জলন্ধর: ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে বহিরাগত। এই অভিযোগে দফায় দফায় বিক্ষোভ। ভাঙচুর, উত্তেজনা, অবরোধ। রবিবার দিনভর উত্তাল হয়ে ওঠে পাঞ্জাবের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। সোমবার বেলা বাড়তেই ধীরে ধীরে শান্ত হয়েছে পরিস্থিতি। তবে, ১০ দিনের জন্য ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। স্থগিত করা হয়েছে পরীক্ষাও। ফলে অনেক পড়ুয়াই বাড়ি ফিরছে। তৎপর পাঞ্জাব পুলিশ। ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।
রবিবার ভোরে জলন্ধর থেকে ফাগওয়ারাগামী জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা। এর জেরে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর এদিন ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই ক্যাম্পাস ছেড়ে ব্যাগ ও স্যুটকেস নিয়ে একে একে বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন পড়ুয়ারা। চোখে-মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ। সন্তানদের বাড়ি নিয়ে যেতে অনেকের বাবা-মাও ক্যাম্পাসে হাজির হয়েছেন। চারদিকে ভাঙচুরের চিহ্ন। ইতিমধ্যে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তদন্ত শুরু করেছে পাঞ্জাব রাজ্য মহিলা কমিশন। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। এনিয়ে আপকে নিশানা করেছেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু। তাঁর কথায়, আম আদমি পার্টির নেতারাই বিশ্ববিদ্যালয়ে দুষ্কৃতী পাঠিয়ে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। আগামী কাল জলন্ধরে অমিত শাহর সভা রয়েছে। তার আগে ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি করা হল।