Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জীবিত মহিলার মৃত্যুর শংসাপত্র ইস্যু পঞ্চায়েত থেকে, শুরু তদন্ত

সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে এক মহিলার মৃত্যুর ভুয়ো শংসাপত্র বানিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠল কুলতলিতে।

জীবিত মহিলার মৃত্যুর শংসাপত্র  ইস্যু পঞ্চায়েত থেকে, শুরু তদন্ত
  • ১৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে এক মহিলার মৃত্যুর ভুয়ো শংসাপত্র বানিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠল কুলতলিতে। জানা গিয়েছে, কুলতলির কুন্দখালি গোদাবর পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা সাবানা লস্করের নামে মৃত্যুর শংসাপত্র ইস্যু হয়েছে গোপালগঞ্জ পঞ্চায়েত থেকে। অথচ তিনি সেই পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাই নন। তিনিও বেঁচেও আছেন দিব্যি। মেয়ের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ড শ্বশুরবাড়ির ঠিকানায় স্থানান্তর করতে গিয়ে তাঁর বাবা সাহাদুল লস্কর জানতে পারেন, গোপালগঞ্জ পঞ্চায়েত তাঁর মেয়ের মৃত্যুর শংসাপত্র দিয়েছে। কুলতলির কীর্তনখোলার বাসিন্দা সাহাদুল লস্কর নামে এক ব্যক্তি ডেথ সার্টিফিকেট তুলেছেন। ঘটনাটি জানতে পেরে তাজ্জব হয়ে যান ওই ব্যক্তি। বাড়ি এসে মেয়েকে বিষয়টি জানান। কীভাবে পঞ্চায়েত এই কাজ করল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগ, ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্পে এককালীন মোটা অঙ্কের আর্থিক সাহায্য পেতে ওই ভুয়ো শংসাপত্র জমা দেওয়া হয়। এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে ওই নথি বার করতে পারলেন সাহাদুল? স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ভুয়ো ডেথ সার্টিফিকেটের একটি চক্র কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন অফিসে। সাবানার বাবা সাহাদুল লস্কর বলেন, ‘কুলতলি থানায় বৃহস্পতিবার এনিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছি।’ পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্তর নাম সাহাদুল লস্কর। অভিযোগকারী সাবানার বাবার নামও সাহাদুল। নামের এই সাদৃশ্যের সুযোগ নিয়েই প্রতারণার চেষ্টা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। অভিযুক্ত সাহাদুল কি সাবানাদের পূর্বপরিচিত? সেই প্রশ্নও উঠছে। পুলিস অবশ্য এই বিষয়ে কিছু জানায়নি। 

Advertisement

সাবানার বাবা জানিয়েছেন, আগে থেকে পরিচয় ছিল না তাঁদের। গোপালগঞ্জ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিমল সর্দার বলেন, ‘এরকম একটা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে।’ কুলতলির এডিএলআরও সৌরভ পাড়িয়া বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ