সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পরীক্ষা মানেই ভয়। এক্ষেত্রে খুদে পড়ুয়াদের মধ্যে ভীষণ উদ্বেগ কাজ করে। পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার অনেক আগে থেকে বেড়ে যায় হার্টবিট। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা মাধ্যমিকের সময় নানা প্রশ্ন ভিড় করে পড়ুয়াদের মনে। নিজের ক্লাসরুম ছেড়ে কোথায় বসতে হবে? সামনে কে থাকবে? বছরভর একসঙ্গে ক্লাস করার পর সহপাঠি কোথায় বসবে? প্রশ্ন কেমন হবে? এমন সব প্রশ্ন ভিড় করে। ছোটদের মধ্যে সেই উদ্বেগ কাটাতে এবার বিশেষ পদক্ষেপ নিল মালদহ সার্কেল। সোমবার মাধ্যমিকের ধাঁচে জেলার বেশকিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন শুরু হয়েছে। ফি বছরের মতো একসঙ্গে একই ক্লাসের পড়ুয়াদের বসতে দেওয়া হয়নি। পড়ুয়াদের ভাগ করে বিভিন্ন ক্লাসরুমে বসতে দেওয়া হয়েছিল। একটি বেঞ্চে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রের পাশে অন্য ক্লাসের পড়ুয়াদের বসার ব্যবস্থা করেছিল বিভিন্ন স্কুল।
Advertisement
এদিন পুরাতন মালদহ শহরের বাচামারী ম্যানেজড এবং পাড়া সামুন্ডাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলছে কি না দেখতে শহরের একাধিক স্কুল পরির্দশন করেন মালদহ সার্কেলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক ভরত ঘোষ। তিনি একাধিক পড়ুয়ার সঙ্গে কথা বলেন। খোঁজ নেন মূল্যায়নে কারও অসুবিধা হচ্ছে কি না।
ভরতের কথায়, এটা পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন। সব প্রশ্নপত্র স্কুল কর্তৃপক্ষ তৈরি করবে, এমন নির্দেশ জেলা শিক্ষা দপ্তর থেকে দেওয়া হয়েছিল। তবে পাঁচ বছর আগে থেকে আমাদের সার্কেল সেই পদ্ধতি অনুসরণ করছে। এবার সেই অর্থে ব্যতিক্রম বলতে মাধ্যমিকের ধাঁচে পরীক্ষার হলে বসার ব্যবস্থা। শিক্ষক এবং শিক্ষিকারা সব আয়োজন করেছেন। স্কুলগুলিতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা হয়েছে।
এই সার্কেলে ৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিট নম্বর দিয়ে মাধ্যমিকের মতো আলাদা বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। ভরতের মতে, আগামী দিনে এই খুদে পড়ুয়ারা মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা দেবে। ভয় দূর করতে আগে থেকে আমরা একই ব্যবস্থা চালু করেছি।
বাচামারি ম্যানেজড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরূপ কুমার সাহার কথায়, আগে একটি ঘরে সবাইকে বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হতো। এবার সিট নম্বর দিয়ে একটু অন্যরকম পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।
ভরতের কথায়, এটা পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন। সব প্রশ্নপত্র স্কুল কর্তৃপক্ষ তৈরি করবে, এমন নির্দেশ জেলা শিক্ষা দপ্তর থেকে দেওয়া হয়েছিল। তবে পাঁচ বছর আগে থেকে আমাদের সার্কেল সেই পদ্ধতি অনুসরণ করছে। এবার সেই অর্থে ব্যতিক্রম বলতে মাধ্যমিকের ধাঁচে পরীক্ষার হলে বসার ব্যবস্থা। শিক্ষক এবং শিক্ষিকারা সব আয়োজন করেছেন। স্কুলগুলিতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা হয়েছে।
এই সার্কেলে ৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিট নম্বর দিয়ে মাধ্যমিকের মতো আলাদা বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। ভরতের মতে, আগামী দিনে এই খুদে পড়ুয়ারা মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা দেবে। ভয় দূর করতে আগে থেকে আমরা একই ব্যবস্থা চালু করেছি।
বাচামারি ম্যানেজড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরূপ কুমার সাহার কথায়, আগে একটি ঘরে সবাইকে বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হতো। এবার সিট নম্বর দিয়ে একটু অন্যরকম পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।



