Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কার বাড়িতে শৌচালয় নেই, পাড়া-বৈঠকে চিহ্নিত করার নির্দেশ দিল পঞ্চায়েত দপ্তর, ৭ লক্ষ নতুন শৌচালয় নির্মাণের টার্গেট

গ্রামীণ এলাকায় এখনও যাঁদের বাড়িতে শৌচালয় তৈরি হয়নি, তাঁদের জন্য এবার বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করল পঞ্চায়েত দপ্তর। বিশেষ ক্যাম্প থেকে শুরু করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতন করা হবে।

কার বাড়িতে শৌচালয় নেই, পাড়া-বৈঠকে চিহ্নিত করার নির্দেশ দিল পঞ্চায়েত দপ্তর, ৭ লক্ষ নতুন শৌচালয় নির্মাণের টার্গেট
  • ২ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গ্রামীণ এলাকায় এখনও যাঁদের বাড়িতে শৌচালয় তৈরি হয়নি, তাঁদের জন্য এবার বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করল পঞ্চায়েত দপ্তর। বিশেষ ক্যাম্প থেকে শুরু করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতন করা হবে। যাঁরা এখনও নিজের বাড়িতে শৌচালয় তৈরি করেননি, তাঁদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে দপ্তর। নিয়ম মেনে শৌচালয়ের জন্য আবেদন করতে হবে। কাদের বাড়িতে শৌচালয় নেই, পাড়া বৈঠকেও সেরকম বাড়ি চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতি জেলায় এই মর্মে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে দপ্তর। আগামী ৫ জুন থেকে ৫ জুলাইয়ের মধ্যে যাবতীয় কর্মসূচি নিতে বলা হয়েছে। এদিকে জানা গিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে সাত লক্ষ শৌচালয় নির্মাণের টার্গেট নিয়েছে পঞ্চায়েত দপ্তর। তার মধ্যে সর্বাধিক লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে।

Advertisement

উপভোক্তা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দেখতে হবে তাঁর নাম এসআইআরে বাদ গিয়েছে কি না। ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে এই সুবিধা পাবেন না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। সরকারি নীতি মেনেই এই সিদ্ধান্ত বলে খবর। জানা গিয়েছে, গ্রামীণ এলাকাকে স্বচ্ছ এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে যেমন কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট করা হচ্ছে, ঠিক তেমনই বাড়িতে শৌচালয় থাকাটাও জরুরি। অনেকেই নতুন বাড়ি করছেন, সেখানে শৌচালয় প্রয়োজন পড়বে। কোনো পরিস্থিতিতেই যাতে গ্রামবাসীরা উন্মুক্ত জায়গায় শৌচকর্ম না সারেন, তা নিশ্চিত করতে একদম তৃণমূল স্তরে নেমে কাজ করতে চাইছেন আধিকারিকরা। তাই আগামী এক মাস প্রতি গ্রামে এনিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছে দপ্তর। পাড়া বৈঠকে অনেক মানুষই আসেন, ফলে তাঁরা জানবেন কার বাড়িতে কী অবস্থা। সেই মতো শৌচালয় না থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়ি চিহ্নিত করতে সুবিধা হবে। এছাড়াও শৌচালয় নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। তাতে অনেকে এগিয়ে এসে অবেদন করবেন বলে আশাবাদী প্রশাসন। পাশাপাশি, গ্রামীণ এলাকায় কোন কোন বাড়িতে এখনও শৌচালয় নেই, সেটা খুঁজে বের করতে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনকে। গ্রামীণ এলাকায় ‘স্বচ্ছ রথ’ (ট্যাবলো) বার করে প্রচার এবং লোকশিল্পীদের সচেতনতা প্রসারের কাজে লাগাতে বলা হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ