সংবাদদাতা, হবিবপুর: পছন্দের ঠিকাদার কাজ না পাওয়ায় টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিলের অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচণ্ডী গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে জেলাশাসকের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন গ্রাম পঞ্চায়েতের শিল্প ও পরিকাঠামো উপ সমিতির সঞ্চালক রাজীব মণ্ডল।
Advertisement
অভিযোগ, তিনমাস আগে বুলবুলচণ্ডী গ্রাম পঞ্চায়েতে এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকার টেন্ডার করেছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান পূজা হাঁসদা। পুরো টেন্ডার অবৈধভাবে করা হয়েছে, এই অভিযোগ আনেন সঞ্চালক রাজীব। এবিষয়ে জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। প্রশাসনের কর্তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখে পুরো টেন্ডার বাতিল করে দেন।
আবার নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া করে পঞ্চায়েত। গত ২০ নভেম্বর সেই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের শেষদিন ছিল। পরে সংশোধনের জন্য ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়। কিন্তু ২৯ নভেম্বর হঠাৎ করে সেই টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিল করে দেন প্রধান। যা নিয়ে প্রধানের ভূমিকা নিয়ে সরব হন পঞ্চায়েত সদস্যদের একাংশ। তাহলে কি পছন্দের ঠিকাদার টেন্ডার না পাওয়ার ইঙ্গিত পেয়ে টেন্ডার বাতিল করা হল? উঠছে প্রশ্ন। উত্তর জানতে ফোন করা হয় পঞ্চায়েত প্রধান পূজা হাঁসদাকে। কিন্তু পুরো বিষয়টি শোনার পর তিনি ফোন কেটে দেন। পরে ফোন করা হলেও তিনি জবাব দেননি। মেসেজেরও জবাব মেলেনি। তবে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হবিপুরের বিডিও মনোজ কাঞ্জিলাল। তিনি বলেন, আমার কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। এক আধিকারিককে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছি।
গ্রাম পঞ্চায়েতের শিল্প ও পরিকাঠামো উপ সমিতির সঞ্চালক রাজীবের অভিযোগ, প্রধান বাকি পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা না করেই টেন্ডার প্রক্রিয়া হঠাৎ বাতিল করে দেন। তাঁর নিজের পছন্দের ঠিকাদার টেন্ডার পাবেন না বুঝতে পেরেই প্রধান এই কাজ করেছেন।
আবার নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া করে পঞ্চায়েত। গত ২০ নভেম্বর সেই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের শেষদিন ছিল। পরে সংশোধনের জন্য ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়। কিন্তু ২৯ নভেম্বর হঠাৎ করে সেই টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিল করে দেন প্রধান। যা নিয়ে প্রধানের ভূমিকা নিয়ে সরব হন পঞ্চায়েত সদস্যদের একাংশ। তাহলে কি পছন্দের ঠিকাদার টেন্ডার না পাওয়ার ইঙ্গিত পেয়ে টেন্ডার বাতিল করা হল? উঠছে প্রশ্ন। উত্তর জানতে ফোন করা হয় পঞ্চায়েত প্রধান পূজা হাঁসদাকে। কিন্তু পুরো বিষয়টি শোনার পর তিনি ফোন কেটে দেন। পরে ফোন করা হলেও তিনি জবাব দেননি। মেসেজেরও জবাব মেলেনি। তবে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হবিপুরের বিডিও মনোজ কাঞ্জিলাল। তিনি বলেন, আমার কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। এক আধিকারিককে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছি।
গ্রাম পঞ্চায়েতের শিল্প ও পরিকাঠামো উপ সমিতির সঞ্চালক রাজীবের অভিযোগ, প্রধান বাকি পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা না করেই টেন্ডার প্রক্রিয়া হঠাৎ বাতিল করে দেন। তাঁর নিজের পছন্দের ঠিকাদার টেন্ডার পাবেন না বুঝতে পেরেই প্রধান এই কাজ করেছেন।



