নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: কাঁথি পিকে কলেজে ফর্ম পূরণ করেও ডি-রিজার্ভ জটিলতায় অনেক ছাত্রছাত্রী ভর্তি হতে পারেননি। সেইসব ছাত্রছাত্রী যাতে ভর্তির সুযোগ পান, সেই জন্য শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে চিঠি দিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক। ১৪নভেম্বর শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ওই চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ৩০সেপ্টেম্বর কলেজে ভর্তির সময়সীমা শেষ হয়ে গিয়েছে।
Advertisement
কাঁথি পিকে কলেজে সংরক্ষিত প্রায় ৮০০আসন ফাঁকা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বিভিন্ন কলেজে খালি থাকা সংরক্ষিত আসনকে অসংরক্ষিত(ডি-রিজার্ভ) করে শেষ মুহূর্তে ভর্তি নেওয়া হয়। এজন্য ওইসব কলেজ থেকে জেলাশাসক অফিসে চিঠি পাঠানো হয়। তারপর শূন্য থাকা সংরক্ষিত আসনে সাধারণ ক্যাটাগরির ইচ্ছুক ছাত্রছাত্রীরা ভর্তির সুযোগ পান। কিন্তু, কাঁথি পিকে কলেজ সময়মতো ওই চিঠি ডিএম অফিসে পাঠায়নি। ৩০সেপ্টেম্বর প্রথম সেমেস্টারে ভর্তির শেষদিন ছিল। সমালোচনার মুখে পড়ে ৩অক্টোবর ডি-রিজার্ভ সংক্রান্ত চিঠি ওই কলেজ থেকে জেলাশাসক অফিসে পাঠানো হয়। ৪অক্টোবর ডিএম অফিস থেকে ওই কলেজের খালি থাকা সংরক্ষিত আসনকে প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য অসংরক্ষিত করা হয়। কিন্তু, তার চারদিন আগেই ভর্তির তারিখ শেষ হওয়ায় ওই সুযোগ কাজে আসেনি।
এদিকে, প্রায় আড়াই হাজার ছাত্রছাত্র ফর্মপূরণ করেও ওই জটিলতায় ভর্তির সুযোগ পাননি। রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা ২৭নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই অবস্থায় ইচ্ছুক ছাত্রছাত্রীরা যাতে কাঁথি পিকে কলেজে ভর্তির সুযোগ পান সেই আবেদন জানিয়েছেন সভাধিপতি।
এদিকে, প্রায় আড়াই হাজার ছাত্রছাত্র ফর্মপূরণ করেও ওই জটিলতায় ভর্তির সুযোগ পাননি। রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা ২৭নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই অবস্থায় ইচ্ছুক ছাত্রছাত্রীরা যাতে কাঁথি পিকে কলেজে ভর্তির সুযোগ পান সেই আবেদন জানিয়েছেন সভাধিপতি।



