লখনউ: শুরুটা ভালো না হলেও আইপিএলে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে গুজরাত টাইটান্স। পর পর চারটি ম্যাচ জিতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে শুভমান গিলরা। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং— তিন বিভাগেই তাঁরা সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরতে সফল। আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে গোটা দল। শনিবার একানা স্টেডিয়ামে লখনউ সুপার জায়ান্টসের মুখোমুখি হচ্ছে গুজরাত টাইটান্স। ঋষভ পন্থের নেতৃত্বে নবাবের শহরের ফ্র্যাঞ্চাইজি বেশ ভালোই পারফর্ম করছে। ঘরের মাঠে সুপার জায়ান্টসও জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর। গত ম্যাচে ইডেনে কেকেআরকে হারানোর সুবাদে পুরানদের মনোবল তুঙ্গে। ফলে লড়াই বেশ উপভোগ্য হতে পারে।
গুজরাতের ব্যাটিংয়ে বড় ভরসা বাঁ হাতি ওপেনার সাই সুদর্শন। পাঁচ ম্যাচে ঝুলিতে ২৭৩ রান। তবে সমস্যা হলো, ক্যাপ্টেন শুভমান গিলের খেলায় ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট। তাই তিনি বড় রানের খোঁজে। তাঁর ব্যর্থতা অবশ্য অনেকটাই ঢেকে দিচ্ছেন জস বাটলার। মিডল অর্ডারে আছেন শাহরুখ খান, রাহুল তেওয়াটিয়া ও রাদারফোর্ড। লখনউয়ের বোলিং খুব একটা শক্তিশালী নয়। ফলে শুরুতে উইকেট নিতে না পারলে চাপে পড়ে যাবে তারা। একানা স্টেডিয়ামে স্পিনাররা সুবিধা পেয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে দিগবেশ রাঠির উপর নজর থাকবে। এবারের আইপিএলে দুরন্ত ফর্মে তিনি। পাঁচ ম্যাচে ঝুলিতে পুরেছেন সাত উইকেট। তাঁর সঙ্গী হবেন রবি বিষ্ণোই। তিন পেসার হিসেবে আকাশ দীপ, আভেশ খান ও শার্দূল ঠাকুরকে খেলাতে পারে সুপার জায়ান্টসের কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার।
গুজরাতের বোলিং অনেক জমাট। নতুন বলে মহম্মদ সিরাজ আগুন ঝরাচ্ছেন। তাই মার্শ, মার্করাম, পুরানদের উপর চাপ থাকবে। সিরাজের সঙ্গে আর্শাদ খান, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণাকেও খেলানো হচ্ছে। কাগিসো রাবাডার মতো তারকার অভাব তাঁরা বুঝতে দিচ্ছেন না। তবে শুধু পেস নয়, গুজরাতের স্পিন বিভাগ খুবই শক্তিশালী। রশিদ খানকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন সাই কিশোর। তাঁদের যুগলবন্দি ম্যাচের রং বদলে দিতে পারে।
তবে লখনউয়ের মাথাব্যথার বড় কারণ ক্যাপ্টেন ঋষভ পন্থের অফ ফর্ম। কেকেআরের বিরুদ্ধে তিনি ব্যাট করেননি। নিজেকে আড়াল করছেন। এভাবে কতদিন চলবে? তবে ঋষভ ম্যাচ উইনার। বড় মঞ্চে জ্বলে উঠতে পছন্দ করেন। তার ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে। তাই ঋষভের ব্যাটে বড় রানের প্রহর গুনছে লখনউয়ের সমর্থকরা।