


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এলাকায় ব্যবসা করতে গেলে দিতে হবে টাকা। তা দিতে অস্বীকার করায় দোকানে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। নরেন্দ্রপুর থানার খেয়াদহ ২ পঞ্চায়েতের গোপালনগর গ্রামে ঘটেছে ঘটনাটি। এই ভাঙচুরে নাম জড়িয়েছে পঞ্চায়েতের এক সদস্যের। এই নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ব্যবসায়ী। যদিও শনিবার রাত পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরে গোপালনগরে ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসা করছেন আশিস হালদার নামে ওই ব্যবসায়ী। সম্প্রতি তাঁকে হুমকি দিয়ে জানানো হয় যে, ব্যবসা থেকে লাভের অর্ধেক ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে দিতে হবে। কিন্তু তাতে রাজি হননি আশিসবাবু। এরপরই দিনতিনেক আগে তাঁর দোকানে চড়াও হয় কয়েকজন দুষ্কৃতী। অভিযোগ, নির্বিচারে চলে ভাঙচুর। দোকানের কাঁচের দরজা-জানালা ভাঙা হয়, নগদ টাকা, সিসি ক্যামেরার হার্ড ডিস্ক লুট করা হয়। জানা গিয়েছে, দুই পক্ষের বিবাদ শুরু ২০২৩ সাল থেকে। আশিসবাবুর দাবি, তখন থেকে নানা সময়ে টাকা দাবি করা হতো। সেটা না দিলে ব্যবসা করা যাবে না বলে হুমকি দিতেন পঞ্চায়েত সদস্যের লোকজন। মাথা নোয়াননি বলে তখনও একাধিকবার দোকানে ভাঙচুর চালিয়েছেন তাঁরা। পুলিশে অভিযোগ করার পর অভিযুক্তরা ধরা পড়ে। কিন্তু কিছুদিন বাদে ছাড়া পেয়ে ফের একই কাজ শুরু করেছিল। এবারেও একই কাণ্ড ঘটেছে। এবারে এর একটা বিহিত করা হোক। এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।