Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

পাকিস্তানের গোলাবর্ষণ, শহিদ জওয়ান

পহেলগাঁওতে হামলার প্রতিশোধ নিতে মঙ্গলবার রাতে অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাক ভূখণ্ডে প্রত্যাঘাত করেছে ভারত। এরপর থেকেই নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ভারতের জনবসতি লক্ষ্য করে গোলাগুলি ছুড়তে শুরু করেছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের গোলাবর্ষণ, শহিদ জওয়ান
  • ৮ মে, ২০২৫ ০৪:০২
Prefer us on Google

বিশেষ সংবাদদাতা, জম্মু: পহেলগাঁওতে হামলার প্রতিশোধ নিতে মঙ্গলবার রাতে অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাক ভূখণ্ডে প্রত্যাঘাত করেছে ভারত। এরপর থেকেই নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ভারতের জনবসতি লক্ষ্য করে গোলাগুলি ছুড়তে শুরু করেছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত খবর, পাক গোলায় চার শিশু, দুই মহিলা সহ ১৩ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।  পুঞ্চ সেক্টরে শহিদ হয়েছেন ভারতীয় সেনার ল্যান্স নায়েক দীনেশ কুমার। এছাড়াও জখম  হয়েছেন ৫০ জন। সেনা সূত্রে খবর, ভারতও যোগ্য জবাব দিয়েছে। তবে এবার কেবল পাকিস্তানকে প্রতিহত করার পথে হাঁটেনি সেনা। পাকিস্তানি সেনাচৌকি লক্ষ্য করে ভারী অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর জেরে গুঁড়িয়ে গিয়েছে পাক সেনার বহু চৌকি। তাদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে।  

Advertisement

পাকিস্তানের গুলি বর্ষণে সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে পুঞ্চ জেলার। মৃত ১২ জনের বাড়ি এই জেলাতেই। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের ছোড়া গুলিতে কেবল পুঞ্চেই ৪২ জন জখম হয়েছেন। এঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানানো হয়েছে। গোলাগুলি শুরু হওয়ার পরই সীমান্তর জেলাগুলিতে আতঙ্ক দেখা দেয়। এমনিতে সঙ্ঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে বেশ কয়েকদিন ধরেই গুলি চালাচ্ছে পাকিস্তান। তবে মঙ্গলবার রাত থেকে পাক সেনার লক্ষ্য মূলত সীমান্তের ফরওয়ার্ড এলাকা। তাই গুলি বর্ষণ শুরুর পরে অনেকেই বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে শুরু করেন। অনেকে আবার গ্রাম ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে থাকেন। গুলি চালনার খবর মিলেছে বালাকোট, মেন্ধের, মানকোট, কৃষ্ণঘাঁটি, গুলপুর, কের্নি থেকেও। এর জেরে বহু বাড়ি এবং যানবাহনের ক্ষতি হয়েছে। বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে জখম হয়েছে পাঁচ শিশু। রাজৌরিতে জখম হয়েছেন তিনজন। কুপওয়ারা জেলার কের্না সেক্টরের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন লেগে যায়। পাকিস্তানের গুলি চালনার জেরে সীমান্তবর্তী এলাকায় উভয় সঙ্কট দেখা দিয়েছে। জখমদের সংখ্যা বাড়ছে। তবে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিয়েছে। পাকিস্তানের ভারি শেলিংয়ের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুঞ্চ বাসস্ট্যান্ড। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বুধবার জম্মুর পাঁচটি সীমান্তবর্তী জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়।

সম্পর্কিত সংবাদ