নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: আন্তঃরাজ্য আগ্নেয়াস্ত্র পাচার চক্রের অন্যতম ক্যারিয়ার পুলিসের জালে। এসটিএফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,অভিযান চালিয়ে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম রাহেল রানা (৩৬)। বৈষ্ণবনগরের মোহনপুরের পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জেও তার বাড়ি আছে। তার কাছ থেকে পাঁচটি সেভেন এমএম পিস্তল ও ১০টি ম্যাগাজিন উদ্ধার হয়েছে। বৈষ্ণবনগর থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহেল ওই থানা এলাকারই সবদলপুরের এলাকার বাসিন্দা। পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখে তদন্ত করা হচ্ছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে কলকাতা পুলিসের এসটিএফের তরফে অস্ত্র পাচারের বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয় মালদহের বৈষ্ণবনগর থানাকে। তার উপর ভিত্তি করে রাত ন’টায় অপারেশন শুরু করে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিস। কিছু পুলিস কর্মী সাদা পোশাকে ও কয়েকজন ইউনিফর্ম পরে নাকা চেকিং শুরু করেন। বৈষ্ণবনগরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় চেকিংয়ের সময় ঝাড়খণ্ডের নম্বর প্লেট যুক্ত একটি মোটর বাইক দেখে সন্দেহ হয় পুলিসের। মোটর বাইক থামিয়ে ওই যুবকের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগের তল্লাশি করতেই বেরিয়ে আসে একে একে পাঁচটি পিস্তল সহ ১০টি ম্যাগাজিন। প্রাথমিক জেরায় পুলিস জেনেছে, ঝাড়খণ্ড থেকে অস্ত্র আনা হয়েছিল মালদহে। ধৃত রাহেলের বাড়ি বৈষ্ণবনগরের সবদলপুর পোস্ট অফিস এলাকার মোহনপুরে। একই সঙ্গে অস্ত্রের কারবারি ওই যুবকের ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার বারহারোয়া থানার জামপুর এলাকাতেও বাড়ি রয়েছে।
ইতিমধ্যেই বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে নদীপথে মালদহে অস্ত্র পাচারের খবর প্রকাশিত হয়েছে ‘বর্তমান’-এ। এদিন পুলিস জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড থেকে নদীপথে এরাজ্যে অস্ত্র পাচারের যে চক্র সক্রিয় রয়েছে, ধৃত যুবক তার অন্যতম পান্ডা।
এদিন ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সেমি অটোমেটিক সেভেন এমএম পিস্তল, ম্যাগাজিনগুলি ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার শ্রীঘর থেকে আনা হয় বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। যা মালদহের বৈষ্ণবনগর এলাকার এক লিঙ্কম্যানের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল।
এখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে,একসঙ্গে অনেক বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের প্রয়োজন কেন পড়ল? কে বা কারা এত সেভেন এমএম পিস্তলের অর্ডার দিয়েছিল?কোন উদ্দেশ্যে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রগুলি ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতকে পাঁচদিনের জন্য হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিস। বড় ক্লু পেলেই ফের বড় অভিযান চালানো হবে বলে তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে। - নিজস্ব চিত্র।
ইতিমধ্যেই বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে নদীপথে মালদহে অস্ত্র পাচারের খবর প্রকাশিত হয়েছে ‘বর্তমান’-এ। এদিন পুলিস জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড থেকে নদীপথে এরাজ্যে অস্ত্র পাচারের যে চক্র সক্রিয় রয়েছে, ধৃত যুবক তার অন্যতম পান্ডা।
এদিন ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সেমি অটোমেটিক সেভেন এমএম পিস্তল, ম্যাগাজিনগুলি ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার শ্রীঘর থেকে আনা হয় বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। যা মালদহের বৈষ্ণবনগর এলাকার এক লিঙ্কম্যানের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল।
এখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে,একসঙ্গে অনেক বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের প্রয়োজন কেন পড়ল? কে বা কারা এত সেভেন এমএম পিস্তলের অর্ডার দিয়েছিল?কোন উদ্দেশ্যে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রগুলি ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতকে পাঁচদিনের জন্য হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিস। বড় ক্লু পেলেই ফের বড় অভিযান চালানো হবে বলে তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে। - নিজস্ব চিত্র।



