সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: এএসআইকে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠল গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন রায়ের গাড়িচালকের বিরুদ্ধে। এছাড়া স্ত্রী ও পুলিসকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম বিপুল হাজরা। বাড়ি বুনিয়াদপুর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শিবপুরে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়কের গাড়ির চালক বিপুল মঙ্গলবার বাড়িতে স্ত্রীকে বেঁধে মারধর করছিলেন। স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে বংশীহারি থানায় খবর দেন। পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিপুলের স্ত্রী কল্পনা হাজরাকে উদ্ধার করে রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যায়। এদিকে পুলিসের গাড়ি এলাকায় ঢুকতেই পালিয়ে যান অভিযুক্ত।
বংশীহারি রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করে বাড়ি ফেরার সময় ফের বিপুল তাঁর স্ত্রীকে হাসপাতালে মারধর করতে উদ্যত হন। সেসময় হাসপাতালে কর্তব্যরত পুলিস আটকাতে গেলে একজন কনস্টেবল ও একজন এএসআই পদমর্যাদার অফিসারের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বিপুল। দুই পুলিসকর্মী রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পর বংশীহারি থানার পুলিস অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। কর্তব্যরত পুলিসের গায়ে হাত তোলার ঘটনায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করবে বংশীহারি থানা। যদিও চালকের স্ত্রী থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে কোনও লিখিত অভিযোগ করতে নারাজ।
ঘটনার নিন্দা করেছেন বিধায়ক সত্যেন রায়। তিনি বলেন, আমি দলীয় কাজে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরছি। ঘটনার খবর পেয়েছি। স্ত্রীকে মারধর করে গাড়ির চালক অন্যায় করেছে। হাসপাতালে গিয়ে ফের স্ত্রীকে মারতে গিয়েছিল। পুলিস আটকাতে গেলে তাদের সঙ্গেও ধস্তাধস্তি হয়। চালক দোষ করলে শাস্তি পাবে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, ভীষণ অন্যায় কাজ করেছেন সত্যেনবাবুর চালক। স্ত্রী ও পুলিসের গায়ে হাত তুলেছেন। সত্যেনবাবুর উচিত এধরনের লোককে আইনের আওতায় নিয়ে আসা। পুলিসকে বলব প্রভাবশালীর গাড়ির চালক বলে যাতে কোনও ছাড় না দেয়।
গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিক দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, বিধায়ক সত্যেন রায়ের গাড়ির চালক তাঁর স্ত্রী ও পুলিসের গায়ে হাত তুলেছেন। চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কর্তব্যরত পুলিসের গায়ে হাত দেওয়ায় আমরা মামলা রুজু করব।
বংশীহারি রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করে বাড়ি ফেরার সময় ফের বিপুল তাঁর স্ত্রীকে হাসপাতালে মারধর করতে উদ্যত হন। সেসময় হাসপাতালে কর্তব্যরত পুলিস আটকাতে গেলে একজন কনস্টেবল ও একজন এএসআই পদমর্যাদার অফিসারের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বিপুল। দুই পুলিসকর্মী রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পর বংশীহারি থানার পুলিস অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। কর্তব্যরত পুলিসের গায়ে হাত তোলার ঘটনায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করবে বংশীহারি থানা। যদিও চালকের স্ত্রী থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে কোনও লিখিত অভিযোগ করতে নারাজ।
ঘটনার নিন্দা করেছেন বিধায়ক সত্যেন রায়। তিনি বলেন, আমি দলীয় কাজে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরছি। ঘটনার খবর পেয়েছি। স্ত্রীকে মারধর করে গাড়ির চালক অন্যায় করেছে। হাসপাতালে গিয়ে ফের স্ত্রীকে মারতে গিয়েছিল। পুলিস আটকাতে গেলে তাদের সঙ্গেও ধস্তাধস্তি হয়। চালক দোষ করলে শাস্তি পাবে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, ভীষণ অন্যায় কাজ করেছেন সত্যেনবাবুর চালক। স্ত্রী ও পুলিসের গায়ে হাত তুলেছেন। সত্যেনবাবুর উচিত এধরনের লোককে আইনের আওতায় নিয়ে আসা। পুলিসকে বলব প্রভাবশালীর গাড়ির চালক বলে যাতে কোনও ছাড় না দেয়।
গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিক দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, বিধায়ক সত্যেন রায়ের গাড়ির চালক তাঁর স্ত্রী ও পুলিসের গায়ে হাত তুলেছেন। চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কর্তব্যরত পুলিসের গায়ে হাত দেওয়ায় আমরা মামলা রুজু করব।



