নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: পিএইচই-র কাজ নিয়ে ক্ষোভ অব্যাহত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের। বিশেষ করে কালীগঞ্জ ব্লকে এই সমস্যা প্রকট। সম্প্রতি ব্লক প্রশাসন, পিএইচই ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হয় ব্লক অফিসে। সেখানে পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধানরা পিএইচইর কাজ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাইপলাইন বসানোর সময় রাস্তা খারাপ করা নিয়েই এই ক্ষোভের সূত্রপাত। শুধু তাই নয়, জল সংযোগের কাজের সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ করা হচ্ছে না। পিএইচই’র কর্মীরা এসে আপন মর্জিমতো জলের সংযোগ দিয়ে চলে যাচ্ছেন। এমনকী পোর্টালে জলের সংযোগ সম্পূর্ণ করা হয়েছে বলে দেখানো হচ্ছে। অথচ বাস্তবে তার অর্ধেক করেছে বলে অভিযোগ জনপ্রতিনিধিদের।
Advertisement
এব্যাপারে ব্লকের ভিডিও অঞ্জন চৌধুরী বলেন, পিএইচইর আধিকারিকদের সঙ্গে ব্লক অফিসে জনপ্রতিনিধিদের মুখোমুখি বৈঠক হয়েছে। সেখানে একাধিক বিষয় উঠে এসেছে। তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। আগামী দিনে যাতে জল সংযোগের কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে করা যায়, সেটাই নজরে রাখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, কালীগঞ্জ ব্লকে ভূগর্ভস্থ জলের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। সেই জায়গায় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের এই জলের সংযোগের ফলে ব্লকের মানুষের উপকৃত হবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, জলের সংযোগ দেওয়ার এক বছর পরেও কল থেকে জল পড়ছে না। কালীগঞ্জ ব্লকজুড়েই এই সমস্যা রয়েছে। শুধু তাই নয়, জলের সংযোগ দিতে গিয়ে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়িও দেদার হয়েছে। যার ফলে ব্লকের প্রায় ২৫০টি রাস্তা খারাপ হয়ে গিয়েছে।
সেইমতো কালীগঞ্জ ব্লক অফিসে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কোন এলাকায় জল সংযোগের কতটা কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দেবে পিএইচই। পাশাপাশি যে সমস্ত জায়গায় কাজ আটকে আছে, তার রিপোর্ট করা হয়েছে। এমনকী সংযোগের সময় খারাপ হওয়া রাস্তা পিএইচইর তরফ থেকে ঠিক করার কথা। সেই কাজের গুণগতমানও খুব খারাপ। তাই নিয়েও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
দেবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অর্পিতা রায়চৌধুরী দে বলেন, ‘আমরা আমাদের সমস্যার কথা জানিয়েছি। অনেকেই জল পাচ্ছেন না। রাস্তা খারাপ। আমাদের কোনও কিছুই জানানো হচ্ছে না।’
আবার পলাশি দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দারাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ওদের কাজের কোনও ঠিক নেই। কোনও সিডিউল দেখায় না। নিজেদের ইচ্ছামতো কাজ করে যাচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, কালীগঞ্জ ব্লকে ভূগর্ভস্থ জলের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। সেই জায়গায় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের এই জলের সংযোগের ফলে ব্লকের মানুষের উপকৃত হবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, জলের সংযোগ দেওয়ার এক বছর পরেও কল থেকে জল পড়ছে না। কালীগঞ্জ ব্লকজুড়েই এই সমস্যা রয়েছে। শুধু তাই নয়, জলের সংযোগ দিতে গিয়ে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়িও দেদার হয়েছে। যার ফলে ব্লকের প্রায় ২৫০টি রাস্তা খারাপ হয়ে গিয়েছে।
সেইমতো কালীগঞ্জ ব্লক অফিসে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কোন এলাকায় জল সংযোগের কতটা কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দেবে পিএইচই। পাশাপাশি যে সমস্ত জায়গায় কাজ আটকে আছে, তার রিপোর্ট করা হয়েছে। এমনকী সংযোগের সময় খারাপ হওয়া রাস্তা পিএইচইর তরফ থেকে ঠিক করার কথা। সেই কাজের গুণগতমানও খুব খারাপ। তাই নিয়েও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
দেবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অর্পিতা রায়চৌধুরী দে বলেন, ‘আমরা আমাদের সমস্যার কথা জানিয়েছি। অনেকেই জল পাচ্ছেন না। রাস্তা খারাপ। আমাদের কোনও কিছুই জানানো হচ্ছে না।’
আবার পলাশি দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দারাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ওদের কাজের কোনও ঠিক নেই। কোনও সিডিউল দেখায় না। নিজেদের ইচ্ছামতো কাজ করে যাচ্ছে।’



