সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: পাঁচবছর থেকে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন বন্ধ। ডিগ্রির সার্টিফিকেট না পেয়ে সমস্যায় পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীরা। ভিনরাজ্যে উচ্চ শিক্ষায় গিয়ে দিশেহারা অবস্থা তাঁদের। সমস্যা সমাধানের জন্য বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজায় কড়া নাড়লেও এখনও কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি। ফলে উচ্চশিক্ষা মাঝপথে আটকে যাওয়ার আশঙ্কায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীরা। মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে শঙ্কিত অধ্যাপকরাও।
Advertisement
আসল শংসাপত্র না মেলায় সমস্যায় পড়েছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী মীর নিশার আলি। কৃষক পরিবারের ছেলে মীর নিশারের বাড়ি রায়গঞ্জের দক্ষিণ গোয়ালপাড়ায়। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করে মীর নিশার এখন কেরল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার জন্য পিএইচডিতে ভর্তি হয়েছেন। তবে আসল শংসাপত্র না থাকায় আটকে রয়েছে পিএইচডির যাবতীয় কাজকর্ম। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচবছর সমাবর্তন হয়নি বলে স্নাতক বা স্নাতকোত্তরের আসল শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁর।
মীর নিশারের কথায়, আসল শংসাপত্র জমা দিতে না পারায় আমার স্কলারশিপের টাকা ঢুকছে না। পরীক্ষার রেজাল্ট পাচ্ছি না। এমনকী তাঁর পিএইচডির রেজিষ্ট্রেশনও বাতিল হওয়ার মুখে। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদি প্রভিশনাল সার্টিফিকেট দিয়ে দায় সেরেছে। মীরের মত এমন বহু প্রাক্তনী প্রতিদিন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং আধিকারিকদের দ্বারস্থ হচ্ছেন আসল সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য। কিন্তু প্রতিদিনই আশাহত হয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাঁদের। সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরাও। তাঁরাও চাইছেন প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত সমাবর্তন হোক বিশ্ববিদ্যালয়ে। যাতে মেধাবী পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষার জন্য কোনও সমস্যা না হয়। গণিত বিভাগের অধ্যাপক অশোক দাস বলেন, পড়ুয়ারা আমাদের সন্তানতুল্য। তাদের এই সমস্যা দেখে আমাদেরও কষ্ট হয়। আইআইটি, এনআইটিতে পড়াশোনা করতে গিয়েও তাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সার্টিফিকেটের জন্য। তাদের উজ্জ্বল ভবিষৎ নষ্ট হচ্ছে।
কবে মিলবে প্রাক্তনীদের আসল সার্টিফিকেট? এর সঠিক উত্তর দিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একমাত্র সমাবর্তন হলেই সার্টিফিকেট মিলবে, জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ামক শুভময় ভৌমিক। তিনি বলেন, কিছু প্রাক্তনী সমস্যায় পড়ছেন। তবে প্রভিশনাল সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে, তা দিয়েই সব কাজ চলছে। সমার্বতন কবে হবে জানি না,বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানে।
মীর নিশারের কথায়, আসল শংসাপত্র জমা দিতে না পারায় আমার স্কলারশিপের টাকা ঢুকছে না। পরীক্ষার রেজাল্ট পাচ্ছি না। এমনকী তাঁর পিএইচডির রেজিষ্ট্রেশনও বাতিল হওয়ার মুখে। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদি প্রভিশনাল সার্টিফিকেট দিয়ে দায় সেরেছে। মীরের মত এমন বহু প্রাক্তনী প্রতিদিন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং আধিকারিকদের দ্বারস্থ হচ্ছেন আসল সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য। কিন্তু প্রতিদিনই আশাহত হয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাঁদের। সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরাও। তাঁরাও চাইছেন প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত সমাবর্তন হোক বিশ্ববিদ্যালয়ে। যাতে মেধাবী পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষার জন্য কোনও সমস্যা না হয়। গণিত বিভাগের অধ্যাপক অশোক দাস বলেন, পড়ুয়ারা আমাদের সন্তানতুল্য। তাদের এই সমস্যা দেখে আমাদেরও কষ্ট হয়। আইআইটি, এনআইটিতে পড়াশোনা করতে গিয়েও তাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সার্টিফিকেটের জন্য। তাদের উজ্জ্বল ভবিষৎ নষ্ট হচ্ছে।
কবে মিলবে প্রাক্তনীদের আসল সার্টিফিকেট? এর সঠিক উত্তর দিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একমাত্র সমাবর্তন হলেই সার্টিফিকেট মিলবে, জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ামক শুভময় ভৌমিক। তিনি বলেন, কিছু প্রাক্তনী সমস্যায় পড়ছেন। তবে প্রভিশনাল সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে, তা দিয়েই সব কাজ চলছে। সমার্বতন কবে হবে জানি না,বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানে।



