Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পাঁচ কেজি ওজনের কদমা, বিহার থেকে আসবে প্যাড়া, বোল্লাকালী পুজো ঘিরে বাড়তি আয়োজন

পাঁচ কেজি ওজনের কদমা, বিহার থেকে আসবে প্যাড়া, বোল্লাকালী পুজো ঘিরে বাড়তি আয়োজন
  • ৯ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বোল্লাকালী পুজো উপলক্ষ্যে গঙ্গারামপুর শহরে মিষ্টি ভোগ তৈরিতে ব্যস্ততা তুঙ্গে। ২২ নভেম্বর পূজিত হবেন মা বোল্লাকালী। সেখানে ভোগ মানেই বাতাসা, খাগড়া, কদমা ও রকমারি ছাঁচের তৈরি চিনির মিষ্টি। গঙ্গারামপুর শহরের পিডব্লুডি পাড়া এলাকায় বড় বড় কারখানায় ভোগ তৈরি প্যাকিংয়ের কাজ চলছে জোরকদমে।
Advertisement
গঙ্গারামপুরের মিষ্টি ভোগ প্রস্তুতকারকরা সারা বছর যে পরিমাণ বাতাসা, কদমা ও খাগড়া তৈরি করেন, বোল্লা পুজোর রাতে তার থেকেও বেশি ভোগ বিক্রি হয়। গঙ্গারামপুরের জিৎ সরকার, বিজয় কর্মকার, সন্তু সরকার সারা বছর ভিনরাজ্যে কাজ করলেও পুজোর এই সময় ঠিক ফিরে আসেন বাড়তি রোজগারের আশায়। গঙ্গারামপুরের ভোগ প্রস্তুতকারকরা এবার প্রায় ৫০ কুইটাল  মিষ্টি ভোগ বিক্রি করবেন বলে আশা করছেন। 
তাছাড়া বিহার থেকে ভোগ প্রস্তুতকারকরা প্যাড়া নিয়ে এসে পুজোর পাঁচদিন আগে বিক্রি করে যাবেন স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে। বোল্লাকালীর কাছে অনেকেই হাতের কদমা মানত করে থাকেন। সেজন্য গঙ্গারামপুরের ভোগ প্রস্তুতকারকেরা সোয়া কেজি থেকে শুরু করে ৫ কেজির কদমা তৈরি রাখছেন। সেগুলি প্রতি কেজি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হবে।
গঙ্গারামপুরের মিষ্টিভোগ প্রস্তুতকারী কল্যাণ কুন্ডু বলেন, অভিজ্ঞ শ্রমিক না পাওয়ায় বেশি ভোগ তৈরি করা যায় না। ১০ জন শ্রমিক নিয়ে ভাইফোঁটার পরের দিন থেকে কাজ শুরু হয়েছে। ৫০ কুইন্টাল ভোগ পুজোর দিন শেষ হয়ে যাবে। মানতের কদমা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হবে। বিহার থেকেও প্যাড়া আসবে পুজোর কয়েকদিন আগে।
শ্রমিক বিজয় কর্মকারের মন্তব্য, ছোট থেকে মিষ্টির ভোগ তৈরির কারখানায় কাজ দেখতে দেখতে শিখে গিয়েছি। মায়ের পুজো এলেই বাড়তি উপার্জন হয়। তাই সারা বছর যেখানেই কাজ করি না কেন, পুজোর সময় চলে আসি শহরের কারখানায়। এবারও মায়ের আবির্ভাবে মেলায় ভালো আয় হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ