সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: বাম আমল থেকে আবেদনের পর অবশেষে পাড়া ব্লকের জবড়রা - ঝাপড়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধগড়া গ্রামে একটি পুকুর সংস্কারের কাজ শুরু হল। মঙ্গলবার থেকে গ্রামের পুকুরটির সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। দীর্ঘ আবেদনের পর পুকুরের কাজ শুরু হওয়ায় গ্রামবাসীরা রাজ্য সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছে।
Advertisement
গ্রামবাসীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বাম আমলে পুকুরটির সংস্কারের প্রয়োজন হয়ে উঠে। পুকুরটি সংস্কার না হওয়ায় ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। গ্রামবাসীদের চাষের জন্য সেচের কাজ, কাপড়, বাসন পত্র ধোয়া, পুজা -পার্বণে পুকুরটি প্রয়োজন পড়ে। অথচ সংস্কারের অভাবে পুকুরটি ব্যবহার হচ্ছিল না। গ্রামবাসীরা পুকুরটি সংস্কারের জন্য পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, থেকে শুরু করে জেলা পরিষদ পর্যন্ত জানিয়েছিল। তারপরেও কোন কাজ হয়নি। অবশেষে রাজ্য সরকার আবেদনের সাড়া দিয়ে পুকুর সংস্কারে উদ্যোগী হয়েছে।
পাড়া পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের কৃষি ও সেচ দপ্তরের ২৯ লক্ষ টাকা দিয়ে পুকুরটির সংস্কারের কাজ করা হচ্ছে। ৯০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত সমিতির তত্ত্বাবধানে কাজটি হচ্ছে।
গ্রামবাসীদের মধ্যে ঠাকুরদাস মাণ্ডি, রাজেন টুডু বলেন, পুকুরটি গ্রামের ঐতিহ্য। যেকোনও কাজে পুকুরটি ব্যবহার করা হয়। পুকুরটি সংস্কার না হওয়ায় প্রচুর সমস্যা হত। গ্রামবাসীদের অভিযোগ জানানোর পর পুকুরটির সংস্কারের কাজ হওয়ায় আমরা খুশি। পাড়া পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুকুরের সংস্কারের বিষয়টি জানার পরেই প্রাক্তন বিধায়ক উমাপদ বাউরি সেচ মন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কৃষি ও সেচ দপ্তরের তরফ থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হয়। সেই টাকায় পুকুরের কাজ হচ্ছে।
পাড়া পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের কৃষি ও সেচ দপ্তরের ২৯ লক্ষ টাকা দিয়ে পুকুরটির সংস্কারের কাজ করা হচ্ছে। ৯০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত সমিতির তত্ত্বাবধানে কাজটি হচ্ছে।
গ্রামবাসীদের মধ্যে ঠাকুরদাস মাণ্ডি, রাজেন টুডু বলেন, পুকুরটি গ্রামের ঐতিহ্য। যেকোনও কাজে পুকুরটি ব্যবহার করা হয়। পুকুরটি সংস্কার না হওয়ায় প্রচুর সমস্যা হত। গ্রামবাসীদের অভিযোগ জানানোর পর পুকুরটির সংস্কারের কাজ হওয়ায় আমরা খুশি। পাড়া পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুকুরের সংস্কারের বিষয়টি জানার পরেই প্রাক্তন বিধায়ক উমাপদ বাউরি সেচ মন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কৃষি ও সেচ দপ্তরের তরফ থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হয়। সেই টাকায় পুকুরের কাজ হচ্ছে।



