জেনিভা (পিটিআই): রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সভায় পাকিস্তানকে তুলোধোনা করল ভারত। সেদেশের মানবাধিকার ও অর্থনীতির বেহাল দশা নিয়ে তীক্ষ্ণ ভাষায় ইসলামাদকে বিঁধল ভারত। নয়াদিল্লির কটাক্ষ, জঙ্গিদের লালন-পালন ও নিজেদের লোকের উপর বোমা ফেলে ওরা। এর থেকে অবকাশ মিললে বরং লাইফ সাপোর্টে থাকা অর্থনীতির প্রাণরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় লজ্জাজনক রেকর্ডে উন্নতির দিকে নজর দেওয়া উচিত পাকিস্তানের। চলতি
সপ্তাহেই পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনওয়া প্রদেশে তাদেরই বায়ুসেনার ‘এয়ার স্ট্রাইকে’ ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই পাকিস্তানকে এভাবে খোঁচা দিল ভারত।
রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৬০তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে ভারতের পার্মানেন্ট মিশনের দূত ক্ষিতিজ ত্যাগী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এভাবেই সুর চড়িয়েছেন। পাকিস্তানি প্রতিনিধি দলের অবান্তর অভিযোগও খারিজ করে দিয়েছেন তিনি। এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, ‘একটি প্রতিনিধি দল ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও প্ররোচনামূলক মন্তব্যের জন্য এই মঞ্চের অপব্যবহার করে চলেছে।’ পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েও ইসলামাবাদের মুণ্ডপাত করেন ত্যাগী। তাঁর তোপ, ‘বেআইনিভাবে দখল করে রাখা ভারতের ভূখণ্ড খালি করুক পাকিস্তান।’ আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িয়ে ভারতীয় প্রতিনিধি বলেন, ‘পাকিস্তান সন্ত্রাসের
রপ্তানি করে। রাষ্টসংঘের নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসবাদীদের আঁতুড়ঘর ওই দেশ। এমনকী, নিজের মানুষেরই উপর বোমা ফেলে ওরা। এই সব অপকর্ম থেকে অবকাশ মিললে পাকিস্তানের বরং তাদের লাইফ সাপোর্টে থাকা অর্থনীতি, সেনার হস্তক্ষেপে বিধ্বস্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থার হাল ফেরানো এবং মানবাধিকারের অবক্ষয় রোধের দিকে নজর দেওয়া উচিত।