নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: পছন্দের স্কুল না মেলায় নিয়োগপত্র নিতে নারাজ। যার জেরে প্রধানশিক্ষকই পেল না জলপাইগুড়ি জেলার ৭৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তবে শুক্রবার জলপাইগুড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের অফিস থেকে ৮২০ জন প্রধানশিক্ষক হিসেবে নিয়োগপত্র নিয়েছেন। এদিন যাঁরা নিয়োগপত্র নিয়েছেন, ১৫ দিনের মধ্যে তাঁদের সংশ্লিষ্ট স্কুলে প্রধানশিক্ষক হিসেবে যোগ দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা যে প্রত্যেকেই সংশ্লিষ্ট স্কুলে যোগ দেবেন, এমনটা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না জেলার শিক্ষাকর্তারা। কারণ, নিয়োগপত্র পাওয়ার পর থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানের কাছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ফোন আসতে শুরু করেছে। তাঁদের বক্তব্য, বাড়ি থেকে স্কুল দূরে হয়ে গিয়েছে। ফলে তাঁরা সংশ্লিষ্ট স্কুলে প্রধানশিক্ষক হিসেবে যোগ দিতে পারবেন না। এই অবস্থায় নিয়োগপত্র নেওয়া ৮২০ জনের মধ্যে শেষপর্যন্ত কতজন প্রধানশিক্ষক হিসেবে যোগ দেন, সেটা আগামী দু’সপ্তাহ পর স্পষ্ট হবে।
Advertisement
জলপাইগুড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান লৈক্ষ্যমোহন রায় বলেন, জেলায় ১২১৪টি সরকারি প্রাথমিক স্কুল রয়েছে। এর মধ্যে ৮৯৩টি স্কুলের জন্য প্রধানশিক্ষক নিয়োগ করা হয়। গোটা প্রক্রিয়া শেষ করে শুক্রবার নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। ৮২০টি নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে। ৭৩টি স্কুলের জন্য কেউ নিয়োগপত্র নেননি। ফলে ওই স্কুলগুলিতে প্রধানশিক্ষক দেওয়া গেল না। ওই স্কুলগুলি নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে। তিনি বলেন, নিয়োগপত্র নেওয়ার পরও শিক্ষকদের কেউ কেউ ফোন করে বলছেন, বাড়ি থেকে স্কুল দূরে হয়ে যাচ্ছে। এটা কোনও কথা হতে পারে না। সবাইকে তো বাড়ির পাশের স্কুল দেওয়া সম্ভব নয়। তবে নিয়োগপত্র নেওয়ার পরও যদি কেউ প্রধানশিক্ষক পদে যোগ না দেন, তাহলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান। তাঁর মন্তব্য, ১২ বছর পর জলপাইগুড়ি জেলায় প্রাথমিক স্কুলে প্রধানশিক্ষক নিয়োগ হল। এখন নিয়োগপত্র নেওয়ার পরও যদি কেউ সংশ্লিষ্ট স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদে যোগ না দেন, সেটা দুর্ভাগ্যজনক। আমরা আশা করব, যাঁরা নিয়োগপত্র নিয়েছেন, প্রত্যেকেই যোগ দেবেন।
জেলায় মোট প্রাথমিক স্কুলের মধ্যে হিন্দি মাধ্যমের স্কুল ৬৫টি, চারটি ইংরেজি মাধ্যমের এবং নেপালি মাধ্যমের স্কুল রয়েছে ২৬টি। বাকিগুলি বাংলা মাধ্যমের। এর মধ্যে বহু স্কুলেই পড়ুয়ার সংখ্যা তলানিতে ঠেকেছে। আটটি স্কুল একেবারে পড়ুয়াশূন্য হয়ে পড়েছে। যদিও ওইসব স্কুলেও প্রধানশিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। এনিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান বলেন, ওই স্কুলগুলিতে যাতে পড়ুয়া আনা যায়, সেই লক্ষ্যেই প্রধানশিক্ষক নিয়োগ করা হল। জেলায় প্রাথমিক শিক্ষার হাল ফেরাতে শিক্ষক, অভিভাবকদের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে শীঘ্রই রূপরেখা তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি।
জেলায় মোট প্রাথমিক স্কুলের মধ্যে হিন্দি মাধ্যমের স্কুল ৬৫টি, চারটি ইংরেজি মাধ্যমের এবং নেপালি মাধ্যমের স্কুল রয়েছে ২৬টি। বাকিগুলি বাংলা মাধ্যমের। এর মধ্যে বহু স্কুলেই পড়ুয়ার সংখ্যা তলানিতে ঠেকেছে। আটটি স্কুল একেবারে পড়ুয়াশূন্য হয়ে পড়েছে। যদিও ওইসব স্কুলেও প্রধানশিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। এনিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান বলেন, ওই স্কুলগুলিতে যাতে পড়ুয়া আনা যায়, সেই লক্ষ্যেই প্রধানশিক্ষক নিয়োগ করা হল। জেলায় প্রাথমিক শিক্ষার হাল ফেরাতে শিক্ষক, অভিভাবকদের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে শীঘ্রই রূপরেখা তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি।



