নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ মামলার দ্বিতীয় পর্যায়ের শুনানি হল বৃহস্পতিবার। সম্প্রতি সরকার পক্ষ থেকে এই মামলার সওয়াল শুরু হয়। এদিনও ঘণ্টাখানেক ধরে তা চলে এবং অসমাপ্তও থাকে। পরবর্তী শুনানি ৩ সেপ্টেম্বর। এদিন কাদের খান ও মহম্মদ আলিকে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে কলকাতার নগর দায়রার ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে আনা হয়। বিচারক ছিলেন শ্রুতিরূপা ঘোষ মাজি। মামলার বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি আবুবক্কর ঢালি এদিন নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দির বিষয়ে সওয়াল করেন। ঘটনার পর অভিযোগকারিণীর জবানবন্দি নেয় ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। সেই নথি সম্পর্কে সরকারি কৌঁসুলি এদিন আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করেন। ইতিমধ্যে ওই নির্যাতিতার মৃত্যুও হয়েছে। এদিন শুনানি শেষে অভিযুক্তদের কোর্ট থেকে ফের জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালত সূত্রে খবর, মামলায় আগেই তিন অপরাধীর সাজা হয়। পরে কলকাতা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে ‘ফেরার’ কাদের খান ও মহম্মদ আলি। তাদের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেয় পুলিশ। আইনি গেরো সামলে অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দ্বিতীয় পর্যায়ের শুনানি শুরু হয়। যদিও অভিযুক্ত পক্ষ আদালতে বারবার দাবি করে যে, এই ঘটনায় তারা জড়িত নয়। সরকারি কৌঁসুলি বলেন, কাদের ও আলির বিরুদ্ধে একসময় জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পাশাপাশি হুলিয়াও জারি ছিল।



