের অভিযোগ, সোদপুর রোড ধরে চৌমাথার দিকে আসা কোনো গাড়ি যশোর রোডে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনিতেই সোদপুরগামী গাড়ি যাতায়াতে অফিস সময়ে তুমুল যানজট তৈরি হয়। তার উপর এই কাজের জন্য সমস্ত গাড়ি পাঠানো হচ্ছে একটি রুট দিয়ে। ফলে তৈরি হচ্ছে যানজট। অটো, টোটো এবং বাস সহ অন্যান্য গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকছে রাস্তাজুড়ে। ক্রমশ ভোগান্তি বাড়ছে। দেবরাজ ঘোষ নামে এক নিত্যযাত্রী বলেন, ‘অফিসটাইমে এই কাজ করলে মানুষের ভোগান্তি বাড়বেই। সোদপুর রোড ছোট হয়ে গিয়েছে। আপ ও ডাউন পথে গাড়ি যাতায়াত মানেই ভোগান্তি। ফুটপাত দখল হয়ে গিয়েছে। ফলে মানুষ হেঁটে যাতায়াত করতে পারছেন না।’ সুষমা দাস এক বাসিন্দা বলেন, ‘অন্যান্য সময়ও পুরসভার সামনে মানুষের ভিড় থাকে। যানবাহনের চাপ থাকে। রাতে কাজ করলে মানুষের ভোগান্তি কিছুটা কমবে। সকালের ব্যস্ত সময় এড়িয়ে কাজ করলেই ভালো।’প্রসঙ্গত সোদপুর রোডের হাইড্রেন দিয়ে আসা বৃষ্টির জল মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় জ্যাকপুস করে নোয়াই খালে ফেলা হত। বড় পাইপলাইনের জল ছোট লাইনে সঠিকভাবে বেরতে পারত না। ফলে প্রতি বর্ষাতেই জল জমার সমস্যা দেখা দেয়। মধ্যমগ্রামের একাধিক ওয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে পড়ে। সমস্যা সমাধানে বক্স কালভার্ট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। পুরসভা সংলগ্ন এলাকায় রাস্তা কেটে নিকাশির জন্য বক্স বসানো হচ্ছে। এই কাজের জন্যই সোদপুর রোডে পুরসভার সামনে থেকে চৌমাথা পর্যন্ত করা হয়েছে নো এন্ট্রি। তাতেই বেড়েছে সমস্যা। নিজস্ব চিত্র