সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ময়নাগুড়িতে খোঁয়াড়ে এখন রয়েছে ৩০টি মহিষ ও ছ’টি গোরু। প্রতিদিন খোঁয়াড় মালিকের এই মহিষ ও গোরুর মাথাপিছু খরচ করতে হচ্ছে ২০০ টাকা। চলতি সপ্তাহেই পুলিস দু’টি ভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই গবাদি পশুগুলি পাচারের আগে ধরেছে। যতদিন পর্যন্ত আদালত থেকে মহিষ ও গোরুগুলি প্রকৃত মালিককে হস্তান্তর করা না হচ্ছে ততদিন প্রাণীগুলির খাবার, শুশ্রূষা থেকে শুরু করে অন্যান্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন খোঁয়াড় মালিক। এই প্রক্রিয়াটি পর্যায়ক্রমে হয়ে থাকে।
Advertisement
ময়নাগুড়ি থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ময়নাগুড়ির পৃথক পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাচারের আগে শতাধিক গোরু উদ্ধার হয়েছে। নিয়মমাফিক খোঁয়াড়ে পাঠাযনো হয়েছে। পরবর্তীতে উপযুক্ত নথিপত্র জমা করে গবাদিপশুর প্রকৃত মালিক তাঁর গোরু কিংবা মহিষ নিয়ে গিয়েছেন।
ময়নাগুড়ি আব্দুল মোড়ের খোঁয়াড় মালিক সাবু আলম বলেন, কখনও ১৫-১৬ দিন পর্যন্ত গোরু, মহিষ খোঁয়াড়ে রেখে দিতে হয়। যেহেতু প্রকৃত মালিককে গবাদিপশু দিতে হয়, তাই প্রতিবার ধরা পড়া প্রাণীগুলিকে আলাদা আলাদা ভাবে চিহ্নিত করার জন্য পৃথক জায়গায় রাখি। একইরকম দেখতে হলে লাল, কালো কিংবা অন্য রঙের রিবন গলায় পরিয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসন থেকে একএকটি গোরু কিংবা মহিষের মাথাপিছু ২০০ টাকা করে দেওয়া হয়। প্রাণীগুলিকে দেখভালের জন্য দু’জন চৌকিদার রাতে পাহারায় থাকেন। তাঁদেরও মজুরি আমাকেই দিতে হয়। কোনও গোরু অসুস্থ হলে চিকিৎসক দেখাতে হয় আমাকেই। অনেক ক্ষেত্রে গোরু, মহিষের মালিক গবাদিপশু নিয়ে গেলেও প্রাণীর চিকিৎসার খরচ দেন না। সেই টাকা আমার পকেট থেকেই যায়। প্রশাসনের দিকে থেকে কোনও বকেয়া না থাকলেও টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হলে ভালো হয়।
ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, গবাদিপশু পাচার রুখতে আমরা সার্ক রোড, জাতীয় সড়কে নিয়মিত নজর রাখছি। শীতে কুয়াশার সুযোগ নিয়ে সক্রিয় হয়েছে পাচারকারীরা। মঙ্গলবার রাতেও পৃথক দু’টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৬টি গবাদিপশু ধরা হয়েছে। তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেই গোরু, মহিষগুলি খোঁয়াড়ে রাখা হয়েছে।ময়নাগুড়ি আব্দুল মোড়ের খোঁয়াড় মালিক সাবু আলম বলেন, কখনও ১৫-১৬ দিন পর্যন্ত গোরু, মহিষ খোঁয়াড়ে রেখে দিতে হয়। যেহেতু প্রকৃত মালিককে গবাদিপশু দিতে হয়, তাই প্রতিবার ধরা পড়া প্রাণীগুলিকে আলাদা আলাদা ভাবে চিহ্নিত করার জন্য পৃথক জায়গায় রাখি। একইরকম দেখতে হলে লাল, কালো কিংবা অন্য রঙের রিবন গলায় পরিয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসন থেকে একএকটি গোরু কিংবা মহিষের মাথাপিছু ২০০ টাকা করে দেওয়া হয়। প্রাণীগুলিকে দেখভালের জন্য দু’জন চৌকিদার রাতে পাহারায় থাকেন। তাঁদেরও মজুরি আমাকেই দিতে হয়। কোনও গোরু অসুস্থ হলে চিকিৎসক দেখাতে হয় আমাকেই। অনেক ক্ষেত্রে গোরু, মহিষের মালিক গবাদিপশু নিয়ে গেলেও প্রাণীর চিকিৎসার খরচ দেন না। সেই টাকা আমার পকেট থেকেই যায়। প্রশাসনের দিকে থেকে কোনও বকেয়া না থাকলেও টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হলে ভালো হয়।



