Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পাঁচ বছর ধরে স্কুলমাঠে জমে জল, ডেঙ্গু সংক্রমণের শঙ্কা

পাঁচ বছর ধরে স্কুলমাঠে জমে জল, ডেঙ্গু সংক্রমণের শঙ্কা
  • ১৪ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা। সব সময়ই জমে থাকে জল। সারাবছর স্কুলের সামনের মাঠ জল থইথই করে। কোথাও আবার হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে থাকে। এই জমা জল ভেঙে প্রতিদিন স্কুলে যাতায়াত করতে হয় খুদে পড়ুয়াদের। ফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের রামনগর কলোনির মজদুরবস্তির মুন্সি প্রেমচাঁদ প্রাথমিক স্কুলের সামনে গত প্রায় পাঁচবছর ধরে  জল দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। শিলিগুড়ি শহরের কাছে একটি প্রাথমিক স্কুলে এই দূরাবস্থা নিয়ে সকলেই বিস্মিত। পাঁচ বছর ধরে জল জমে থাকলেও কেনই বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বারবার বলেও কাজ হয়নি। এতে হতাশ অভিভাবকরা। ছেলেমেয়েদের জল ভাঙার কষ্ট মানিয়ে নিলেও ডেঙ্গু সংক্রমণের আশঙ্কায় পড়ুয়াদের বাবা-মায়েরা। শিক্ষিকারাও ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন। 
Advertisement
এদিন অভিভাবকরা বলেন, অনেকবার বলেছি। কোনও কাজ হয়নি। তাই ভাবছি এবার আর মাঠ উঁচু করার কথা বলবো না। স্কুলের বারান্দা পর্যন্ত সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার জন্য আবেদন জানাব। এভাবে স্কুলের মাঠজুড়ে জল জমে থাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে বলে খভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে সকলেই ডেঙ্গু সংক্রমনের আশঙ্কায় আতঙ্কিত। পড়ুয়াদের জল ভেঙে স্কুলে ঢোকার পাশাপাশি মিড ডে মিলের রান্না ঘরেও জল ঢুকে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিড ডে মিল রান্না করতে নাজেহাল হচ্ছেন কর্মীরা। তারাও হাল ছেড়ে দিয়ে এটাকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিয়েছেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ক্ষমা দেবপাল বলেন, বহুবার বিষয়টি স্থানীয় পঞ্চায়েতকে জানিয়েছি। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য, উপপ্রধান অনেকে স্কুলে এসে সব দেখে গিয়েছেন। মাটি ফেলে মাঠ উঁচু করে দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন সকলে।  কিন্তু সেই মতো আজও কাজ হয়নি। এজন্য পাঁচবছর ধরে আমাদের দুর্ভোগ হচ্ছে।
ফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তপন সিংহ বলেন, মুন্সি প্রেমচাঁদ প্রাথমিক স্কুলের এই সমস্যা অনেকদিনের। আমি প্রধান থাকার সময় নালা তৈরি করা হয়েছিল। তারপরে মাটি ফেলে মাঠ উঁচু করে দেওয়ার কথা হয়েছিল। কিন্তু আমার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর কাজ করার সুযোগ পাইনি।
ফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান সুনীতা রায়চক্রবর্তী বিষয়টি জানেন।  তিনি বলেন, এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। ওই স্কুলের মাঠে মাটি ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ